ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer একাউন্ট কিভাবে খুলব
ফ্রিল্যান্সিং বা বিদেশি ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে কাজ করলে ডলার রিসিভ করা একটা অনেক বড় ঝামেলা। ব্যাংক ডাইরেক্ট ডলার নেয় না। আর বিকাশ বা নগদে ডলার আসে না এগুলোই হচ্ছে বড় সমস্যা। এই সমস্যার বড় সমাধান হলো Payoneer
ইমেজ হবে
Payoneer হলো একটা গ্লোবাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে US,UK,EU এইগুলোর ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার ফ্রিতে পাওয়া যাবে। ক্লায়েন্ট যদি ডলার পাঠায় তাহলে আপনার পেওনারে জমা হবে।
সূচিপত্র: ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় ধাপ দেওয়া হল
- Payoneer কি এটা কেন দরকার
- Payoneer অ্যাকাউন্ট খোলা কেন প্রয়োজন
- পেওনার অ্যাকাউন্ট খুলতে যেসব কাগজপত্র লাগে
- ব্যক্তিগত তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করার নিয়ম
- ঠিকানা ও ফোন নাম্বার ভেরিফাই করা
- অ্যাকাউন্ট খোলার পরে পাসওয়ার্ড সেট করার নিয়ম
- NID পাসপোর্ট দিয়ে আইডি ভেরিফিকেশন
- যেভাবে ব্যাংক অ্যাকউন্ট অ্যাড করতে হবে
- ক্লাইন্টকে কিভাবে পেমেন্টের জন্য রিকোয়েস্ট পাঠাবে
- পেওনারে ডলার আসার পরে করণীয় কি
- পেওনার অ্যাকউন্ট ভেরিফাই না হলে যা করণীয়
- শেষ কথা
Payoneer কি এটা কেন দরকার
প্রথমে আমাদেরকে জানতে হবে পেওনার কি আর এটা কেন দরকার। পেওনার হলো একটি আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার কোম্পানি। এর মাধ্যমে বিদেশ থেকে ডলার রিসিভ করা যায়। লোকাল ব্যাংক এর মতোই তেমন কোন ঝামেলা নেই। যদি একাউন্ট খোলা যায় তাহলে ফ্রিতেUK,US,EU, এইগুলোর অ্যাকাউন্ট নাম্বার পাওয়া যাবে। ক্লায়েন্টকে শুধু ব্যাংকের ডিটেলস দিয়ে দিলে ক্লায়েন্ট ডলার পাঠিয়ে দেবে।
বাংলাদেশের ব্যাংকে থেকে সরাসরি ডলার নেওয়া অনেক কঠিন। কিন্তু পেওনার দিয়ে খুব সহজেই ব্যাংকে টাকা নিতে পারবে। তাই ডলার যদি ইনকাম করার ইচ্ছা থাকে তাহলে পেওনার একাউন্ট অবশ্যই লাগবে। পেওনার একাউন্ট ছাড়া ডলার উঠানো অনেক ঝামেলা তাই সহজ পদ্ধতি হলো পেওনার একাউন্ট খোলা। আর এই অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলতে হবে এটা জানাও অনেক জরুরী।
Payoneer অ্যাকাউন্ট খোলা কেন প্রয়োজন
পেওনার ছাড়া ডলার নিতে গেলে ব্যাংক ওয়ার ট্রান্সফারের চার্জ বেশি কাটে। আবার PayPal বাংলাদেশে পার্সোনাল প্রেমেন্ট রিসিভ করে না। আর পেয়নারের ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে নিলে ১ পার্সেন্ট আর ব্যাংক থেকে নিলে ২ পার্সেন্ট ফি দিলেই হয়। কার্ড দিয়ে এটিএম থেকে টাকা তুলা যায়। তাই কম খরচে কম ঝামেলায় পেওনার একাউন্ট সবথেকে বেস্ট।
পেওনার অ্যাকাউন্ট একটা আন্তর্জাতিক কোম্পানি, তাই এখানে টাকা ১০% সেফ থাকে। হঠাৎ যদি কোনো কারণবশত ব্যাংক বন্ধ থাকে তার পরেও পেওনার একাউন্টে ডলার সেভ থাকবে। ক্লায়েন্ট যদি পেমেন্ট পাঠায় তাহলে কয়েকদিনের মধ্যেই আপনার একাউন্টে চলে আসবে। অ্যাকাউন্ট যদি ভেরিফাই হয়ে যায় তাহলে তো কোন ঝামেলাই নেই। কার্ড দিয়ে দোকানে অনলাইনে কেনাকাটাও করা যাবে। তাই দ্রুত টাকা আর নিরাপদে টাকা আসার জন্য পেওনার একাউন্ট অনেক বেশি প্রয়োজন।
