ঘরে বসে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ফ্রি ওয়েবসাইট
ঘরে বসে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ফ্রি ওয়েবসাইট এখন ১০০% ফ্রি। কোন রেজিস্ট্রেশন ফি লাগবে না। তাই আজ থেকে শুরু করলে ৭ দিন পর আপনি নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।
সূচিপত্রঃঘরে বসে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ফ্রি ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা
- ঘরে বসে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ফ্রি ওয়েবসাইট থেকে আয়
- মোবাইল দিয়ে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ওয়েবসাইট
- ঘরে বসেই টাইপিং স্পিড বাড়ানোর ৫ সেরা ফ্রি ওয়েবসাইট
- মাত্র ৭ দিনেই টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সহজ রুটিন
- নতুনদের জন্য ৫ টা ভুল যা স্পিড কমিয়ে দেয়
- টাইপিং এ ভুল কমানোর উপায়
- ঘরে বসে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ফ্রি ওয়েবসাইট এখন হাতের নাগালে
- টাইপিং জব করে টাকা আয়
- ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য টাইপিং স্পিড
- কিবোর্ড না দেখেই টাইপ করার নিয়ম
- বাচ্চাদের জন্য টাইপিং শেখার সাইট
- শেষ কথাঃঘরে বসে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ফ্রি ওয়েবসাইট কোনগুলো
ঘরে বসে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ফ্রি ওয়েবসাইট থেকে আয়
ঘরে বসে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ফ্রি ওয়েবসাইট থেকে আয় করা এখন আর স্বপ্ন নয়। এটা এখন বাস্তব। অনেকেই ভাবে যে টাইপিং শিখলে কি হবে, কি লাভ? কিন্তু সত্য কথা বলতে কি জানেন, আপনার টাইপিং স্পিড যদি ভাল হয় তাহলে আপনি ঘরে বসেই, ডাটা এন্ট্রি, ক্যাপচা, আবার আর্টিকেল লিখেও মাসে ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ফাইবার, upwork এর মত জায়গাগুলোতে হাজার হাজার ছেলেমেয়ে শুধুমাত্র আর্টিকেল লিখে ৫-৭ ডলার পর্যন্ত আয় করে নিচ্ছে।
একবার ভাবুন আপনি ঘরে বসে যদি মাসে মোটা টাকা ইনকাম করতে পারেন তাহলে কত ভালো হয়। তাই বলি শুধু ঘরে বসে, যাদের সময় আছে কিন্তু সময় গুলো অপচয় করেন বিভিন্ন ধরনের ভিডিও রিলস,দেখে। এই সময় গুলোকে কাজে লাগিয়ে যদি আপনি প্রতিদিন এক থেকে দুই ঘন্টা টাইপিং করে নিজের হাতের স্পিড বাড়ান তাহলে ঘরে বসে ইনকাম করতে পারবেন।
সব থেকে মজার বিষয় কি জানেন, এর জন্য আপনাকে কোন টাকা পয়সা দেওয়া লাগবে না। ফ্রি ওয়েবসাইট গুলোতে প্র্যাকটিস করে, যখন আপনার লেখার স্পিড ৫০WPM হয়ে যাবে, তখন আপনি নিজেই ফেসবুক বা youtube এ গিয়ে অন্যদের টাইপিং শেখাতে পারবেন। সেখান থেকেও আপনি ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তাই টাইপিং শেখা নয়, সেটাকে একটা স্কিল বানিয়ে ফেলুন। দেখবেন এক সময় আপনার নিজের ভাগ্যটাই বদলে গেছে। আর এক সময় দেখবেন আপনার মোবাই, ল্যাপটপ দিয়ে মাসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করছেন শুধু আপনার স্কিনের জন্য।
