চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে ব্লগ পোস্ট লেখার সঠিক নিয়ম

চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে ব্লগ পোস্ট লেখার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে আপনি জানলে ৭ দিনেই আপনার ব্লগ গুগলে রেঙ্ক করবে। কিভাবে চ্যাট gpt দিয়ে seo ফ্রেন্ডলি পোস্ট লেখা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। 

চ্যাট-জিপিটি-ব্যবহার-করে-ব্লগ-পোস্ট-লেখার-সঠিক-নিয়ম

আবার কোন প্রমোট দিলে কপি content আসবে না। আবার এডসেন্স এপ্রভাল তাড়াতাড়ি পেয়ে যাবেন। এর সম্পূর্ণ প্রসেস নতুন ব্লগারদের জন্য সুন্দর ও একদম সহজ ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে।

সূচিপত্র: চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে ব্লগ পোস্ট লেখার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো

চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে ব্লগ পোস্ট লেখার সঠিক নিয়ম শিখুন মাত্র ১০ মিনিটে

চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে ব্লগ পোস্ট লেখার সঠিক নিয়ম জানা এখন অনেক সহজ। আর প্রত্যেকটা নতুন ব্লগারের জন্য খুব জরুরী। কারণ যারা নতুন ব্লগার তারা কিছু কিছু ভুল অনেক বেশি করে ফেলে। তারা না বুঝে চ্যাট জিপিটি যে ব্লগ পোস্ট লিখে দেয় সেটা সরাসরি কপি পেস্ট করে ফেলে। এতে গুগল খুব সহজেই বুঝতে পারে। এই কারণে অনেকের ওয়েবসাইট কখনোই রং করাবে না।সঠিক নিয়ম জানা থাকলে এই ভুলগুলো এড়ানো যায়। তাই সঠিক নিয়মে চ্যাট জিপিটিকে ব্যবহার করে কিছু সময়ের মধ্যেই ১০০ % ইউনিক আর এসইও ফ্রেন্ডলি পোস্ট লেখা সম্ভব। 

অনেকেই ভাবে চ্যাট জিপিটি দিয়ে লিখলেই কনটেন্ট লেখা শেষ হয়ে গেল। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কিন্তু সত্য ঘটনা কি জানেন? সত্য হলো প্রমোট যদি ঠিক না হয় তাহলে লেখা কিন্তু রোবটের মতোই হবে। আর গুগল রোবটের কথা একদমই পছন্দ করে না। চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে লিখা কপি পেস্ট করলে গুগল ধরে ফেলে। google এখন আর বোকা নয়। তাই জানতে হবে কিভাবে চ্যাট জিপিটিকে ব্যবহার করতে হয় যাতে সে মানুষের মতো করে লিখে দেয়। সাথে হেডিং ,মেটা ডিসক্রিপশন, সূচিপত্র ,এই সব কিছু যেন ঠিক রাখে। 

চ্যাট জিপিটি দিয়ে অনেক কিছুই করা যায় ।তাই চ্যাট জিপিটিকে মাস্টার ভাবা যাবে না। আগে নিজেই চ্যাট জিপিটির মাস্টার হতে হবে, তারপরে চ্যাট জিপিটি কে ব্যবহার করতে হবে। কারণ চ্যাট জিপিটি নিজে থেকে কোন কিছু বলে দেয় না বা করে দেয় না। চ্যাট জিপিটিকে আপনি আমি যেটা কমান্ড করব ঠিক ততটুকুই বানিয়ে দেবে তার বেশি একটু দেবেনা। আমি যদি ভুল তথ্য দেই সে ভুল তথ্যে লিখে দেবে ,কারণ তার বোঝার মতন ক্ষমতা নেই। তাই আগে নিজে চার জিপি থেকে ব্যবহার করা শিখতে হবে। 

চলুন আজকের পর থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে পোস্ট না লিখে, চ্যাট জিপিটিকে কিভাবে ব্যবহার করে কনটেন্ট লিখব সেটা শিখে ফেলি। যে পোস্ট লিখতে আগে কয়েক ঘন্টাঘন্টা সময় লাগতো সেটা এখন কিছু সময় লাগে মাত্র। শুধু কয়েকটা নিয়ম ফলো করলেই হবে। এই নিয়মগুলো অনুসরণ করলে দ্রুত ইন্ডেক্স হবে রেঙ্ক করবে আবার এডসেন্স অ্যাপ্রভাল তাড়াতাড়ি পেয়ে যাবেন। তাহলে আর দেরি কেন চলুন সবকিছু সঠিকভাবে জেনে নেই। 

