কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া ডাটা এন্ট্রি কাজের সহজ উপায়

কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া ডাটা এন্টি কাজের সহজ উপায় সম্পর্কে জেনে ঘরে বসে টাকা আয় করতে চান? তাহলে দেরি না করে আজকে থেকেই শুরু করেন ডাটা এন্ট্রি কাজ। ডাটা এন্ট্রি কাজ আপনার জন্য সবথেকে বেস্ট হবে। 

কোন-ইনভেস্টমেন্ট-ছাড়া-ডাটা-এন্ট্রি-কাজের-সহজ-উপায়

শুধু একটা স্মার্টফোন বা কম্পিউটার হলেই চলবে। বর্তমানে অনেক ফ্রী ডাটা এন্ট্রি ওয়েবসাইট আছে যেখানে ক্যাপচা পূরণ করে ইনকাম করা যায়। এই পোস্টে আমি মোবাইল দিয়ে ডাটা এন্ট্রির কাজ কিভাবে শুরু করবেন সেটা দেখাবো। 

সূচিপত্রঃকোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া ডাটা এন্ট্রি কাজের জন্য যেসব টপিক গুলো দরকার সেগুলো দেওয়া হল 

কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া ডাটা এন্টি কাজের সহজ উপায় কিভাবে শুরু করবে  

কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া ডাটা এন্টি কাজের সহজ উপায় কিভাবে শুরু করবে, কোন সাইড গুলো রিয়েল সাইট কিভাবে পেমেন্ট নিবে, সবকিছু আজকে আমি দেখাবো। যারা স্টুডেন্ট বা বেকার আছো তারা পার্টটাইম হিসেবে এই কাজটা শুরু করতে পারো। চলো তাহলে শুরু করা যাক। ডাটা এন্ট্রি কাজ মানে হল, কোন কাগজ, ছবি বা হাতের লেখা তথ্যকে কম্পিউটার বা মোবাইলে টাইপ করে সাজিয়ে রাখা। 

শুধু বাংলা আর ইংরেজি টাইপ করতে পারলেই হবে। বর্তমানে অনেক কোম্পানি এর কাজগুলো ফ্রিল্যান্সার দিয়ে করায়। আর বর্তমানে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা ও দিন দিন বেড়েই চলেছে। কারণ সবাই বুঝতে পারছে এখন অনলাইনে বিশেষ করে ফ্রিল্যান্সিং দিয়ে অনেক টাকা ইনকাম করা যায়। ইচ্ছা করলে তুমিও পারবে তাই ঘরে বসেই তুমি ডাটা এন্ট্রি কাজ করে ইনকাম করতে পারবে। ফ্রিল্যান্সিং করে ও টাকা ইনকাম করতে পারবে তবে এই কাজটা একটু কঠিন। তাই প্রথমে ডাটা এন্ট্রি কাজ দিয়ে শুরু করলে ভালো হয়। 

ডাটা এন্ট্রি কাজ অনেক ধরনের আছে ।সবচেয়ে সহজ হলো ক্যাপচা পূরণ করা। ক্যাপচা পূরণ হলো,এখানে ঝাপসা ছবির লেখাগুলো দেখে টাইপ করতে হবে করাকে বোঝানো হয়েছে। এরপরে আছে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের নাম , ইমেইল ,নাম্বার বসানো ,প্রোডাক্ট লিস্টিং হল অ্যামাজন বাদ দারাজ এর জন্য প্রোডাক্ট এর টাইটেল বা প্রাইজ, আবার ডিসক্রিপশন টাইপ করা। আবার PDF TO WORLD TYPING, যেখানে PDF ফাইলের লেখা Word এ তুলতে হয়। মোবাইল দিয়ে ডাটা এন্ট্রির কাজও এখন খুব জনপ্রিয় ।মানে ল্যাপটপ না থাকলেও চলবে। 

কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া ডাটা এন্টি কাজের সহজ উপায় কাদের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী 