মোবাইল দিয়ে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ওয়েবসাইট
আপনি কি মোবাইল দিয়ে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ওয়েবসাইট খুঁজছেন? তাহলে Sumo কথাগুলো আপনার জন্য। সত্যি কথা বলতে এখন টাইপিং করার জন্য ল্যাপটপ আর কম্পিউটার লাগে না। আপনার হাতে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে টাইপিং স্পিড বাড়ানো যায়। আমরা বেশিরভাগ সময় মোবাইলে এক আঙ্গুল দিয়ে টাইপ করি। এভাবে টাইপ করলে কিন্তু স্পিড বাড়ে না।
তাই,typing Academy, keybr.com, mobile typing test এই ওয়েবসাইট গুলো মোবাইলের জন্য এমন ভাবে বানানো হয়েছে যে, দুই হাতের বুড়া আঙ্গুল দিয়েও প্রফেশনাল ভাবে টাইপিং করা যায়। এইগুলোতে ছোট ছোট লেসন, ভুল ধরার সিস্টেম আর লাইভ WPMWPM মিটার ও আছে। তাই খুব সহজেই অনেক সুন্দর করে আপনি টাইপিং কাজটা শিখতে পারবেন। এটা আপনার টাকা পয়সাও লাগলো না আর শেখাটা অনেক সুন্দর হলো।
এই সাইটগুলোতে যদি আপনি প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ মিনিট প্র্যাকটিস করেন তাহলে ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লেখার স্পিড ৩০ থেকে ৪০ WPMWPM হয়ে যাবে। এটার সবথেকে বড় সুবিধা হল টাইপিং স্পিড করার জন্য এক্সট্রা ভাবে কোন অ্যাপ ডাউনলোড করতে হয় না। সরাসরি ক্রোম ব্রাউজার থেকে ঢুকেই আপনি প্র্যাকটিস করতে পারবেন। আবার ডাটাও খুব কম কাটে। তাই বলি ঘরে শুয়ে বসে থেকে একটু সময় দিয়ে যদি হাতের লেখার স্পিড বাড়াতে পারেন। তাহলে ভবিষ্যতে কিছু ঘরে বসে ইনকাম করতে পারবেন।
ঘরে বসেই টাইপিং স্পিড বাড়ানোর ৫ সেরা ফ্রি ওয়েবসাইট
এখন ঘরে বসেই টাইপিং স্পিড বাড়ানো যায়। টাইপিং স্পিড বাড়ানোর জন্য কয়েকটা বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট আছে। তার মধ্যে পাঁচটি ওয়েবসাইট হলো -
- typing.com
- keybr.com
- typing club
- Rata type
- 10Fristfinger,
- typing.com :এটা নতুনদের জন্য একদম সেরা। কিবোর্ড না দেখে কিভাবে টাইপিং করা যায়, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শিখিয়ে দেয়।
- keybr.com:এই ওয়েবসাইটে আপনার ভুলগুলো হাতে ধরে শিখিয়ে দেয়। যে অক্ষরগুলোতে আপনার অসহায় সেই অক্ষরগুলো বারবার প্র্যাকটিস করায় তাই খুব তাড়াতাড়ি স্পিড বাড়ে।
- typing club :এখানে গেম খেলার মত করে টাইপিং শিখিয়ে দেয়। ছোট ছোট লেসন থাকে তাই পড়তেও বিরক্ত লাগে না।
- rata type : এখানে বন্ধু-বান্ধবের সাথে পাল্লা দিয়ে টাইপিং শেখা যায়। টাইপিং শেখা শেষ হলে একটা সুন্দর সার্টিফিকেটও দেয়।
- 10fast ffingers:এই ওয়েবসাইটের মধ্যে আপনার এক মিনিটে টাইপিং স্পিড কত সেটা বলে দেয়। এমনকি সারা বিশ্বের মানুষের সাথে আপনার টাইপিং স্পিডের তুলনা করে বলে দেবে আপনি কত নাম্বার।
এই পাঁচটা সাইটে যদি আপনি প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় দেন তাহলে আপনার হাতের স্পিড অনেক গুণ বেড়ে যাবে।
মাত্র ৭ দিনেই টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সহজ রুটিন