১০০% ইউনিক আর্টিকেল লেখার সেরা প্রমোট

কিভাবে ১০০ পার্সেন্ট ইউনিক আর্টিকেল লিখা যায় চলুন জেনে নিই। শুধু চ্যাট জিপি থেকে যদি বলেন যে একটা আর্টিকেল লিখে দাও তো। তাহলে সে অবশ্যই ১০০% কপি কন্টেন্ট দিয়ে দেবে। কারণ কি জানেন ?চ্যাট জিপিটি ইন্টারনেটের সব পুরনো ডাটা ঘেঁটে তারপরে উত্তর দেয়। এতে কপিরাইট আসার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। তাই ইউনিক আর্টিকেল যদি নিতে চান ,তাহলে অবশ্যই আপনাকে স্পষ্ট করে বলে দিতে হবে ।আপনি কি সম্পর্কে আর কেমন ধরনের আর্টিকেল নিতে চাচ্ছেন। তা না হলে google আপনার পোস্টে স্প্যাম ধরিয়ে দেবে।

চ্যাট জিপিটি দিয়ে আর্টিকেল লেখা যাবে ।কিন্তু আপনি যে আর্টিকেলটা লিখবেন সে সম্পর্কে আপনি তাকে ডিটেলস বলে দেবেন, তা না হলে সে নিজের ইচ্ছামতন দেবে আর ওয়েবসাইট এর অবস্থাও খারাপ হবে। যেভাবে প্রমোট লিখতে হবে বা চ্যাট জিপিটিকে বলতে হবে। একটা কিওয়ার্ড দিয়ে দিতে হবে ।দেওয়ার পরে বলতে হবে ১৫০০ বা ২০০০ এর মধ্যে আমাকে একটা কনটেন্ট লিখে দিবে। যার ভাষায় একদম সহজ ভাবে মানুষের ভাষায় গল্পের মতো করে লিখে দেবে, কোন কপি থাকবে না সূচিপত্র থাকবে, হেডিং থাকবে, আবার যে কেউ আর দিয়ে লেখা শুরু হয়েছে সে কিওয়ার্ড মাঝে মাঝে ব্যবহার করতে হবে, সবশেষে শেষ কথা দিয়ে শেষ করবে, এভাবে বলে দিতে হবে। 

এই লেখাটুকু ব্যবহার করার পর আরেকটা কাজ করতে হবে সেটা হলো, লেখাটা পাওয়ার পরে চ্যাট gp থেকে আবার বলতে হবে এই লেখাকে ১০০% মানুষের মতো করে রিরাইট আর প্লেজারিজম ০% রাখো। এভাবে দুইবার তাকে বললে আর্টিকেল একদম ইউনিক হয়ে যাবে। তবে মনে রাখবেন শুধু প্রমোট কপি করলে হবে না প্রতিবার টপিক অনুযায়ী দুই তিনটা উদাহরণ চার জিপিটিকে দিয়ে বলতে হবে। তারপরে সে বুঝতে পারবে আপনি কি বলতে চাইছেন তাকে। এরপর থেকে সে আপনি যেটা চাইছেন সেভাবেই লেখা শুরু করবে।

চ্যাট জিপিটি দিয়ে লেখা কনটেন্ট কেন গুগলে রেংক করছে না,

চ্যাট জিপিটি দিয়ে লেখা কনটেন্ট গুগলে রাগ না করার প্রথম কারণ হচ্ছে, এই কনটেন্ট গুলো শুনতে রোবটের লেখার মতো মনে হয়। কারণ চ্যাট জিপিটি কে আপনি যে বিষয়ে বলবেন সে বিষয় নিয়ে বারবার কথা বলে মাঝে মাঝে অনেক বিরক্ত লাগে তার উপরে। গুগলের এ আই এখন অনেক বুদ্ধিমান অনেক স্মার্ট। খুব তাড়াতাড়ি কপিরাইট কনটেন্ট বুঝে ফেলে। তখন গুগল সেই কনটেন্ট এ রেঙ্ক দেয় না। google রেঙ্ক দেয়। মানুষের লেখা কনটেন্টে যেটাতে নিজের ভাষায় গল্পের মত করে লিখে আবার নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে লিখে এসব পোস্টকে google রেঙ্ক দেই।