আরো পড়ুন: ফ্রি AI টুলের লিস্ট কিভাবে করা হয় দেখুন
পেওনার অ্যাকাউন্ট খুলতে যেসব কাগজপত্র লাগে
যেখানে অ্যাকাউন্ট খোলা প্রয়োজন সেখানেই কিছু কাগজপত্র লাগে, আর Payonar অ্যাকাউন্ট খুলতে যে সব কাগজপত্র লাগে তা দেওয়া হল।
- যে অ্যাকাউন্ট খুলবে তার ভোটের এনআইডি কার্ড অথবা পাসপোর্ট লাগবে ।
- এরপর একটা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লাগবে যেকোনো ব্যাংকের সেভিং একাউন্ট হলেই হবে।
চেক বই বা ডেবিট কার্ড লাগবে না। শুধু রানিং নাম্বার, অ্যাকাউন্ট নাম্বার ,আর ব্রাঞ্চের নাম জানা থাকলে হবে। ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনার একাউন্ট কিভাবে খুলবেন এই প্রসেসে যদি খুলতে চান তাহলে 10 মিনিট হলেই যথেষ্ট। তবে কাগজ পাতি গুলো রেডি থাকতে হবে কোনরকম কোন ভুল তথ্য দেওয়া যাবে না। nidতে যেভাবে লেখা আছে ওইভাবে লিখে বারবার দেখে নিতে হবে। nid তথ্যের সাথে সব তথ্য গুলো মিলে গেলে ভেরিফিকেশন খুব তাড়াতাড়ি হয়।
ব্যক্তিগত তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করার নিয়ম
ব্যক্তিগত তথ্য বলতে নিজের নাম, এনআইডি কার্ড, জন্ম তারিখ, জাতীয়তা, ছেলে নাকি মেয়ে, এইসব তথ্যগুলো ইংরেজিতে লিখতে হবে। বাংলায় লিখলে ভেরিফাই হবে না। এনআইডি কার্ডে যেভাবে লেখা আছে নাম ঠিকানা সব একইভাবে লিখতে হবে একটুও ভুল হওয়া যাবেনা তাই লেখার পরে দুই তিনবার ভালো করে দেখে নিতে হবে এন আইডির সাথে মিন করে।
আর যখন ঠিকানা লিখতে হবে তখন, গ্রাম পোস্ট অফিস জেলা এগুলো সব ইংরেজিতে লিখতে হবে। পেওনার সব সময় ঠিকানা দেখে, ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনার একাউন্ট কিভাবে খুলবে এর গুরুত্বপূর্ণ কাঠ হল তথ্যের মিল। এন আই ডি, ব্যাংক, আর পেয়োনার এ তিনটা জায়গা তথ্য মিল থাকতে হবে। তথ্য পূরণ করার পরে নেক্সট বাটনে ক্লিক করতে হবে। তথ্য পূরণ করে, নেক্সট বাটনে ক্লিক পরে যে কাজগুলো আছে সেগুলো করতে হবে।
আরো পড়ুন:ChatGPT ছাড়া আরও ১০ ফ্রিAI চ্যাট বট জানতে
ঠিকানা ও ফোন নাম্বার ভেরিফাই করা
ফোন নাম্বার দেওয়ার পর পেওনার আপনাকে একটা ওটিপি পাঠাবে, মেসেজের মাধ্যমে। ওই ওটিপি কোড বসিয়ে ভেরিফাই করতে হবে। ইমেলেও একটা লিংক যাবে সেখানেও ভেরিফাই করতে হবে। দুইটাতেই ভেরিফাই করতে হবে ভেরিফাই না করলে সামনে এগোনো যাবে না। তাই যখন ভেরিফাই করার দরকার হবে তখন ফোন নাম্বার আর ইমেইল হাতের কাছেই রাখতে হবে।
ঠিকানা ভেরিফিকেশন এর জন্য পেওনার ডকুমেন্ট চাইবে। তখন এনআইডির পেছনে যে ঠিকানা আছে সেই ঠিকানা যদি বর্তমান ঠিকানার সাথে নাম মিলে তাহলে, ইউটিলিটি বিল বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট আপলোড দিতে হবে। ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনার একাউন্ট কিভাবে খুলবো। একাউন্ট লিমিট হয়ে যাবে তাই শুরুতেই কাজগুলো সম্পন্ন করতে হবে।
অ্যাকাউন্ট খোলার পরে পাসওয়ার্ড সেট করার নিয়ম
সব কাজ শেষ হওয়ার পরে এখন আসে পাসওয়ার্ড দেওয়ার পালা। পাসওয়ার্ড অবশ্যই শক্তিশালী হতে হবে। ছোট হাতের বড় হাতের অক্ষর মিলিয়ে তারপরে হ্যাশট্যাগ এগুলো সব মিক্স করে একটা শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিতে হবে। পাসওয়ার্ডটা দিলেই হবে না পাসওয়ার্ডটা মনে রাখতে হবে। মনে রাখার জন্য অন্য কোথাও লিখে রাখা ভালো বা মোবাইলে সেভ করে রাখা ভালো।
