অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সকল নিয়ম
বিভিন্ন বিষয়ের গোপন সমস্যার সমাধান
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া এখন আর আগের মতো ঝামেলার বিষয় না।NBR এর ই-রিটার্ন ওয়েবসাইট আসার পর থেকেই ঘরে বসে 10 থেকে 15 মিনিটের মধ্যেই রিটার্ন সাবমিট করা যায়।
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার নিয়ম জানা থাকলে, অফিসে যাওয়া,লাইনে দাঁড়ানো, কাগজ জমা দেওয়ার ঝামেলা নেই বললেই চলে।
সূচিপত্র: অনলাইনে আয় কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সকল নিয়ম দেওয়া হল
১. অনলাইন ইনকাম কি কর যোগ্য আয়, এখানে কর যোগ্য আয় বলতে আমরা, youtube viber, অ্যাপ ওয়ার্ক, ব্লগিং, অ্যাফিলিয়েট সব আয় NBR এর চোখে কর যোগ্য আয়। ডলার আসুক আর টাকা আসুক ব্যাংকে ঢুকলেই এইটা আপনার টাকা, দেশের বাইরে থেকে টাকা আসলেও এটার ট্যাক্স দিতে হবে। কারণ আপনি বাংলাদেশের নাগরিক। অনেকেই ভাবে বিদেশি টাকায় ট্যাক্স নাই। এটা সম্পূর্ণই ভুল ধারণা। কারণ বিদেশ থেকে টাকা আসলেও অবশ্যই ট্যাক্স দিতে হয়।
বছরে ৩.৫ লাখ টাকার বেশি আই হলেই রিটার্নে দেখাতে হবে। যদি আই কম ও হয় তারপরেও রিটার্ন শূন্য সাবমিট করা বাধ্যতামূলক। টিন থাকা মানেই প্রতিবছর হিসাব দেওয়া।TIN থাকার পরে রিতার না দিলেNBR নোটিশ পাঠায়। তাই আয় কম হোক আর বেশি হোক প্রতিবছর নভেম্বর মাসের ৩০ তারিখের মধ্যেই হিসাব জমা দেওয়া বাধ্যতামূল। আর তারিখ যদি পার হয়ে যায় তাহলে অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। তাই কর যখন দিতেই হবে সময় মত দেওয়াই ভালো।
২.TIN সার্টিফিকেট ছাড়া রিটার্ন জমা দেওয়া যায় কিনা, টিন সার্টিফিকেট ছাড়া রিটার্ন জমা দেওয়া কোন ভাবেই সম্ভব না। ১২ ডিজিটের নাম্বার ছাড়া আপনি কখনোই ই- রিটার্ন পোর্টালেই লগইন করতে পারবেন না। এখনTIN পাসপোর্ট করা যায় না, একাউন্ট খোলা যায় না ,জমি রেজিস্ট্রেশন করা যায় না এখন সব জায়গাতেই সরকার টিন বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে। তাই সর্বপ্রথম কাজ হচ্ছে টিন সার্টিফিকেট উঠানো।
এখন টিন সার্টিফিকেট ঘরে বসেই কোন ফি ছাড়াই খোলা যায়। এটার জন্য লাগবে নিজের আইডি কার্ড আর একটা মোবাইল নাম্বার। আর একবার যদি এই TIN উঠানো যায় তাহলে আর ছাড় নেই। আপনার ইনকাম থাকুক আর না থাকুক প্রতিবছর return সাবমিট করতেই হবে তাছাড়া কোন উপায় নেই। না দিলে প্রতি মাসে ৫০ টাকা করে জরিমানা কাটবে। তাই যখন টিন সার্টিফিকেট নেওয় হলে সময় মত রিটার্ন সাবমিট করাই ভালো।
আরো পড়ুন:বিনা পুঁজিতে মাসে ৫০ হাজার টাকা আয়