ডাটা এন্টির কাজ সবচেয়ে বেশি উপযোগী তাদের জন্য, যারা পড়াশোনার পাশাপাশি বাড়তি টাকা আয় করতে চায়। স্টুডেন্টদের হাতে যদি ২-৩ ঘন্টা ফ্রি সময় থাকে তাহলে এই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে তারা মোবাইল অথবা কম্পিউটারে টাকা ইনকাম করতে পারে। এই কাজের জন্য কোন সার্টিফিকেট বা অভিজ্ঞতার দরকার হয় না। শুধু টাইপ করতে পারলেই শুরু করা যায়। যারা বেকার বসে আছো তারা ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ঘরে বসেই এই কাজটা করে বাবা-মায়েরকে সাহায্য করতে পারো। 

এই কাজটা করলে লস হওয়ার কোন ভয় নেই ।তাই পড়াশোনা পাশাপাশি বা পড়াশোনা শেষ করে জবের অপেক্ষা করে সময় নষ্ট না করে পার্ট টাইম হিসেবে এই কাজটা শুরু করলে অনেক ভালো হবে। এখন হাজার হাজার শিক্ষিত বেকার ঘুরে বেড়ায়। চাকরি নাই চাকরি করতে গেলে মামা খালুর দরকার হয় । আর শুধু মামা খালু থাকলেই হবে না দরকার হয় মোটা অংকের টাকা। তাই বলি জবের অপেক্ষা না করে আজকে থেকেই শুরু করে দাও। আর যারা সংসার সামলান তাদের জন্য ডাটা এন্ট্রি কাজ একদম পারফেক্ট। 

কারণ এই কাজের জন্য বাইরে যাওয়া লাগে না ঘরে বসেই করা যায়। অনেক গৃহিনী আছেন যারা সংসারের সমস্ত কাজ করার পরেও কিছু সময় হাতে থেকে যায়। এই সময়টা নষ্ট না করে এই কাজটা করে আপনি আপনার হাত খরচের টাকাটা উঠাতে পারেন। এ কাজে কোন প্যারা নেই ।যাদের বাচ্চা আছে তারা বাচ্চা ঘুমালে, রান্নাবান্না শেষ করে ১-২ ঘন্টা সময় দিলেই হবে। যারা অলরেডি জব করেন কিন্তু একটা ইনকাম দরকার তারা ও এ কাজটা করতে পারেন। এই কাজের জন্য সময়ের কোন বাধ্যবাধকতা নেই যখন ইচ্ছা তখন করতে পারবেন। 

কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ডাটা এন্টি কাজের সহজ উপয় শুরু করার নিয়ম

ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ডাটা এন্ট্রি কাজ শুরু করতে হলে প্রথমে একটা ফ্রি অ্যাকউন্ট তৈরি করতে হবে। এর জন্য আপনার টাকা দেওয়া লাগবে না শুধু জিমেইল দিয়ে ফিভার, upwork বা microworkers এর মত বিশ্বস্ত সাইটে প্রোফাইল খুললে ভালো হবে। প্রোফাইল খোলার পরে সাইটগুলো আপনার টাইপিং স্পিড এবং একুরেসি টেস্ট করে নিবেন। এই টেস্ট ফ্রিতেই করে দেয়। ৩০ WPM বা তার বেশি স্পিড থাকলেই আপনি কাজের জন্য এপ্লাই করতে পারবেন। 

টাকা ছাড়া ডাটা এন্টি কাজ যদি শুরু করতে চান, তাহলে অবশ্যই ১০০% ফ্রি সাইট বেছে নিতে হবে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ফেক সাইট থাকে। যারা রেজিস্ট্রেশন ফি বা ট্রেনিং ফি চাই এগুলো হল ভুয়া সাইড। ভালো প্ল্যাটফর্ম গুলো হল , click worker, remo tasks, এবংKolotibablol এই সাইটগুলো তো ক্যাপচা পূরণ,PDF থেকে ডাটা তোলা বা Excel sheet পূরণের মতো আরও বিভিন্ন ধরনের সহজ কাজ পাওয়া যায়। মোবাইল দিয়েই এই কাজগুলো করা যায়, তাইলে ল্যাপটপ কেনার কোন দরকার হয় না। তাই যদি কেউ করতে চাও তাহলে দেরি নয় আজকে থেকেই শুরু করো। 

কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া শূন্য থেকে ডাটা এন্ট্রি কাজ শেখার নিয়ম