আপনি যদি মোবাইল দিয়ে টাইপিং স্পিড বানাতে চান তাহলে একটা ৭দিনের রুটিন আপনাকে ফলো করতে হবে । আপনি যদি সাত দিন এই রুটিন মেনে চলতে পারেন, তাহলে আপনার হাতের লেখার স্পিড অবশ্যই অনেক বেড়ে যাবে। প্রথম ৩ দিন আপনি আপনার হাতের লিখার স্পিড এর কথা চিন্তা করবেন না। শুধু না দেখে টাইপ করার অভ্যাস করুন। মোবাইলের জন্য
- typing cat
- Agilefingers
এর মত মোবাইল ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট গুলোতে ঢুকে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ মিনিট practice করবেন। টাইপ করার সময় অটো কারেকশন বন্ধ রাখবেন। আর একই শব্দ বারবার লিখবেন। এক শব্দ বারবার লিখলে আপনার মনে থাকবে যে কোন আঙ্গুলে কোন লেখাটা আছে। এরকম করে তিনদিন পার করবেন।
এবার পরের ৪ দিন আপনার স্পিড দেখার সময়। এরপর প্রতিদিন ২০ মিনিট করে টাইপিং করুন। মোবাইল দুই হাতে না ধরে এক হাতে ধরে বুড়া আঙ্গুল দিয়ে টাইপিং করার চেষ্টা করুন। এতে ভুল কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এবার সাত দিন পরে আপনি নিজেই নিজেকে পরীক্ষা করে দেখুন। আপনি আগে যেখানে এক মিনিটে দশটা শব্দ লিখতেন এখন এক মিনিটে আপনি ৩০ থেকে ৪০ টা শব্দ লিখে ফেলতে পারবেন।
নতুনদের জন্য ৫ টা ভুল যা স্পিড কমিয়ে দেয়
নতুন অবস্থায় আমরা প্রায় সবাই প্রায় এই ভুলগুলো করে থাকি। আর এই ভুলগুলো করি বলে লেখার স্পিড তাড়াতাড়ি বাড়ে না। ভুলগুলো হলো -
- কিবোর্ডের দিকে তাকিয়ে টাইপ করাঃনতুন অবস্থায় বেশিরভাগ মেয়েরাই কিবোর্ডের দিকে তাকিয়ে টাইপ করে। এই সময় তাকাতে তাকে তেল লিখার সময়টাই নষ্ট হয়ে যায়। তাই চোখ থাকবেই স্ক্রিনে আর হাত থাকবে কিবোর্ডে নিজের মতো করে লিখবেন।
- শুধু দুই আঙ্গুল দিয়ে টাইপ করাঃদুই আঙ্গুল দিয়ে টাইপ করতে করতে মনে হয় এই দুই আঙ্গুল অনেক ফাস্ট। কিন্তু আপনি কখনোই ৩০ wpm এর ওপরে কখনোই স্পিড নিয়ে যেতে পারবেন না। তাই দশ আঙ্গুলেরই ব্যবহার জানতে হবে।
- একেবারে স্কিল বাদ দিয়ে শুধু স্পিডের পেছনে ছোটাঃএমনও মানুষ আছে যে লেখা ভুল হলো না সঠিক হলো সেটা না দেখে, শুধু স্পিড বাড়ানোর জন্য হাত চালাতে থাকে একটা বড় ভুল। এভাবে টাইপ করলে ৫০ wpm স্পিডের কোন দাম নেই । তাই এতডিসি ঠিক করেন স্পিড এমনি বেড়ে যাবে।
- কিবোর্ডের ওপরে ভুল ভাল হাত রাখাঃঅনেকেই কিবোর্ড এর ওপরে যেমন খুশি তেমনভাবে হাত রেখে টাইপ করে একটা বড় ভুল। এভাবে টাইপ করলেই স্পিড বাড়ে না, তাই বাম হাত ASDF এর ওপরে আর ডান হাত JKL এর উপরে রাখতে হবে।
- প্রতিদিন প্র্যাকটিস না করাঃসব থেকে আর একটা বড় ভুল হলো প্রতিদিন প্র্যাকটিস না করা। যেকোনো কাজই প্র্যাকটিস না করলে কাজের অভিজ্ঞতাটাও বাড়ে না আবার ভুলেও যায়। মনে করুন আজকে প্র্যাকটিস করলেন ১ঘন্টা, আর কালকে করলেন ০ মিনিট। ২০ মিনিটও প্র্যাকটিস করেন তাহলে অনিয়মিত ১ ঘন্টা প্র্যাকটিসের চেয়ে ১০ গুণ বেশি ভালো হবে।
আরো পড়ুনঃপ্রোডাক্ট রিসেলিং করে অনলাইন বিজনেস শুরু করার নিয়ম
টাইপিং এ ভুল কমানোর উপায়