৩. ই-রিটার্ন কি?অফলাইনে এর সুবিধা কতটুকু, ই-রিটার্ন হল অনলাইনে বসে রিটার্ন ফর্ম পূরণ করে সাবমিট করা। বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনেকটাই সুবিধা হয়েছে, এখন কর অফিসে দৌড়াতে হয় না, কাউকে ঘুষ দিতে হয় না, লাইনে দাঁড়াতে হয় না, এইসব কাজগুলো ঘরে বসেই অনেক আরামের সাথে করা যায়। দিন-রাত ২৪ ঘন্টায় পোর্টাল খোলা থাকে। সাবমিট করার সাথে সাথেই ডাউনলোড হয়ে যাবে। ওইটাই হচ্ছে আসল রিসিট।
৪. এখন অফলাইনের দিন শেষ বললেই চলে। মানুষ এখন বেশি আরাম প্রিয় হয়ে গেছে। এখন প্রায় সবকিছুই অনলাইনে বসেই করা যায়। এই কাজ করার জন্য আগে ফর্ম কিনতে হতো, ফর্ম পূরণ করতে হতো ,ফরম পূরণ করতে গিয়ে অনেক জায়গায় ভুল হতো ,তারপর ফর্মটা বাতিল হয়ে যেত। আর এখন যে সিস্টেম চালু হয়েছে সিস্টেমেই ভুল ধরিয়ে দেয়। আগের বছরের ডাটা নিজে নিজেই চলে আসে। হিসাবের ম্যাচিংটা নিজেই করিয়ে দেয়। যারা নতুন অনলাইনে আয় শুরু করছে তাদের জন্যই ই রিটান সবথেকে বেস্ট ।
৪. রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ কবে, প্রত্যেকটা জিনিসেরই একটা সিস্টেম বা মেয়াদ থাকে। এইটার ক্ষেত্রেও তাই প্রতিবছর ১জুলাই থেকে৩০ নভেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়। দীর্ঘ পাঁচ মাস সময় পাওয়া যায়। অনেকেই ভাবে ৩০ শে নভেম্বর ১১:৫৯ পর্যন্ত এটার সময় থাকে। থাকে সত্য কথা তবে সার্ভার খুব স্লো কাজ করে করে। কারণ এ সময় সবাই একসাথে সাবমিট করে তাই সার্ভার এত লোড নিতে পারে না , তাই যদি কোন কাজ থাকে তাহলে আগে করাই ভালো
৩০ নভেম্বর পার হয়ে গেলেই প্রতিমাসে ৫০ টাকা করে জরিমানা শুরু হয়ে যাবে। যদি কোন কারণবশত ডেট মিস হয় তাহলে তাহলে কর অফিসে গিয়ে আবেদন করে সময় বাড়ানো যায়। তবে অফলাইনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কাজ করা এগুলো অনেকটাই কঠিন হয়ে যায়। তবে সেটা অনেক ঝামেলার কাজ হবে। আমার পরামর্শ হচ্ছে ২৯ শে নভেম্বরের আগেই রিটার্ন সাবমিট করে ফেলা ত তাছাড়া পরবর্তীতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।
আরো পড়ুন: মেয়েদের গোপন রোগের সমাধান
৫. অনলাইনে ইনকাম করার জন্য কি ডকুমেন্ট লাগবে, অনলাইনে ইনকাম করার জন্য কিছু কিছু কাগজপত্র নেওয়া লাগে। প্রথমে লাগবে স্টেটমেন্ট। জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত ১২ মাসের স্টেটমেন্ট ব্যাংক থেকে তুলে নিতে হবে। ইবনে সিন, পেপাল ,পেওনার থেকে যে টাকা আপনার ব্যাংক একাউন্টে ঢুকেছে তার সব হিসাব এখানে পাওয়া যাবে। ডলারের রেটসহ হিসাব রাখা ভালো। ব্যাংক স্টেটমেন্টে BDT এটাই হলো সব থেকে ভালো।
