ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কম দামে সেরা ল্যাপটপ রিভিউ

 ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কম দামে সেরা ল্যাপটপ রিভিউ খুঁজছেন? তাহলে ভুল ল্যাপটপ কিনে অযথা  টাকা নষ্ট করবেন না। কেনার আগে পাঁচটি মডেলের রিভিউ অবশ্যই  দেখুন। 

ফ্রিল্যান্সিং-কাজের-জন্য-কম-দামে-সেরা-ল্যাপটপ-রিভিউ

সূচিপত্রঃফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কম দামে সেরা ল্যাপটপ রিভিউ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা 

ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কম দামে সেরা ল্যাপটপ রিভিউ এর সেরা ৫ মডেল

ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কম দামে সেরা ল্যাপটপ রিভিউ এর সেরা ৫ মডেল সম্পর্কে আমি আজকে আপনাদেরকে অনেক সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলব। অনেকে ভাবেন ফ্রিল্যান্সিং মানেই ভালো মানের ল্যাপটপ ছাড়া কাজ করা বা ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব নয়। কিন্তু এ কথাটা সঠিক নয়। আজকাল কম দামের ল্যাপটপ কিনেও ভালো মানের সার্ভিস পাওয়া সম্ভব। যা দিয়ে আপনি কাজ অনেক সুন্দর ভাবে শিখতে ও করতে পারবেন কোন হ্যাং হবে না। 

ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কম দামে সেরা ল্যাপটপ রিভিউ এর সেরা ৫ মডেল নিচে দেওয়া হল -

  1. Lenovo IdeaPad slim  এইটা ৮ জিবি ram আর ৫১২ জি বি এস এসডি সহ মাল্টিটাক্সিং এর জন্য সেরা। এটা পাতলা ও হালকা চার্জও থাকে অনেকক্ষণ। এক কথায় এটা সব কাজের জন্য ভালো। 
  2. Hp 15s প্রোগ্রামিং ও ডাটা এন্ট্রি কাজের জন্য এটা ভালো। আর ব্যাটারি ব্যাকআপ ৭ ঘন্টা প্লাস। দেখতেও সুন্দর কিবোর্ডে কাজ করে আরাম। এটা নতুনদের জন্য একদম বেস্ট। 
  3. Asus vivobook 15 ছবি বা ডিজাইনের জন্য যারা কাজ করেন তাদের জন্য এটা অনেক ভালো। কারণ এটার স্কিন অনেক পরিষ্কার। 
  4. Aecr Aspire 3:অল্প টাকায় এটা অনেক শক্তিশালী। অনেক কাজ করলেও এটা স্লো হয় না। 
  5. Walton tamarind :এটা আমাদের দেশি ল্যাপটপ। দামে কম কিন্তু কাজ করার সময় অনেক ভালো চলে। 

নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ল্যাপটপ

ফ্রিল্যান্সিং কাজ শিখতে গেলে অবশ্য একটা ভালো ল্যাপটপ প্রয়োজন। তাই বলে যে অনেক দামি ল্যাপটপ কিনতে হবে তা নয়। ফ্রিল্যান্সিং কাজ শুরু করার প্রথম দিকে ৪০-৫০ হাজার টাকার মধ্যে ৮জিবি ram SSD আর Core i3/i5 প্রসেসর ল্যাপটপ হলেই যথেষ্ট। এটা দিয়েই টাইপিং ভিডিও এডিটিং, কোডিং, ডিজাইন সব কাজই করা যায়। কেনার সময় একটু দেখে নিতে হবে, এতে যদি ব্যাটারি ব্যাকআপ হয় তাহলে কারেন্ট গেলেও চলবে। 

ল্যাপটপ কেনার আগে দুইটা জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখবেন। 

১।কীবোর্ড যেন আরামদায়ক হয় :কারণ যারা ফ্রিল্যান্সিং করে তাদেরকে অনেক সময় ধরেই ল্যাপটপের সামনে বসে থাকতে হয় কাজ করার জন্য। কিবোর্ড যদি ভালো না হয় তাহলে করে শান্তি পাওয়া যাবে না। 

২।স্কিন যেন চোখকে আরাম দেয় :কেনার সময় দেখে নিতে হবে স্কিনে তাকালে যাতে চোখের কোন সমস্যা না হয়।কারণ কাজ করতে গেলে অনেকক্ষণ ধরে স্কিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয় চোখে পানি এসে ঝাপসা দেখায়।  