টাইপিং এ ভুল কমাতে হলে আগে কিবোর্ডের দিকে তাকানো বন্ধ করতে হবে। প্রায় সবাই দেখি স্পিড বাড়াতে গিয়ে শুধু কিবোর্ডের দিকে তাকিয়ে টাইপ করে, এতে তো স্পিড বাড়েনা বরং ভুল হয় আরো বেশি। প্রথম অবস্থায় আস্তে আস্তে টাইপ করতে হবে আর লেখার দিকে করতে হবে, যে সঠিক লেখা হচ্ছে নাকি ভুল লেখা হচ্ছে। যদি কোন শব্দ ভুল তাহলে সাথে সাথে ব্যাক স্পেস চাপবেন না। লেখাটা শেষ করে তারপরে ব্যাক ব্যাক স্পেস দিয়ে ভুল লেখাটা মুছে দিবেন। লেখার মাঝে ব্যাক স্পেস থাকলে মনোযোগ নষ্ট হয়ে যায়।
আর আপনি যদি প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ মিনিট নিয়ম করে প্র্যাকটিস করেন তাহলে ভুল এমনিতেই কমে যাবে। টাইপিং গেম বা আরো অন্য কোন ফ্রি ওয়েবসাইট দিয়ে প্রতিদিন প্র্যাকটিস করুন। যদি কঠিন শব্দ দেখে ভয় করবেন না বরং কঠিন শব্দটা ৩থেকে ৪ বার লিখবেন। তাহলে আর ভুল হবে না। আর একটা কথা মাথায় রাখবেন টাইপিং করার সময় একদম শান্তভাবে রেখে টাইপিং করতে বসবেন। টাইপিং করার সময় তাড়াহুড়া করবেন না তাহলে মনোযোগ নষ্ট হয়ে ভুলভাল লিখা হবে।ভুল লেখার জন্য স্পিড কমে যাবে।
ঘরে বসে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ফ্রি ওয়েবসাইট এখন হাতের নাগালে
আগে টাইপিং শেখার জন্য,কোন প্রাইভেট সেন্টারে যেতে হতো। কিন্তু এখন ঘরে বসে মোবাইল, কম্পিউটার বা ল্যাপটপের মাধ্যমেই টাইপিং করা যায়। এতে এক টাকাও খরচ হয় না। অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলোতে বাংলা এবং ইংরেজি দুইটাই টাইপিং প্র্যাকটিস করা যায়। এর জন্য টাকা দেওয়া লাগে না একদম ফ্রি। শুধু ইন্টারনেট থাকলেই হবে। তাই আগের তুলনায় অনেক সহজে টাইপিং প্র্যাকটিস করা যায় ঘরে বসে।
এই ওয়েবসাইটগুলোতে গেম এর মত করে টাইপিং শেখানো হয়। তাই বিরক্ত লাগেনা। নিয়ম করে যদি প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ মিনিট করতে পারেন, তাহলে এক মাসের মধ্যেই টাইপিং স্পিড অনেক বেড়ে যাবে। আপনার WPM কত হলো সেটাও জানতে পারবেন। আর যারা স্টুডেন্ট চাকরিজীবী এই লিখার স্পিড গুলো করতে চান তারা এই ফ্রি ওয়েবসাইট গুলো দিয়ে প্র্যাকটিস করতে পারেন। নিয়মিত প্র্যাকটিস করলে একটা ভালো পজিশনে যেতে পারবেন। আর এই প্র্যাক্টিস করার জন্য বাইরে কোথাও না শুধু আপনি ঘরে বসে মোবাইল দিয়েও করতে পারেন।
টাইপিং জব করে টাকা আয়
এখন ঘরে বসেই মোবাইলের মাধ্যমে অনেকেই টাইপিং জব করে টাকা আয় করছে। টাইপিং করে টাকা আয় করা কাজটা অনেক সহজ। কোম্পানি বা ক্লায়েন্ট পিডিএফ, ছবি বা হাতে লেখা কাগজ দিবে। আপনি সেটা দেখে দেখে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ দিয়ে টাইপ করে word বা Excel লিখে জমা দিতে হবে। বাংলা ইংরেজি দুই ধরনের কাজই পাওয়া যায়। যার টাইপিং স্পিড ভালো সে মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারে।
কাজ করার জন্য বড় বড় ডিগ্রী লাগে না। আবার ইংলিশে এক্সপাট হওয়া লাগে না। শুধু কম্পিউটার বা ল্যাপটপ সাথে ইন্টারনেট আর টাইপিং করার জন্য ভালো স্কিল থাকলে যথেষ্ট। ফাইবার, আপ ওয়ার্কের মত ও বড় বড় ওয়েবসাইট গুলোতে প্রতিদিন অনেক অনেক কাজের পোস্ট হয়। আবার ফেসবুক গ্রুপে ও টাইপিং জব এর জন্য লোক খুঁজে।