যারা একেবারে নতুন ডাটা এন্টি কাজ শিখতে চাও তাদের প্রথম শর্ত হলো দ্রুত এবং ভুল ছাড়া টাইপ করা। যদি তোমার টাইপিং স্পিড ২০ WMP এর নিচে হয়, তাহলে প্রথমে টাইপিং মাস্টার বা keybr.com দিয়ে প্রতিদিন ৩০ মিনিট প্র্যাকটিস করো। প্র্যাকটিসের কোন বিকল্প নেই যত প্র্যাকটিস করবে তত তোমার হাত চালু হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে ৩৫wpm আর ৯৫% accuracy তুলতে হবে। পাশাপাশি মাইক্রোসফট এক্সেল, গুগল সিট ,আর মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর বেসিক কাজ শিখতে হবে। 

আরো পড়ুন:অনলাইন টাইপিং জব ডেইলি পেমেন্ট 

কারণ ৯০% ক্লাইন্ট এক্সেল শীট এই কাজ দেয়। তাই এ কাজের প্রতি গুরুত্বটা বেশি দেওয়া দরকার। টাকা খরচ করে কোর্স কেনার দরকার নাই। ইউটিউবে ডাটা এন্ট্রি ফুল কোর্স বাংলা ২০২৬ লিখে সার্চ দিলেই অনেক সাইট থেকে A-Z ভিডিও পাওয়া যাবে। প্রথমে ক্যাপচা এন্ট্রি, ইমেজ টু টেক্স,PDF TO Word এর কাজ দেখে প্র্যাকটিস করবে। প্র্যাকটিস করার জন্য নিজে নিজেই একটা ফেক এক্সেল ফাইল বানিয়ে টানা ১-২ ঘন্টা টাইপ করার অভ্যাস করবে। এতে করে তোমার টাইপের স্পিড এবং নিজের কনফিডেন্স দুটোই বাড়বে।

শুধু মোবাইল দিয়ে ডাটা এন্ট্রি কাজের কৌশল

শুধু মোবাইল দিয়ে ও ডাটা এন্ট্রি কাজ করা যায়। মোবাইল দিয়ে ডাটা এন্ট্রি কাজ করতে হলে প্রথমে একটা ভালো কিবোর্ড অ্যাপ খুব দরকার। Gboard বা SwiftKey ব্যবহার করলে টাইপিং স্পীড বাড়ে। পাশাপাশি google sheet ,মাইক্রোসফট এক্সেল অ্যাপ, আর মাইক্রোসফট ওয়ার্ড অ্যাপ, ইন্সটল করে রাখলে ভালো হয়। কারণ ক্লাইন্ট বেশিরভাগ কাজ এক্সেল সেটা দেয়। একটা ওটিজি বা ব্লুটুথ কিবোর্ড লাগিয়ে নিয়ে কাজ করলে আরো দ্বিগুন বেড়ে যাবে। আর wi-fi সংযোগটা ভালো হতে হবে। 

মোবাইলে Heavy Excel এর কাজ না করে captcha entry, from fill up, product listing, app review, লেখার মত লাইক কাজ বেছে নিলে ভালো হয়। microsoft work, clic work এ এর মত অ্যাপ এ কাজগুলো সহজে পাওয়া যায়। দিনে দুই ঘন্টা নির্দিষ্ট সময় ধরে কাজ করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। আর একটা কথা মনে রাখতে হবে কাজ করার সময় নোটিফিকেশন অবশ্যই বন্ধ করে রাখতে হবে তা না হলে মনোযোগ নষ্ট হয়ে যাবে। তাই ধৈর্য ধরে প্রথমে স্কিল বাড়ান তারপরে মনোযোগ সহকারে কাজ করেন দেখবেন ফলাফল পাবেন ইনশাআল্লাহ।

কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া ডাটা এন্ট্রি কাজ করে কত টাকা ইনকাম করা সম্ভব

যারা একদমই নতুন কখনো কাজ করনি ,তাদের ডাটা এন্ট্র কাজ করে, শুধু ডাটা এন্ট্রি কাজ নয় নতুনরা প্রথমে যে কাজে করুক না কেন ইনকাম তুলনা মূলক ভাবে কম হয়। ডাটা এন্ট্রি কাজের ক্ষেত্রে টাইপিং স্পিড আর accuracy কম থাকে। তাদের অভিজ্ঞতা থাকে না বলেই কাজ করতে গেলে ইনকাম একটু কম হয়। একজন নতুন ব্যক্তি যদি প্রতিদিন ২-৩ ঘন্টা কাজ করে ,তাহলে মাসে ৬০০০ থেকে ১২০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবে। 