তারপর পেওনার তিনটা প্রশ্ন সিলেক্ট করতে বলবে। এই সিকিউরিটি প্রশ্নগুলো যদি ভুলে যায় তাহলে অ্যাকাউন্ট রিকভার করা অনেক কঠিন হয়ে যায়। পেওনার ডলার রিসিভ করার অ্যাকাউন্টটা খুললেই ৮০% কাজ শেষ হয়ে যায়। এখন ডকুমেন্ট আপলোড আর ব্যাংক আপলোড করলেই, সাবমিট চাপার পরে পেওনার ডকুমেন্ট আপলোড পেজে নিয়ে যাবে। ওইখানে গিয়ে বাকি কাজটা শেষ করতে হবে।
আরো পড়ুন: কিভাবে বিদেশি ক্লায়েন্ট থেকে ডলার ইনকাম করা যায়।
NID পাসপোর্ট দিয়ে আইডি ভেরিফিকেশন
এই কাজটি করার জন্য nid কার্ডের সামনের অফিসনের ছবি আপলোড দিতে হবে। ছবি তুলতে হবে দিনের আলোতে এবং মোবাইলের ফ্লাশটা একটু বাড়িয়ে দিয়ে ছবি তুললে হবে ছবি যাতে ফ্রেশ হয়। ঝাপসা ছবি হলে এটা কাউন্ট করবে না। আপলোড করার পরে পেওনার আপনাকে এন আই ডি কার্ড হাতে নিয়ে সেলফি উঠাতে বলবে।
সেলফি উঠানোর সময় কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। যখন ফোনে সেলফি উঠাতে হবে তখন মুখে মার্কস বা চশমা পড়া যাবে না। আর ছবির পেছনের ব্যাকগ্রাউন্ড টা যাতে সাদা হয় সে দিকটা খেয়াল রাখতে হবে। এই একাউন্টটা খোলার পর ভেরিফিকেশন করতে ২-৪৮ ঘন্টা সময় লাগে। এটা যদি এপ্রুভ হয় তাহলে মেসেজ পাবেন আর যদি রিজেক্টটা হয় তারপরে মেসেজ পাবেন কি কারণে রিজেক্ট হলো সেটাও দিয়ে দেবে।
যেভাবে ব্যাংক অ্যাকউন্ট অ্যাড করতে হবে
পেওনার লগইন করার পরে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সেকশনে যেতে হবে। তারপরে এড একাউন্ট ব্যাংক এখানে ক্লিক করতে হবে। বাংলাদেশ সিলেক্ট করতে হবে তারপরে ব্যাংক একাউন্ট খুঁজতে হবে। ব্যাংক একাউন্ট খুঁজে পাওয়ার পরে, ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার , রাউটিং নাম্বার, ব্রাঞ্চ নাম্বার, এগুলো সব এনআইডি কার্ডের সাথে মিল রেখে দিতে হবে।
ডলার রিসিভ করার জন্য তুই ওনার অ্যাকউন্ট খোলার পরে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যোগ করা অনেক জরুরী কাজ। কারণ কেউ না আর থেকে ব্যাংকে টাকা নিতেই হয়। ব্যাংক এড করার পরে পেওনার একটা ছোট টেস্ট ডিপোজিট পাঠাবে। এক থেকে তিন কার্যদিবস লাগবে। ব্যাংক স্টেটমেন্ট চেক করে সেই অ্যামাউন্ট পেওনার কনফার্ম করলেই ব্যাংক ভেরিফাই হয়ে যায়।
আরো পড়ুন: ভেরিফিকেশন দ্রুত করার কয়েকটি নিয়ম
ক্লাইন্টকে কিভাবে পেমেন্টের জন্য রিকোয়েস্ট পাঠাবে
যদি ক্লায়েন্টের পেওনার অ্যাকাউন্ট থাকে, তাহলে রিকোয়েস্ট এ পেমেন্ট একাউন্ট ব্যবহার করতে হবে। ক্লায়েন্টের ইমেইল দিতে হবে, অ্যামাউন্ট লিখতে হবে। তারপরে ইনভয়েস নাম্বার দিতে হবে, ক্লায়েন্ট অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই টাকা পেমেন্ট করে দেবে। এইটা সবথেকে দ্রুত মাধ্যম এক মিনিটেই টাকা চলে আসে।
ক্লায়েন্টের পেওনার একাউন্ট না থাকলেUS ব্যাংকের ডিটেলস দিতে হবে। ওরা ব্যাংক ট্রান্সফার করবে। ডলার রিসিভ করার জন্য এই প্রসেসটা শিখে রাখতে হবে। ইন ভয়েসে সব সময় আপনার পেওনার ইমেল নাম লিখে দিতে হবে। পেমেন্ট আসার পরে ক্লাইন্টকে পেমেন্ট রিসিট থ্যাঙ্ক ইউ বলে একটা মেসেজ পাঠিয়ে দিবেন। এতে করে ক্লায়েন্ট আপনাকে অনেক ভালো মনে করবে আপনার প্রতি বিশ্বাস আসবে।