এসব জায়গাগুলোতে আপনার যে স্কেল আছে সেই স্কিল অনুযায়ী পোস্ট করবেন। এভাবে পোস্ট করতে করতে যখন ক্লাইন্ট আপনাকে নক দিবে তখন, তার সাথে কথা বলে সব ঠিক করে নেবেন। প্রথমে ছোট কাজ ধরবেন। পরে আপনার কাছ থেকে যদি তাদের ভালো লাগে তাহলে আস্তে আস্তে বড় কাজ পাবেন এবং ইনকাম অনেক বেড়ে যাবে।
ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য টাইপিং স্পিড
বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং শিখে মানুষ লাখ লাখ টাকা ইনকাম করে ফেলছে। আর ফ্রিল্যান্সিং স্পিড মানে হচ্ছে টাকা। কিন্তু ক্লাইন্ট কখনো এক ঘন্টার কাজ তিন ঘণ্টা ধরে করলে পছন্দ করবে না। এভাবে যদি লেট করে কাজ করতে থাকেন তাহলে ক্লাইন্ট হারাবেন। তাই ফ্রিল্যান্সিং জগতে কাজ করতে হলে টাইপিং স্পিড বাড়াতে হবে। তাহলে পয়সার অভাব হবে না।
Fiverr, Upwork এ ডাটা এন্ট্রি, আর্টিকেল রাইটিং, ট্রান্সক্রিপশন এইসব কাজে প্রতি মিনিটে ৪০-৬০ WPM স্পিড লাগবে। আপনার স্পিড যত বেশি হবে আপনি তত তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করে আবার নতুন কাজ নিতে পারবেন। আর এভাবে কাজ করতে থাকলে টাকাও বেশি ইনকাম করা যাবে। অনেকেই ভাবে ফ্রিল্যান্সিং মানেই কোডিং বা ডিজাইন। কিন্তু আসলে তা না।
আপনি দ্রুত টাইপিং করেও বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। কারণ বিদেশী ক্লায়েন্টরা ঘণ্টা হিসেবে ডলার দেয়। আপনি এক ঘন্টার কাজ যদি ৩০ মিনিটে করতে পারেন। তাহলে বাকি ৩০ মিনিট অন্য আর একটা কাজ করতে পারবেন এতে আপনার দুই দিকে ইনকাম হল। তাই ফ্রিল্যান্সিং আপনার হাতের লিখার স্পিড বাড়ান। স্পিড হচ্ছে আপনার আসল স্কিল।
কিবোর্ড না দেখেই টাইপ করার নিয়ম
শুধু টাইপিং করলেই হবে না। টাইপ করার সময় হাতের আঙ্গুল রাখতে হবে। তা না হলে টাইপিং করে ভালো স্পিড পাওয়া যাবে না। কিবোর্ড না দেখে টাইপ করাকে বলা হয় টাচ টাইপিং। টাইপ করার মূল নিয়ম হলো হাতের ১০ আঙ্গুল কিবোর্ডের মাঝের লাইনে সেট করা। বাম হাতের চার আঙ্গুল থাকবে ASDF এর উপরে। আর ডান হাতের চার আঙ্গুল থাকবে JKL এর ওপরে। আর দুই হাতের বুড়ো আঙ্গুল থাকবে স্পেস বাড়ে। টাইপিং করার সময় চোখ থাকবে মনিটরে কিবোর্ডে না।
প্রথমে আস্তে আস্তে প্র্যাকটিস করতে হবে তারপরে কিবোর্ড দেখা যাবে না ও।টাইপ করার সময় মনে রাখতে হবে আঙ্গুল দিয়ে কোন অক্ষর চাপছেন।যেমন ধরুন -QZAবাম হাতের ছোট আঙ্গুল দিয়ে চাপবেন। আর পি চাবেন ডান হাতের ছোট আঙ্গুল দিয়ে চাপবেন p। এভাবে যদি প্রতিদিন 15 মিনিট করে দশ দিন এই প্র্যাকটিসটা করতে পারেন তাহলে, আপনার হাত নিজের জায়গা নিজেই চিনে নেবে। তখন স্পিড বাড়বে অনেক আর গুলো কম হবে।
বাচ্চাদের জন্য টাইপিং শেখার সাইট