ক্যাপচা পূরণের কাজে প্রতি হাজার ক্যাপচা এর জন্য ০. ৫০ থেকে ১.৫০ দেওয়া হয়। তাই ধৈর্য ধরে প্রতিদিন প্র্যাকটিস করলে এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই আয় বাড়াতে পারবে। তার জন্য তোমাকে ধৈর্যের সাথে পরিশ্রম করতে হবে। সব কাজেই কষ্ট আছে পরিশ্রম আছে পরিশ্রম ছাড়া কেউ কখনো সফল হতে পারবে না। তাই টাইপিং স্পিড বাড়াতে হবে। টাইপিং স্পিড যদি ৪০+WPM হলে এবং fiverr upwork এর মত market place এ অ্যাকাউন্ট থাকলে আয় অনেক গুণ বেড়ে যায়। 

এর জন্য দরকার পরিশ্রম। আবারো বলছি পরিশ্রম ছাড়া কখনোই কেউ সফলতা অর্জন করতে পারে না। যারা অনেক অভিজ্ঞ ডাটা এন্টিক কাজ করে, বিশেষ করে ফ্রিল্যান্সাররা প্রতি ঘন্টায় ৪ থেকে ৮ পর্যন্ত চার্জ করে। Freelancer এরা যদি ফুলটাইম কাজ করে তাহলে মাসে ২৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা আরো বেশি আয় করতে পারে। ফ্রিল্যান্সাররা আরো অনেক সাইট থেকে ইনকাম করতে পারে অনেক টাকা।US,UKএর clientরা Excel, PDF to word, product listing এর জন্য ভালো টাকা দেয়। তাই স্কিল বাড়ানো টাই হলো আয় বাড়ানোর মূল চাবিকাঠি।

মোবাইলের জন্য সেরা ডাটা এন্ট্রি কাজ কোনগুলো

মোবাইল দিয়ে ডাটা এন্ট্রি কাজ করার জন্য দুইটি অ্যাপস বিশ্বস্ত। অ্যাপস দুটি হল, micro workerআর click worker। এই অ্যাপ দুইটাতে ক্যাপচা পূরণ, ফরম ফিলাপ, ডাটা ক্যাটাগরিস, শর্ট সার্ভে, এর মত ছোট ছোট কাজ পাওয়া যায়। কাজ শেষ হলেই ড্যাশবোর্ডে ব্যালেন্স অ্যাড হয়ে যায়। PayPal, Payoneer বা Skrill এর মাধ্যমে বাংলাদেশের টাকা তোলা যায়। নতুনদের জন্য প্রথমেএই দুটা অ্যাপ দিয়ে শুরু করায় ভালো হবে। কারণ এখানে কোন টেস্ট বা স্কিল লাগে না।

Ysense অ্যাপটিতে শুধু ডাটা এন্ট্রিনা পাশাপাশি offer complete, app install এর কাজও আছে। এর rate capture sheet এর তুলনায় অনেক ভালো। প্রতিদিন এক থেকে দুই ঘন্টা সময় দিলে, মাসে 8 থেকে 10 হাজার টাকা ইনকাম করা সম্ভব।আর Google option rewards হল ১০০% বিশ্বস্ত অ্যাপ। এখানে মাত্র ৩০২ সেকেন্ডের সার্ভে করে প্লে স্টোর এ ক্রেডিট পাওয়া যায়। ওই ক্রেডিট দিয়ে পরে প্রিমিয়াম অ্যাপ কিনে সেটা বিক্রি করেও অনেক টাকা আয় করা যায়। 

যখন আপনার টাইপিং স্পিড ৩০ এর উপরে হবে তখন ফিভার আর upwork এর মোবাইল অ্যাপ ইউজ করবে।এ ২ টা marketplaceএ ডাটা এন্ট্রির কাজের রেট সবচেয়ে বেশি।US,UK,এর ক্লাইন্টরা এখানে Excel, PDF to Word, Web research এর কাজ দেয় । প্রথমে ৫ এর ছোট দিক দিয়ে শুরু করে তারপরে ১৫ সেন্ড এ যাবে, তাই লং টার্ম ক্যারিয়ারের জন্য এই অ্যাপ দুটা ফাইনাল হওয়া উচিত।

কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া ডাটা এন্টি কাজের সহজ উপায়ের প্রধান সুবিধা কোনগুলো

ডাটা এন্ট্রি কাজের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এখানে কোন ঢাকা ইনভেস্ট করতে হয় না। কোন টাকা ইনভেস্ট ছাড়াই এই কাজটা করা যায়। শুধুমাত্র একটা স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ আর ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই হবে। স্টুডেন্ট ,গৃহিণী বা চাকরির পাশাপাশি যারা পার্ট টাইম ইনকাম করতে চান তাদের জন্য ডাটা এন্ট্রি কাজ একদম পারফেক্ট। কারণ ডাটা এন্ট্রি কাজে কোন প্যারা। নেই যারা স্টুডেন্ট তারা পড়ার পাশাপাশি দুই এক ঘন্টা সময় দিয়ে কাজটা করতে পারবে। 

আবার যারা গৃহিণী রান্নাবান্না বাচ্চাকাচ্চা পুরা পরিবার কে ঠিক রেখে যে সময় টুকু পান, সেই সময়টুকু কাজে লাগিয়ে ডাটা এন্টে কাজ করে কিছু টাকা হলেও ইনকাম করতে পারবেন ‌। এখানে নিজের ইচ্ছামতন সময় দিতে পারবেন। এখানে সময়ের কোন বাধ্যবাধকতা নেই। আপনি যখন সুযোগ পাবেন তখনই ১-২ ঘন্টা বা আরো কিছু সময় দিয়ে ডাটা এন্টির কাজটা করতে পারেন। এভাবে দিনে যদি ২-৩ ঘন্টা সময় দেওয়া যায়, তাহলে মাস শেষে একটা ভালো এমাউন্ট ইনকাম করা সম্ভব। 

এই কাজের জন্য উচ্চশিক্ষিত হওয়ার দরকার নেই। এত ভালো ইংলিশ না জানলেও হবে বাংলা ভালোভাবে লিখতে পারলে ও পড়তে পারলে এই কাজটা করা যাবে। আর যারা নতুন অবস্থায় তাদের হাতের লেখার স্পিড একটু কম হবে। তাই তখন তাদের ইনকামটা ও একটু কম আসবে। তাই যারা একবারে নতুন তারা লেখার স্পিড বাড়ানোর জন্য দিনে কমপক্ষে এক ঘন্টা শুধু টাইপিং প্র্যাকটিস করা উচিত। প্রথমে ডাটা এন্ট্রি কাজ দিয়ে শুরু করে পরে এক্সেল, গুগল সিট, ওয়েব রিসার্চ, ভার্চুয়াল assistant এর মতো hi paining skill এ আসা যায়। 

ডাটা এন্ট্রি কাজের নামে প্রতারণা এড়ানোর উপায়

ডাটা এন্ট্রি কাজের নামে ফেসবুক, টেলিগ্রাম, আবার ইউ টিউব এ হাজার হাজার ফেক বা ভুয়া সাইট আছে। তারা এমনভাবে কৌশল করে মানুষকে ফাঁদে ফেলে যা বোঝা বড়ই কঠিন। তারা প্রথম প্রথম অনেক লোভ দেখায় তাদের ফাঁদে ফেলার জন্য। তাদের আসল ইনার উপায় হল যে সাইড টাকা চাইবে ১০০% সে সাইট ভুয়া সাইট। অরজিনাল ডাটা এন্ট্রি কাজে কখনো রেজিস্ট্রেশন ফ্রি সফটওয়্যার লাগেনা। 

তারপরে যারা বলবে যে দৈনিক পাঁচ হাজার টাকা ইনকাম কোন অভিজ্ঞতা লাগবে না আমি যা যা বলব আপনি শুধু তাই করবেন। এটাতে ক্লিক করুন ঐ টাতে ক্লিক করুন। আবার এরকমও বলে যে টেলিগ্রামে গ্রুপে জয়েন হন। কি আর বলব আমিও এরকম ভাবে পড়েছি বলেছিল কি পাঁচ হাজার টাকা দিলে মাস শেষে ২০ হাজার টাকা পাওয়া যাবে ।আস্তে আস্তে টাকাটা বাড়তে থাকবে। কোন কাজ নেই শুধু প্রতিদিন রাত এগারোটার পরে অ্যাকাউন্টে যে টাকাটা থাকবে সেটা শুধু যোগ করতে হবে। 