আর সব থেকে বড় কথা হলো ল্যাপটপ নেওয়ার সময় হালকা দেখে নিতে হবে। যাতে আপনি যেখানে খুশি সেখানে নিয়ে গিয়ে কাজ করতে পারেন। আর একটা কথা কাজ শেখার জন্য দামি ল্যাপটপ দরকার নেই। আসন উদ্দেশ্য হচ্ছে কাজ শেখা। তাই এত দামি ল্যাপটপ না নিয়ে মিডিয়াম টাকার মধ্যে ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করে আপনি মাসে ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

স্টুডেন্টদের জন্য বাজেট ল্যাপটপ বাংলাদেশ

স্টুডেন্টদের জন্য ল্যাপটপ মানে আমরা বুঝি অনলাইন ক্লাস আর হালকা পাতলা কোন কাজের জন্য। তাই তাদের জন্য খুব বেশি দামে ল্যাপটপ না কিনলেও সমস্যা নেই। বাংলাদেশের ৩০০০০ থেকে ৪৫ হাজার টাকার মধ্যে ভাল ল্যাপটপ পাওয়া যায়। এই বাজেটের মধ্যে ল্যাপটপ নিয়ে আপনি অনেক সহজে zoom class, MS Word, PowerPoint, YouTube, আবার হালকা-পাতলা ফ্রিল্যান্সিং এর কাজও করতে পারবেন।

কেনার সময় কয়েকটা জিনিস অবশ্যই দেখে কিনবেন। 

  • RAM 8 GB - 8gb দেখে নিলে কাজের সময়  আটকাবে না। 
  • SSD 256ল্যাপটপ খুব দ্রুত অন হবে।
  • Core i3processor -প্লাস আর টাইপিং এর জন্য এটা যথেষ্ট। 
  • battery backup 4 hours -কারেন্ট গেলেও সমস্যা হবে না, ল্যাপটপ চলতেই থাকবে। 
  • ওজন কম, ওজন কম হলে ব্যাগে করে নিয়ে যেখানে সেখানে যাওয়া যায়। 

গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ভালো ল্যাপটপ

গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য কম দামি ল্যাপটপ নিলে হবে না। যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে চান তাদের জন্য একটা ভালো ল্যাপটপের প্রয়োজন। কারণ গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে গেলে ফটোশপ, ক্যানভা প্রো এই সফটওয়্যার গুলো ইন্সটল করতে হয় আর এগুলো অনেক ভারী সফটওয়্যার। ভালো ল্যাপটপ না নিলে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ করতে গেলে টপ বার বার হ্যাং হবে।

 ভালোভাবে কাজ করতে পারবেন না। আবার স্কিনের কালার টাও একদম অ্যাকিউরেট হতে হবে। কারণ ক্লাইন্ট যে কালার দেখাবে তাকে ডেলিভারি কাজ দেওয়ার পরে অন্য কালার হয়ে গেলে ক্লাইন্ট অসন্তুষ্টি হবে। তাইলে ল্যাপটপ কেনার আগে অবশ্যই সবকিছু দেখে শুনে বুঝে কিনতে হবে। 

গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজের জন্য ল্যাপটপ কিনতে গেলে কয়টা বিষয়ে অবশ্যই মাথায় রাখবেন -

  1. RSM,16GB-৮ জিবি দিয়ে হলেও চলবে কিন্তু ১৬ জিবি হলে কাজ অনেক সুন্দর ভাবে হয়। 
  2. processor,core i5-প্রসেসর যত ভালো হবে কাজ তত বেশি ফাস্ট হবে। 
  3. SSD,51এইসব কাজের প্রজেক্ট ফাইল অনেক বড় হয় তাই ইস্টোরেজ ও বেশি লাগে, তাই এটা নেওয়া ভালো। 
  4. screen :IPS display +full HD -কালার একদম অরজিনাল দেখাবে। 

আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ল্যাপটপ নিতে চান তাহলে ৬০ থেকে ৮০ হাজারের মধ্যে নিলে অনেক সুন্দর কনফিগারেশনের ল্যাপটপ পেয়ে যাবেন। আর একটা কথা মনে রাখবেন, গ্রাফিক্স কার্ড থাকলে অনেক ভালো। আর প্রথম দিকে যদি না থাকে তাও কোন সমস্যা নেই। 