দ্বিতীয়তে লাগবে ইনকামের সোর্স। আপনি কিভাবে টাকা ইনকাম করেন এইটা প্রমাণ। আপনি কোন ধরনের ইনকাম করেন কত টাকা মাসে ইনকাম হয় কোন সোর্স থেকে কত টাকা আসে, এইগুলো সব পিডিএফ ফাইলে সেভ করে রাখা হয়।NBR কখনো অডিটে ডাকলে ডকুমেন্টগুলো দেখাতে হবে। স্ক্রিনশট রাখলেও হবে। আর একটা হল ইন্টারনেট বিল , ল্যাপটপ কেনার রিসিট, কারেন্ট বিল, এগুলোর খরচ হিসেবে দেখাবে। সব কাগজ 6 বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে সবকিছু নিয়ম জেনে।
৬. আয়ের খাত হিসেবে বিজনেস নাকি স্যালারি সিলেক্ট করবেন, এই জায়গাতে ৯০% ফ্রিল্যান্সার রা ভুল করে থাকে। তারা আইকে স্যালারি খাতে দেখায়। তবে এটা তে আপনি নিজেই নিজের উদ্যোক্তা, নিজেই বস। তাই আপনার আই হবে বিজনেস আর প্রফেশন খতের আয়। ফর্মে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ আছে ওখানে ক্লিক করতে হবে। তাহলেই কাজ শেষ হয়ে যাবে।
বিজনেস খাতে করলে এটার সমাধান কি জানেন, এই নিয়মে করলে আপনার ব্যবসার খরচের টাকা বাদ দিতে পারবেন। লিগ্যাল ভাবে ২৫ পারসেন্ট পর্যন্ত খরচ দেখানো যায়। খরচ বাদ দেওয়ার পর যে টাকা থাকবে তারপরে ট্যাক্সে হিসাব করা হবে। তাই স্যালারি না দিয়ে বিজনেস সিলেক্ট করলে, আপনার ট্যাক্স অনেক কমে আসবে। তাই আমাদের উচিত বিজনেস সিলেক্ট করে ওপেন করা তাহলে আমাদেরই ভালো হবে।
আরো পড়ুন: অনলাইনে পাসপোর্ট করতে যেসব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগে
৭. শূন্য রিটার্ন কি এটা কারা দিবে, শূন্য রিটার্ন মানে জিরো ট্যাক্স রিটার্ন। যাদের বছরে মোট আয় ৩.৫ লক্ষ টাকার কম তাদের কোন ট্যাক্স দিতে হয় না। তবেTIN রিটার্ন ফরম পূরণ করে সাবমিট করতেই হবে। ট্যাক্স যদি শূন্য টাকাও আসে তাহলেও ফর্ম সাবমিট করতে হবে। এটাকেই শূন্য রিটার্ন বলা হয়। অনেক ফ্রিল্যান্সাররা মনে করেন যে আমাদের তো আইকম তাহলে রিটার্ন দেওয়া লাগবে ন। এটা সবথেকে বড় ভুল কথা। কারণ টিন সার্টিফিকেট করলেই তাকে রিটার্ন দিতেই হবে কোন মাফ নেই।
TIN নেওয়ার পরে রিটার্ন না দিলেNBR আপনাকে ডিফল্টার বানিয়ে দিবে। পরে ব্যাংক লোন স্টুডেন্ট ভিসা ট্রেড লাইসেন্স, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে মহা ঝামেলার মধ্যে পড়তে হবে। আর আপনি যদি শূন্য রিটার্ন দিয়ে থাকেন তাহলে এই কাজগুলো আপনার ১০ মিনিটেই হয়ে যাবে আর এক টাকাও খরচ হবে না। শুধু ফরম পূরণ করে সাবমিট করে দিলেই কাজ শেষ। ০ রিটার্ন দিলে আপনার ফাইল সব সময় আপডেট থাকবে।কোন চিন্তাও করা লাগবে না আর ভবিষ্যতের জন্য কোন টেনশন নেই।