আমি নিজেও তাদের ফাঁদে পা দিয়েছি একবার না কয়েকবার। দুঃখের বিষয় একটাতেও সফল হয়নি। কি আর বলবো অনেক আশা নিয়েছিলাম বলল ৫ তারিখের মধ্যে টাকা দিয়ে দেবে ১ তারিখ যেদিন পড়ে সেদিন বারোটা বাজার সাথে সাথে আমার একাউন্টে যে টাকা ছিল সব টাকা জিরো জিরো হয়ে গেছে ।আর তাদের সাইডও বন্ধ হয়ে গেছে সেদিন অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম। তারা এখানেও ক্ষান্ত হয়নি, পরবর্তীতে আবার মেসেজ দিয়েছে টাইম দিয়েছিল যে আমার ব্যালেন্স এমনি দেখা যাচ্ছে না কিন্ত ব্যালেন্স আছে। 

ব্যালেন্স শুধু দেখা যাচ্ছে না তাই। তারপরে আবার কি বলছে জানেন? বলছে আপনার অ্যাকাউন্টে যে টাকাটা আছে সেটা তোলার জন্য আরো ৪ হাজার টাকা লাগবে তা না হলে আপনার বেলান জিরো জিরো হয়ে যাবে। তার মানে তারা শেষ অবস্থাতেও আমার কাছ থেকে আরও কিছু টাকা হাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে। যদি তাদেরকে বিশ্বাস করে টাকাটা দিয়ে দেই তাহলে তো তারা আরো লাভ হলো। কিন্তু আমি আর টাকা দেইনি আমি মেসেজ দিয়ে কয়েকটা কথা শুনিয়েছিলাম কিন্তু তারা কিছু মনে করেনি পরবর্তীতে একবারে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। 

তাই আমার পক্ষ থেকে একটু পরামর্শ হবে আপনারা কখনোই তাদের কথাতে মুগ্ধ হয়ে তাদের ফাঁদে পা দেবেন না । যারা এসব কাজ করে তারা অনেক মিথ্যা কথা বলে মানুষকে হাতে ফেলে টাকা হাতে নেওয়ায় তাদের কাজ। তাই ভালো সাইট গুলো থেকে ইনকাম করার চেষ্টা করবেন ।যেমন ,মাইক্রো ওয়ার্কার্স, ক্লিক ওয়ার্কার ,ফিভার, upwork এর মত ভেরিফাইড মার্কেটপ্লেস করবেন ব্যবহার করবেন। আর যদি তারা বিকাশে এডভান্স টাকা যায় তাহলে সাথে সাথে তাদেরকে ব্লক করে দেবেন। আসল সাইট কখনোই কারো কাছ থেকে টাকা যায় না, বরং তারা আরো টাকা দেয় কাজের বিনিময়ে।

ডাটা এন্ট্রি কাজ করে স্টুডেন্ট অবস্থায় কিভাবে পকেট খরচ চালানো যায়

স্টুডেন্ট থাকা অবস্থায় অনেক কিছু দেখলেই নিতে মন চায়। কিন্তু বাবা-মায়ের কাছে টাকা চাইতে মাঝে মাঝে অনেক লজ্জা করে। তাই কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ডাটা এন্ট্রি কাজ করে, এখন অনেক স্টুডেন্টেরি জীবন একটু হলেও চেঞ্জ হয়েছে। অনেকেই এ কাজ করে নিজের খরচ নিজেই চালায় বই, খাতা, কলম, আবার কিছু টাকা বাবা-মার হাতে দিতে পারে। শুধু কি তাই বন্ধুদের সাথে কিছু খেতে গেলেও তাদেরকেও কিছু খাওয়াতে পারি এটা একটা অন্যরকম স্বাধীনতা।