৩০ হাজার টাকায় ফ্রিল্যান্সিং ল্যাপটপ

৩০ হাজার টাকা দিয়ে ল্যাপটপ কিনে ফ্রিল্যান্সিং করা খুবই কঠিন হয়ে পড়বে। তাই এই বাজেটে নতুন ল্যাপটপ না পেলেও ১/২বছরের ওয়ারেন্টিওলা ল্যাপটপ খুব ভালো পাবেন।এই ল্যাপটপ দিয়ে আপনি ডাটা এন্ট্রি, কনটেন্ট রাইটিং, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট, হালকা গ্রাফিক্সের কাজ ও আরামে করতে পারবেন। 8GB RAM  আর SSD থাকলে ল্যাপটপ স্লো হবে না কাজ করতেও বিরক্ত লাগবে না। 

এই বাজেটের মধ্যে যদি ল্যাপটপ নিতে চান তাহলে অবশ্যই,  core i3 বা Ryzn 3 প্রসেসর আর ২৫৬Gb SSD  দেখে নিবেন। আর ব্যাটারি ব্যাকআপ ৩-৪ ঘন্টা হলেই চলবে। আর একটা কথা মনে রাখবেন ৩০ হাজার টাকার ল্যাপটপ দিয়ে আপনি ইউটিউব এডিটিং বা ভার গেম এইসব কিছু খেলতে পারবেন না। ফ্রিল্যান্সিংয়ের ৮০% কাজ এই ল্যাপটপ দিয়ে হবে। প্রথমে ছোট ছোট কাজ করে টাকা জোগাড় করে পরে একটা ভালো ল্যাপটপ নিয়ে ভালোভাবে কাজ করতে পারবেন। 

ল্যাপটপ কেনার আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরী

ল্যাপটপ কেনার আগে আপনি ভালোভাবে চিন্তা-ভাবনা করে নিবেন যে, আসলে আপনি কোন কাজের জন্য ল্যাপটপ কিনবেন।  আপনি যদি পড়াশোনা আর ইউটিউব দেখার জন্য ল্যাপটপ কিনেন তাহলে কম দামের ল্যাপটপ কিনলেও চলবে। আর যদি ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য ল্যাপটপ কিনেন তাহলে Ram আর প্রসেসর যেন ভাল হয় সেই ধরনের ল্যাপটপ কিনতে হবে। তা না হলে এ কাজগুলো করা যাবে না। 

আরো পড়ুনঃকোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া ডাটা এন্ট্রি কাজের সহজ উপায় 

তাই বলছি কোন কাজ করবেন আগে চিন্তা ভাবনা করে নিবেন। আপনি যদি ভারী কাজ করেন আর কম দামি ল্যাপটপ কেনেন তাহলে টাকাই নষ্ট হবে। আপনার কোন কাজ হবে না। তাই বেকার টাকা পয়সা নষ্ট করে লাভ নাই। তাই আগে চিন্তা ভাবনা করে দেখবেন যে রকম কাজ করবেন সে ধরনের ল্যাপটপ কিনবেন। তা না হলে কিন্তু শুধু টাকাই নষ্ট হবে। 

ল্যাপটপ কেনার আগে ৪ টা বিষয়ে অবশ্যই দেখে নিবেন -

  1. RAM-8 জিবি হলে ভালো হয় 
  2. SSD-256 GB-হলে কম্পিউটার ফাস্ট হয়। 
  3.  ব্যাটারি ব্যাকআপ ৪ ঘন্টা-ব্যাটারি ব্যাকআপ যদি ৪ ঘন্টা থাকে তাহলে কারেন্ট গেলেও কোন সমস্যা হবে না ল্যাপটপ চলতে থাকবে। 
  4. আর একটা সবচেয়ে জরুরী বিষয় হলো ওয়ারেন্টি-ল্যাপটপ কেনার সময় কমপক্ষে এক বছরের ওয়ারেন্টি কার্ডটা নিয়ে নিবেন।আর যদি অনলাইনে কিনেন তাহলে রিভিউ দেখে নিবেন। তা না হলে পরে কিন্তু পস্তাতে হবে। 