৮. ভুল করে ফেললেও সংশোধনী রিটার্ন কিভাবে দেওয়া যায়, মানুষ মাত্রই ভুল তাই ভুল করে যদি রিটার্ন জমা না দেওয়া হয়, তাহলেও সে ব্যবস্থা আছে। আর রিটার্ন সাব মিট করার পরে যদি মনে হয় আমি ভুল টাকা লিখে ফেলেছি, তাহলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।NBR আপনাকে ১৮০ দিন সময় দিবে এই ভুলটা সংশোধন করে নেওয়ার জন্য বা সংশোধনী রিটার্ন দেওয়ার জন্য। আগের ভুল ডাটা বাদ দিয়ে ঠিক ডাটা দিয়ে আবার নতুন করে রিটার্ন সাবমিট করতে হবে। তবে প্রসেসটা একদম সহজ।
সংশোধনী রিটার্ন দিতে আলাদাভাবে কোন ফি বা জরিমানা দিতে লাগে না। তবে একটা শর্ত আছে, যদি কেউ ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার জন্য ভুল তথ্য দিয়ে থাকে বা দেওয়ার চেষ্টা করে। আর এটা করতে গিয়ে যদি ধরা পড়ে তাহলে তার জরিমানা এবং শাস্তি দুটোই হবে। তাই প্রথমবার সাবমিট করার আগে দুই তিনবার চেক দিয়ে নেওয়া ভালো যাতে কোন ভুল না হয়। আর একটা কথা, ব্যাংক স্টেটমেন্টের সাথে আপনার লেখা টাকার হুবহু মিল আছে কিনা এটা অবশ্যই দেখে নেবেন।
আরো পড়ুন: সংশোধনী রিটার্ন দেওয়ার সম্পূর্ণ প্রসেস
৯. বিদেশে থেকে আয় করলে ডাবল ট্যাক্স দিতে হবে কি, বিদেশ থেকে আয় করলে ডাবল ট্যাগ দেওয়ার কোন দরকার নেই। এই বিষয় নিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন কারণ বাংলাদেশ সরকার ডাবল টেক্সান এভয়েডেন্স এগ্রিমেন্ট চুক্তি করেছেন। যেমন ইউ এস এ, ইউ কে, ক্যানাডা এদের সাথে চুক্তি আছে। আপনি যদি ইউএসএ থেকে এবসেন্স এর টাকা পান এখান থেকে ইউএসএ সরকার যদি ১০% বা 15% টাকা কেটে রাখে তাহলে বাংলাদেশের ফুল ট্যাক্স দিতে হবে না।
তবে একটা জিনিস লাগবে সেটা হলো প্রমাণ। usa থেকে যে ট্যাক্স কেটেছে সেই প্রমাণটা অবশ্যই লাগবে। এডসেন্সের ট্যাক্স ইনফো সেকশন থেকে ট্যাক্স ডিডুকেশন এর সার্টিফিকেট ডাউনলোড করে রাখতে হবে। রিটার্ন ফর্মে Foreign tax credit নামে একটা খাত আছে ওইখানে বিদেশে যাওয়ার ট্যাক্সের পরিমাণ লিখতে হবে। তাহলে বাংলাদেশে কম ট্যাক্স দিবে। আর যদি আপনার কাছে কোন ডকুমেন্টস না থাকে তাহলে আপনাকে সম্পূর্ণ ট্যাক্সি গুনে গুনে দিতে হবে।
১০. রিটার্ন জমা দিলে কি প্রমাণ পাওয়া যায়, রিটার্ন জমা দিলে অবশ্যই প্রমাণ পাওয়া যায়। অনলাইনে সাবমিট করার সাথে সাথেPDF ফাইলটা অটোমেটিক ডাউনলোড হয়ে যাবে। এটার নাম হল Acknowledge Slip । আপনি যে রিটার্ন জমা দিলেন এটা হল রিটার্ন জমা দেওয়ার ১০% লিগাল প্রমাণ। এই স্লিপে রিটার্ন জমা দানকারীর নাম,টিন নাম্বার, ১২ ডিজিটের ভেরিফিকেশন কোড, আর সাবমিট করার তারিখ সবই লেখা থাকবে।