কোন-ইনভেস্টমেন্ট-ছাড়া-ডাটা-এন্ট্রি-কাজের-সহজ-উপায়

আরো পড়ুনঃডলার রিসিভ করার জন্য পেওনার একাউন্ট কিভাবে খুলব

অনেকেই ভাবে ডাটা এন্ট্রি কাজ অনেক কঠিন, আসলে এটা স্টুডেন্টদের জন্য সবথেকে সহজ একটা কাজের মাধ্যম। স্টুডেন্ট থাকা অবস্থায় এর থেকে সহজ কাজ আর আছে বলে মনে হয় না। এখানে তেমন কিছু শেখা লাগে না ইংরেজি ও বাংলা টাইপ করতে পারলেই হবে আবার, ইউটিউবে ভিডিও দেখে ও এই কাজ শেখা যায়। অনেক ফেসবুক গ্রুপ আছে যেখানে সত্যিকারের কাজ পাওয়া যায়। তাদের সাথে যোগাযোগ করে কাজের ব্যবস্থা করে নিতে পারবেন। ফেসবুক গ্রুপে যারা এডমিন আছে তারা রিয়েল কাজ দেওয়ার চেষ্টা করে। তাই তাদের সাথে একটা ভালো সম্পর্ক রাখলে কাজ পাওয়াটা অনেক সহজ হয়ে যায়।

ডাটা এন্ট্রি কাজ করে কোন মাধ্যম দিয়ে টাকা তোলা যায়

ডাটা এন্ট্রি কাজের টাকা তোলার সব থেকে ভালো মাধ্যম হলো বিকাশ আর নগদ। ফেসবুক গ্রুপ বা টেলিগ্রাম থেকে কাজ নিলে ৯৯% পেমেন্ট বিকাশে দেয়। কাজ শেষ করে স্কিন সট দিলে টাকা বিকাশে পাঠিয়ে দেয়। নগদেও ঠিক একই রকম ভাবেই টাকা পেমেন্ট দেয়। সপ্তাহে একবারে টাকা তুললে চার্জও কম কাটে। ডাটা এন্ট্রির কাজ করে টাকা তোলার জন্য ব্যাংক একাউন্ট খোলার দরকার নেই। শুধু এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ অথবা নগদে একাউন্ট খুলে নিলেই হবে। স্টুডেন্টদের জন্য এটাই সবথেকে ভালো মাধ্যম। 

যদি বিদেশি সাইট microworkers, click worker এর কাজ করে তাহলে PayPal লাগবে। বাংলাদেশে সরাসরি PayPal নাই তাই পেওনার একাউন্ট খুলতে হবে। পেওনার একাউন্ট ফ্রিতে খোলা যায়। যখন একাউন্ট খোলা হয়ে যাবে, তখন ওখানে ব্যাংক একাউন্ট যোগ করতে হবে। টাকা প্রথমে পেওনার একাউন্টে আসবে তারপরে ব্যাংকে চলে যাবে। ব্যাংক চার্জ কমপক্ষে তিন ডলারের মত কাটবে। ডলার বিক্রি করে বিকাশে টাকা নেওয়া যাবে। নতুনরা প্রথমে লোকাল কাজ দিয়ে শুরু করলে ভালো হয়। বিকাশ বা নগদ থেকে টাকা পাওয়ার আনন্দটাই আলাদা।

টাকা উঠানোর সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা দরকার

ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া ডাটা এন্ট্রি কাজের  সহজ উপায় এখানে সব থেকে বড় বিষয় হচ্ছে টাকা উঠানো। টাকা উঠানোর আগে প্রথমে ক্লায়েন্ট চেক করতে হবে। নতুন আইডি, লক প্রোফাইল,০ ফ্রেন্ড, এগুলো ১০০% ফেক সাইট। এদের কাছ থেকে কখনোই কাজ নেওয়া যাবে না ।সব থেকে বড় কথা হলো ,তারা প্রথমেই যে কোন ভাবে ছলে, বলে ,কৌশলে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করবে। তাদেরকে একটা টাকাও দেওয়া যাবে না। এমনকি বিকাশ একাউন্ট ওটিপি কোন কিছুই দেওয়া যাবে না। 