হালকা ও পাতলা ফ্রিল্যান্সিং ল্যাপটপ,

অনেকেই আছে ঘরে বসে কাজ করতে করতে অনেক বোরিং হয়ে যায়। তাদের জন্য হালকা পাতলা ল্যাপটপ ও হলে দোকানে, বন্ধুদের আড্ডায় বা কোন লাইব্রেরীতে গিয়েও ল্যাপটপ নিয়ে গিয়ে কাজ করতে পারবে।এই ল্যাপটপগুলোর ওজন ১.৫ কেজির মত।কারেন্ট চলে গেলেও পাঁচ ঘন্টা চার্জ থাকে। তাই কারেন্ট গেলে কোন সমস্যা হয় না। এই ল্যাপটপ দিয়ে টাইপিং, ডাটা এন্ট্রি, কন্টেন রাইটিং, আবার ক্যানভাস দিয়ে ছোট ছোট ডিজাইনও করা যায়। এসব কাজের জন্য এই ল্যাপটপগুলো আরাম অনেক ভালো। 

যদি হালকা ল্যাপটপ কিনেন তাহলে অবশ্যই  RAM-8 জিবি আর SSD২৫৬ জিবি হয়। আর প্রসেসর core i3হলেই চলবে। তবে স্ক্রিন ১৪ ইঞ্চি হলে চোখে অনেক আরাম পায়। এই ল্যাপটপ গুলো ৪০ থেকে ৫০ হাজারের মধ্যে পাওয়ার ভালো ব্র্যান্ডের হালকা এরকম পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর একটা কথা মনে রাখবে না হালকা ল্যাপটপ হলেও কাজে যেন ছিল না হয় এই বিষয়টা মাথায় রাখবেন। হালকা ল্যাপটপ ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য ভালো তবে তার স্পিড ভালো থাকতে হবে। 

ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কম দামে সেরা ল্যাপটপ রিভিউ এর ভালো ও খারাপ দিক

ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কম দামে সেরা ল্যাপটপ রিভিউ এর ভালো ও খারাপ দিক অবশ্যই আছে। কম বাজেটে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চাইলে ৩৫-৪৫ হাজার টাকার মধ্যে  কিছু ল্যাপটপ আছে এগুলো দিয়ে ডাটা এন্ট্রি, কন্টেন রাইটিং বা ক্যানভা ডিজাইন আর হালকা ভিডিও এডিটিং এর কাজ করা হয়। এই বাজেটে ল্যাপটপগুলো সাধারণত 8gb ram আর ২৫৬ জি বি এস এস ডি আর core i3 প্রসেসর থাকে। অফিসের কাজ আর অনলাইন ক্লাসের জন্য ল্যাপটপগুলো পারফেক্ট। কম আর কাজ করার সময় আটকাবে না। 

ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কম দামে সেরা ল্যাপটপ রিভিউ এর ভালো দিক হল -

১।এই ল্যাপটপ গুলোর দাম কম কিন্তু কাজ করে বেশিঃ৪০ হাজারের মধ্যে ল্যাপটপ কিনলে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ ৮০% এই ল্যাপটপের মাধ্যমে করা যাবে। 

২।ফার্স্ট পারফরম্যান্সঃএস এস ডি থাকার কারণে ল্যাপটপ খুব তাড়াতাড়ি এমএস ওয়ার্ড, ক্রোম, জুম খুব ভালোভাবে চলে। 

খারাপ দিক -

১।ভারী কাজ করা যায় নাঃঅল্প দামে যদি ল্যাপটপ কেনা হয় তাহলে ফটোশপ তারপরে ক্যানভা প্রো, আবার বড় গেমের মত ভারি সফটওয়্যার ইন্সটল করে চালানো অসম্ভব হয়ে যায়। অনেক স্লো চলে কখনো কখনো চলতেই চায়না। 

২।আপগ্রেড অপশন কমঃবেশিরভাগ কম দামের ল্যাপটপে চালাতে চালাতে পারে র‍্যাম বা এসএসডি বাড়ানোর সুযোগ থাকে না। হঠাৎ এমনও তো হতে পারে যে আপনার কাজের জন্য এসএসডি একটু বাড়ানোর প্রয়োজন থাকে। কিন্তু কম দামের ল্যাপটপ কিনলে এগুলোর সুযোগ থাকে না। তাই ল্যাপটপ যখন কিনা চিন্তা ভাবনা করবেন তখন ভালোভাবে চিন্তা ভাবনা করে কিনবেন। 

দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ সহ ল্যাপটপ

যারা বিভিন্ন কাজের জন্য সারাদিন বাইরে থাকেন কিন্তু হচ্ছে ল্যাপট নিয়ে। আবার যাদের বাসায় কারেন্টের সমস্যা আছে তাদের জন্য লং ব্যাটারির ল্যাপটপ কিনা অবশ্যই অনেক জরুরি। এই ল্যাপটপগুলো একবার ফুল চার্জ দিলে ৮ থেকে ১২ ঘন্টা পর্যন্ত চলে। একবার যদি ভালোমতো চার্জ দিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে সব কাজ করে ফেলা যায় একই চার্জের মাধ্যমে। যেমন ধরেন অনলাইন কাজ ক্লাস ফ্রিল্যান্সিং করা মুভি দেখা সবকিছুই এই চার্জের মধ্যেই হয়ে যাবে। চার্জে দেওয়ার আর প্রয়োজন পড়বে না। 

করে চার্জার নিয়ে ঘোরার কোন প্রয়োজন নেই। আর ভালো ল্যাপটপ গুলো চার্জ বেশি থাকার কারণে আমি যেখানে ইচ্ছা সেখানে গিয়ে বসে কাজ করা যায়। লং ব্যাটারির ল্যাপটপ কিনতে গেলে প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা লাগবে। কেনার সময় ব্যাটারি ব্যাকআপ ৮ ঘন্টা প্লাস লিখা আছে কিনা সেটা অবশ্যই দেখে নেবেন। আর প্রসেসর যেন U সিরিজের হয় । এই প্রসেসরগুলো কারেন্ট খুব কম খায় তাই ব্যাটারি অনেক দিন টিকে। একটা জিনিস মানুষ বারবার কিনে নাও তাই কেনার আগে অবশ্যই ভালোভাবে চিন্তাভাবনা করে কিনবেন। 

কম দামে ল্যাপটপ কিনে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা উচিত কিনা

কম দাম দিয়ে ল্যাপটপ কিনে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা অবশ্যই উচিত। কারণ ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য লাখ টাকার ল্যাপটপের প্রয়োজন নেই। মাত্র ৩০-৪০ হাজার টাকা দিয়ে ল্যাপটপ কিনেও ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায়। এ ধরনের ল্যাপটপ দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং এর ৮০% কাজ করা যায়। ডাটা এন্ট্রি, কন্টেন রাইটিং, ক্যানভা ডিজাইন  এই কাজগুলো সাধারণত এ ধরনের ল্যাপটপ দিয়ে করা যায়। 

ফ্রিল্যান্সিং-কাজের-জন্য-কম-দামে-সেরা-ল্যাপটপ-রিভিউ

তবে একটা কথায় মাথায় রাখবেন, কম দামে ল্যাপটপ কিনবেন তার মানে এই নয় যে মান খারাপ হবে। কম দামের মধ্যে ল্যাপটপ যদি আপনি দেখে শুনে নিতে পারেন, তাহলে এটাতেও ভালো কাজ করা যাবে। কিনার সময় অবশ্যই ৮ জিবি ram, এসএসডি ২৫৬ আছে এরকম দেখে নিবেন। এই ল্যাপটপ দিয়ে ভারী গেম ভালো ডিজাইন পারবেন না ঠিক আছে, কিন্তু ফ্রিল্যান্সিংয়ের বেসিক যে কাজগুলো আছে আপনি এই দিয়ে সবকিছু করতে পারবেন।তাই বলি ছোট দিয়ে শুরু করুন। আল্লাহ যদি ভাগ্যে রাখে তাহলে ল্যাপটপ কিনতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। 

নতুন vs  পুরাতন ল্যাপটপ রিভিউ তুলনা

নতুন ল্যাপটপের সুবিধা, আপনি যদি নতুন ল্যাপটপ কিনেন তাহলে অফিস থেকেই দুই বছরের বা এক বছরের ওয়ারেন্টি পাবেন। এজন্য যদি দুই বছরের আগে নষ্ট হয় তাহলে কোন টেনশন নেই। আবার ব্যাটারি নতুন থাকে, পারফরমেন্সও অনেক ভালো থাকে। তবে নতুন জিনিস কিনতে গেলে দাম একটু বেশি লাগে তারপরেও সবকিছুই নতুন থাকে, দেখে জিনিসটা অনেকদিন টিকে।তবে  কম দামের মধ্যে নতুন ল্যাপটপ যদি ৩০ বা ৪০ হাজারের কম হয় তাহলে সেটা দিয়ে কাজ করা অনেক স্লো হবে। 