বর্তমান সময়ে বাচ্চারা বই দেখে দেখে টাইপিং করতে খুব বোরিং ফিল করে। আর তাদের জন্য এমন সাইট আছে যেগুলো দিয়ে তারা আনন্দের সাথে টাইপিং করতে পারবে। বাচ্চাদের জন্য গেমের মত যে সাইট দিয়ে টাইপিং করা বেস্ট। এই সাইড গুলোতে কিবোর্ডগুলো রঙিন হয়। বিভিন্ন ধরনের কার্টুন আর মজার মজার গেম থাকে। এগুলো দেখে খেলতে খেলতেই তারা এ থেকে জেড পর্যন্ত সব অক্ষর গুলোই টাইপিং করতে শিখে ফেলে। এতে কোন চাপ নেই চার ছলে খেলবে আর শিখবে। আর এটা থেকেই আস্তে আস্তে তাদের টাইপিং স্পিড আর একিউরেসি বেড়ে যাবে।
বাচ্চাদের জন্য টাইপিং সাইডগুলো একদম ফ্রি, আর ব্যবহার করাও অনেক সহজ। বাচ্চারা নিজে নিজেই লগইন করে খেলতে পারবে। যদি তারা ভুল করে তাহলে সেটা আবার দেখিয়ে দেবে। এসব টাইপিং এ আবার পয়েন্ট সিস্টেম আছে লেভেল সিস্টেমও আছে। পয়েন্ট আর লেভেল সিস্টেম থাকার কারণে বাচ্চারা আরো আগ্রহ করে প্র্যাকটিস করে। এভাবে যদি প্রতিদিন পড়াশোনার পাশাপাশি বাচ্চাদেরকে ১০ থেকে ১৫ মিনিট টাইপিং শেখানো যায়। তাহলে ১-২মাসের মধ্যেই তাদের টাইপিং স্পিড অনেক বেড়ে যাবে।
শেষ কথাঃঘরে বসে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ফ্রি ওয়েবসাইট কোনগুলো
ঘরে বসে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ফ্রি ওয়েবসাইট গুলো হল
- typing master online
- keybar.com
- 10farstfinger.com
- monky type
এই সাইটগুলো অনেক জনপ্রিয়, এই অ্যাপসগুলো থেকে বাংলা ইংরেজি দুইটাতেই প্র্যাকটিস করা যায়। আর এগুলো একদম ফ্রি কোন টাকা পয়সা লাগে না, বা অ্যাকাউন্ট খোলা লাগেনা। শুধু এই সাইটগুলোতে ঢুকে গেম এর মতো করে টাইপিং করলেই WPM আর এ্যকুইরিসি সাথে সাথে দেখা যায়।
আপনাদের অনেকের মনে প্রশ্ন থাকতে পারে যে, এই ওয়েবসাইট গুলো দিয়ে কি আসলেই অসম্ভব? হ্যাঁ অবশ্যই ইনকাম করা সম্ভব। প্রথমে এই ফ্রী ওয়েবসাইটগুলো দিয়ে লিখার স্পিড ৪০WPMএর বেশি করতে হবে। যখন আপনার হাতে লেখার অনেক বেশি হবে তখন, ফাইবার, আপওয়ার্ক আবার ফেসবুক গ্রুপ কন্টেন রাইটিং সহ আরো বিভিন্ন ধরনের কাজের অফার থাকে। বিদেশি ক্লায়েন্টরা ঘন্টা হিসেবে কাজ করার পরে টাকা দেয়। তাই আপনার হাতের লিখর স্পিড যত বেশি হবে, আপনি ইনকামও তত বেশি করতে পারবেন। মাসে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘরে বসে ইনকাম করতে পারবেন।
ঘরে বসে টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সেরা ফ্রি ওয়েবসাইট সম্পর্কে আমি ডিটেলস বলার চেষ্টা করেছি। এটা লিখতে গিয়ে যদি কোন কিছু ছাড়া পড়ে থাকে বা আমার কোন জায়গায় ভুল হয়ে থাকে, তাহলে আমাকে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আর যদি কোন জায়গায় বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে আমাকে জানাবেন আমি সমাধান করে দেওয়ার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। আবার মাঝে মাঝে যে অ্যাপস গুলোর কথা বলেছি সেগুলো আপডেট হতে পারে। হয় তাহলে সেই ভাবে কাজ করবেন।
আরো পড়ুনঃইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রতিমাসে আয়ের সহজ পদ্ধতি


আপনি যদি ইচ্ছা পুরন এর কোন পোস্টে কমেন্ট করতে চান, তাহলে এর নীতি মেনে কমেন্ট করুন। কারন প্রত্যেকটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url