বিকাশ থেকে টাকা আসলে প্রথমেই মেসেজ চেক করতে হবে এখন অনেকেই ভুয়া মেসেজ দিয়েও হয়রানি করে। তাই ভালোভাবে মেসেজ চেক করতে হবে যদি সপ্তাহে ২০০-৩০০ টাকা আসে তাহলে একবার তুললে ভাল হয়। প্রতিদিন যদি ৫০ টাকা বা ১০০ টাকা করে তোলা হয় তাহলে ক্লাইন্ট বিরক্ত হয় আবার বিকাশের চার্জও বেশি কাটে। আর একটা কথা রাত ১১:০০ আর সকালে ৭ঃ০০ টা, এই দুই সময়ে টাকা চাইবে না। এই সময় নেট খুব স্লো থাকে। আর স্ক্যাম হওয়ারও ভয় থাকে বেশি।

পেওনার একাউন্ট ব্যবহার করলে  ডলার রেট চেক করে নিতে হবে। ডলার রেট যদি কম থাকে তাহলে কয়দিন অপেক্ষা করতে হবে।আর একটা বড় কথা হল কোন সময় লোভ করা যাবে না। এই কথা কখনোই বলা যাবে না যে ভাই একটু কাজ দেন, টাকা পরে দিয়েন। এসব কথা কাইন্ডকে বলা থেকে একবারেই দূরে থাকতে হবে। কাজ করে হাতে হাতেই টাকা নিতে হবে। এই নিয়ম মেনে যদি কাজ করা যায় তাহলে ডাটা এন্ট্রি কাজ কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই খুব সহজেই করা সম্ভব। 

শেষ কথা: কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া ডাটা এন্ট্রি কাজের সহজ উপায় সম্পর্কে শেষ কথা

কোন ইনভেস্ট ছাড়া ডাটা এন্ট্রি কাজের সহজ উপায় জানার পর এখন আর অজুহাতের দেওয়ার মতো কোন জায়গা নেই। শুধু স্ক্যাম এড়িয়ে রিয়েল কাজ গুলো ধরে লেগে থাকতে হবে। তাহলে সফলতা আসবেই। সফল হতে হলে তিনটি জিনিস মাথায় রাখতে হবে। 

  • কোন সাইট যদি রেজিস্ট্রেশন ফি চাই তাহলে এক সেকেন্ডও দেরি না করে তাকে ব্লক করে দেবে ।রিয়েল কাজে কখনও টাকা লাগে না। 
  • পেমেন্টের জন্য কখনো OTP,PIN, অথবা পাসওয়ার্ড কখনোই শেয়ার করবে না টাকা আসলে বিকাশে মেসেজ চেক করবে। মেসেজ দেখে খুশি হয়ে আবার ভুল করা যাবে না। কারণ মেসেজ ও মাঝে মাঝে ভুয়া হতে পারে তাই ভালোভাবে চেক করতে হবে। 
  • লোভ করা যাবে না, ক্লাইন্ট যদি বলে আগে কাজ করে দেন তারপরে টাকা দেব তখন না করে দিতে হবে। অনেক ক্লাইন্টও আছে ধোকাবাজ। তাই ক্যাশ অন ডেলিভারির মতো কাঁদছে তারপরে হাতে টাকা এই তিনটা নিয়ম মানলে ২০২৬ সালে ঘরে বসে বসে মাসে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা ইনকাম করা কোন ব্যাপার না। তাই আজকে থেকেই শুরু করা যাক কালকের জন্য আর বসে থাকার দরকার নেই। 

ডাটা এনটি কাজ সম্পর্কে আমি বিস্তারিত বলার চেষ্টা করেছি ।ভালো দিক, খারাপ দিক, এমনকি আমার নিজের সম্পর্কে বলেও বোঝানোর চেষ্টা করেছি। তারপরেও মানুষ মাত্রই ভুল ।লিখতে গিয়ে যদি কোন জায়গায় ভুল হয়ে থাকে বা কোন বিষয় বলতে ভুলে যায় তাহলে আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। এরপরে যদি কোন বিষয়ে বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে আমাকে বলবেন আমি ভালোভাবে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। ভালো থাকবেন সবাই আল্লাহ হাফেজ।





এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি যদি ইচ্ছা পুরন এর কোন পোস্টে কমেন্ট করতে চান, তাহলে এর নীতি মেনে কমেন্ট করুন। কারন প্রত্যেকটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url