পেওনারে ডলার আসার পরে করণীয় কি
দেওনারে ডলার আসলে সর্বপ্রথম ড্যাশবোর্ডে ব্যালেন্স চেক করতে হবে। তারপরে উইথ ড্র বাটনে ক্লিক করতে হবে। যে ডলার উঠাবে সেটা সিলেক্ট করুন। টাকা আসছে দুই থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে টাকা আসলে আপনার ফোনে মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দেবে। মেসেজ দিলে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার ফোনে টাকা আসছে কিনা।
টাকা উঠানোর আগে ব্যাংক একাউন্ট অবশ্যই ভেরিফাই করে নিতে হবে। ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনার একাউন্ট খোলার পদ্ধতি অবশ্যই জানতে হবে। মাসে কয়েকবার বড় এমাউন্ট উইথড্র দিতে হবে না। কারণ ছোট ছোট উইথ ড্র দিলে মাসে বেশি খরচ হয়ে পড়ে। আর যদি বড় এমাউন্ট হয় তাহলে ২-৩ বারে উইথড দিতে হবে। টলার রিসিভ করার জন্য কেউনার একাউন্টের শেষ ধাপ হল টাকা হাতে পাওয়া।
আরও পড়ুনঃ বাংলা আর্টিকেল লিখে মাসে ২০-৩০ হাজার টাকা ইনকাম
পেওনার অ্যাকউন্ট ভেরিফাই না হলে যা করণীয়
যদি পেওনার একাউন্ট রিজেক্ট করে দেয় তাহলে ঘাবড়ানোর কোন দরকার নেই। কি কারনে আপনার অ্যাকাউন্ট রিজেক্ট করে দিয়েছে সেটা মেইলে লিখে দেবে। যদি নাম ঠিকানা অথবা আইডি কার্ড এইগুলো ভুল থাকলে আবার সংশোধন করে নিতে হবে। কিংবা ছবি যদি ঝাপসা আসে তাহলে আবার ক্লিয়ার ভাবে ছবি তুলতে হবে। সেজন্য প্রথমে বারবার দেখে সবকিছু সঠিকভাবে দেওয়া ভালো।
ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনার একাউন্ট কিভাবে খুলতে হবে এটা সবচেয়ে কমন সমস্যা হল ভেরিফিকেশন। তিনবার রিজেক্ট হলে একাউন্ট বাদ হয়ে যেতে পারে। তাই প্রথমবারেই চেষ্টা করতে হবে যাতে কোন ভুল না হয়। তাই সেজন্য প্রথমেই ক্লিয়ার সব ডকুমেন্ট দিতে হবে। একাউন্ট এপ্র ুভ না হওয়া পর্যন্ত ক্লাইন্টকে ব্যাংক একাউন্টের ডিটেলস না দেওয়াই ভালো। ভেরিফিকেশন হলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
শেষ কথা
ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনার একাউন্ট কিভাবে খুলতে হয় সে সমন্ধে ডিটেলস বলার চেষ্টা করেছি অনেক সহজ ভাষায়। যাতে করে সবার বুঝতে সহজ হয়। এরপরেও যদি কনটেন্ট লেখার মাঝে কোন ভুল হয়ে থাকে, বা কন্টেনের কোন অংশ আপনাদের বুঝতে সমস্যা হয় ,তাহলে আমাকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। আমি আপনাদের সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনার একাউন্ট খোলা এখন অনেকটা সহজ হয়ে গেছে। পেওনার একাউন্ট ব্যবহারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
- কখনো লগইন তথ্য কারো কাছে শেয়ার করবেন না।
- একাধিক পেওনার একাউন্ট খুলবেন না। একটা আইডি দিয়ে একটা অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
- সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক করবেন না।
- বছরে একবার হলেও লগইন করতে হবে তা না হলে ইনঅ্যাকটিভ ফি কাটবে।
- বড় এটাচমেন্ট আসলে সাপোর্ট জানিয়ে রাখা ভালো তাহলে হোল্ড হবে ন
আপনি যদি ইচ্ছা পুরন এর কোন পোস্টে কমেন্ট করতে চান, তাহলে এর নীতি মেনে কমেন্ট করুন। কারন প্রত্যেকটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url