এবার আসি পুরাতন ল্যাপটপ এর সুবিধা সম্পর্কে, পুরাতন ল্যাপটপের সুবিধা হল আপনি যদি ৪০ হাজার টাকার মধ্যে পুরাতন ল্যাপটপ কিনতে চান তাহলে অনেক ভালো কনফিগারেশনের ল্যাপটপ পাবেন। ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার মধ্যে পুরাতন ল্যাপটপ নিলে ৮ জিবি ram, ২৫৬ জিবি এস এস ডি,আর প্রসেসর core i5ল্যাপটপে পেয়ে যাবেন। 

যা নতুন কিনতে গেলে এর দাম প্রায় ৬০ হাজার  টাকা লেগে যাবে। ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য এটা অনেক ভ্যালু সম্পন্ন ল্যাপটপ। এর খারাপ দিক হলো এর ব্যাটারি পুরাতন হয় আর  ওয়ারেন্টি ৬ মাস থেকে ১ বছর হয়ে থাকে। যদি ভালো দোকান থেকে এক বছরের ওয়ারেন্টি সহ নিতে পারেন তাহলে রিক্স কম হয়। 

ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কম দামে সেরা  ল্যাপটপ রিভিউ এর শেষ পরামর্শ

ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কম দামে সেরা ল্যাপটপ রিভিউ এর শেষ পরামর্শ হলো -আপনি যদি আগে ল্যাপটপ কিনতে চান, তাহলে প্রথমে দেখবেন যে আপনি কোন কাজের জন্য ল্যাপটপ কিনতে চাচ্ছেন। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং, ডাটা এন্টি, কনটেন্ট রাইটিং, ক্যানভা ডিজাইন এসব কাজের জন্য ল্যাপটপ কিনতে চান তাহলে ৩০ থেকে ৩৫ হাজারের মধ্যে ল্যাপটপ কিনলে যথেষ্ট। ৮ জিবি ram আর ২৫৬ জি বি এস এস ডি থাকলে আপনি এসব কাজগুলো খুব সুন্দরভাবে করতে পারবেন। 

দ্বিতীয় পরামর্শ হলো, ল্যাপটপ কেনার সময় কখনোই তাড়াহুড়া করবেন না চিনতে ভালোভাবে দেখে শুনে ল্যাপটপ কিনবেন।কেনার সময় অবশ্যই keyboardkeyboard, ব্যাটারি ব্যাকআপ, আর স্কিন দেখে নিবেন। আর যদি পুরাতন কিনেন তাহলে ৬ মাস বা এক বছরের ওয়ারেন্টি পেপার  নিয়ে নেবেন। একটা কথা মনে রাখবেন কম্পিউটার শুধু একটা টুলস আর আপনি ইনকাম করবেন আপনার স্কিল দিয়ে। তাই একটু নরমাল কম্পিউটার হলেও আপনার স্কিল যদি ভাল থাকে তাহলে ইনশাল্লাহ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

আরো পড়ুনঃচ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে ব্লক পোস্ট লেখার সঠিক নিয়ম 

ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কম দামে সেরা ল্যাপটপ রিভিউ সম্পর্কে আমি বিস্তারিত বলার চেষ্টা করেছি। সবকিছু বলার মাঝে যদি আমার কোন ভুল ভ্রান্তি হয়ে থাকে বা কোন কিছু বাদ পড়ে যায় তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। আর মাঝে মাঝে ইলেকট্রনিক্সের জিনিসগুলোর আপডেট আসে যদি কোন আপডেট আসে তাহলে কষ্ট করে কোন ভিডিও দেখে জেনে নিবেন। বা সেই কোম্পানির কাছে গিয়ে ভালোভাবে জানবেন। আর কোন কিছু যদি বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে আমাকে জানাবেন বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করবেন ইনশাল্লাহ। 


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি যদি ইচ্ছা পুরন এর কোন পোস্টে কমেন্ট করতে চান, তাহলে এর নীতি মেনে কমেন্ট করুন। কারন প্রত্যেকটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url