এ স্লিপ টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ তাই অনেক ভালো করে যত্ন করে রাখা উচিত। ব্যাংকের লোন নিতে গেলে, জমি রেজিস্ট্রেশন করতে গেলে, পাসপোর্ট করতে গেলে, গাড়ি কিনতে গেলে সব জায়গাতেই এই স্লিপটা প্রয়োজন হয়। তাই স্লিপ টা প্রিন্ট করে যত্ন সহকারে রাখলে ভালো। তাহলে টেনশন থেকে মুক্ত থাকা যায়। পরবর্তীতে যখন আবার প্রয়োজন হবে তখনNBR এর ওয়েবসাইটে লগইন করে সাবমিটেড রিটার্ন সেকশন থেকে যেকোনো সময় ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
আরো পড়ুন: কোন ইনভেস্ট ছাড়াই যে পাঁচটি বিজনেস শুরু করতে পারেন
১১. ট্যাক্স আইনজীবী লাগবে নাকি নিজেই করতে পারবেন, প্রথমে এক দুই বছর নিজে নিজে চেষ্টা করাই ভালো। ইউটিউবে বা ই রিটার্ন টিউটোরিয়াল বাংলা লিখে সার্চ দিয়ে যে ভিডিও গুলো আসবে সে ভিডিও গুলো স্টেপ বাই স্টেপ দেখে এ কাজগুলো করতে পারবেন। এ কাজগুলো একটা কম্পিউটার না জানা মানুষেও পারবে। আর বছরে যদি ২০ লাখ টাকার কমায় হয় তাহলে অযথাই উকিলকে ৫-১০ হাজার টাকা দেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই ।
তবে হ্যাঁ যদি আপনার ইনকাম বছরে পঞ্চাশ লাখ টাকা বা এক কোটি টাকা হয় বা আপনার কোন বড় কোম্পানি থাকে তাহলে আপনি একটা ভালো কনসালট্যান্ট ধরতে পারেন। তাহলে সে আপনাকে ট্যাক্স বাঁচানোর জন্য ভালো লিগ্যাল রাস্তা দেখিয়ে দেবে। বেশি ইনকামের জন্য প্রফেশনাল হেল্প না ওটা বুদ্ধিমানের কাজ। তবে যারা ছোট ফ্রিল্যান্সার তাদের ক্ষেত্রে নিজের কাজ নিজে করাটাই ভালো।
১২. শেষ কথা, অনলাইনে ইনকাম করা এখন স্বপ্ন নয় এটা এখন বাস্তব। আর অনলাইন ইনকাম করে যাতে কেউ একটু স্বাবলম্বী হতে পারে সেজন্য আমি আপনাদের মাঝে এই কনটেন্ট টা তুলে ধরেছি। এই কনটেন্ট এর মাঝে যদি কোন ভুল হয়ে থাকে তাহলে আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি এই কনটেন্ট এর মাঝে সব কিছু বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তারপরেও যদি আপনারা কোন জায়গায় বুঝতে না পারেন, তাহলে আমাকে জানাবেন আমি আপনাদেরকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করবেন ইনশাআল্লাহ।
সবশেষে আমাদেরকে একটা কথা মনে রাখতে হবে, ছোট ছোট সৎ কাজই আমাদেরকে একদিন অনেক বড় জায়গায় নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। তাই দুই টাকার ট্যাক্স বাঁচাতে গিয়ে বিশ হাজার টাকার ঝামেলা পোয়ানোর কোন দরকার নেই। নিজের আয়ের হিসাব নিজেকেই রাখতে হবে নিজেকে রিটার্ন দিতে হবে। এতে করে নিজের কনফিডেন্স বাড়বে নিজের সাহসও বাড়বে। আর হ্যাঁ কোন জায়গায় যদি আটকে যান তাহলে আমাকে অবশ্যই জানাবেন।
আরো পড়ুন: ফ্রীল্যান্সার দের জন্য ট্যাক্স রিবেটের ৫ লিগ্যাল উপায়
আপনি যদি ইচ্ছা পুরন এর কোন পোস্টে কমেন্ট করতে চান, তাহলে এর নীতি মেনে কমেন্ট করুন। কারন প্রত্যেকটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url