আবার অনেকেই আছে চ্যাট জিপিটিকে বলে কনটেন্ট লিখে সরাসরি কপি পেস্ট করে পাবলিস্ট করে দেয়। এটা তো কখনো করাই যাবে না এই কাজটা খারাপ। কারণ এ আই এর লেখা কেউ ধরতে না পারলেও গুগলের রোবট থেকে ধরে ফেলে। কারণ চ্যাট জিবিটির লেখাগুলো রোবটের মত শুনাই। কেউ যদি চার জিপিটিকে এক লাইন কমান্ড দেয় তাহলে সে একদম একই ধরনের শব্দ বারবার ব্যবহার করে লিখে দেবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি নিজে সে কথাটা চেঞ্জ করে দেবেন সে একই কথা বারবার বলে মাথা খারাপ করে দেয়। আর এইসব কনটেন্ট গুলো পড়তে মানুষ অনেক বিরক্ত বোধ হয়। আর গুগল অনেক বিরক্ত হয় তাই, এই পোস্টগুলো র‍্যাঙ্কে যায় না বললেই চলে।

চ্যাট জিপিটি কে দিয়ে মানুষের মতো লেখানোর উপায়, 

চ্যাট জিপি থেকে দিয়ে ও মানুষের মত কনটেন্টলি লেখানো যায়। তবে আগে আপনাকে বলে দিতে হবে যে আমাকে এইরকম কনটেন্ট বানিয়ে দাও তবেই বানিয়ে দেবে। যদি চাজি পিটিকে বলেন আর্টিকেল লিখে দাও তাহলে সে একদম রোবটের মত আর্টিকেল লিখে দেবে। কারণ তার চরিত্রই হচ্ছে রোবটের মত। আসল কথা সে তো রোবট তাই যেমন প্রশ্ন করা যায় তেমন উত্তর দেবে। মানুষের মত করে লিখাতে হলে প্রথমেই তাকে প্রমোটে তার চরিত্রটা বা তার মনের ভাষাটা ঠিক করে দিতে হবে। 

যেমন তাকে বলতে হবে তুমি এখন আমার একজন বন্ধু মনে করো। তুমি গ্রামের সহজ সরল ভাষায় গল্পের মত করে এই বিষয় নিয়ে বোঝাবে। এভাবে যদি বলা হয় তাহলে সে ওই রকম করেই লিখে দেবে। তারপরের উপায় হল চ্যাট জিপিটিকে দুই থেকে তিন লাইনের একটা প্যারা দিয়ে বলতে হবে এই রকম করে বাকি লেখাগুলো লিখে দিবা। এক কথায় আপনি তাকে যত উদাহরণ দিয়ে লিখতে বলবেন সে ততই লিখে দেবে। আপনি যত আপনার মত করে তাকে প্রশ্ন করবেন সে তথ্য রকম ভাবে আপনাকে উত্তর দেবে। 

তাই এ আই কে ব্যবহার করতে হলে বা চ্যাট জিপিটিকে ব্যবহার করতে হলে প্রথমে তাকে তার ভাষাটা শিখিয়ে দিতে হবে আপনাকে। তারপরে সব লেখা তার কাছ থেকে যখন পেয়ে যাবেন তখন তাকে আর একবার বলবেন এই লেখাটাকে ১০ বছরের বাচ্চাও যেন বুঝে সেভাবে সহজ করে দাও। তারপরে সেই কনটেন্ট টা আপনি ভালোভাবে চেক করে দুই তিন জায়গায় নিজের অভিজ্ঞতা যোগ করে দেবেন তাহলে ভূগোল বুঝতেই পারবে না যে এটা এআই দিয়ে লেখা হয়েছে। এভাবে আপনার পোস্ট রেঙ্ক করবে অবশ্যই।

১০ মিনিটে ১৫০০ শব্দের কনটেন্ট লেখার কৌশল

এখন ভাবছেন ১০ মিনিটে ১৫০০ শব্দ কিভাবে লিখবেন? এটা একদম সম্ভব। আপনার দ্বারাই সম্ভব। সেজন্য প্রথমে আপনাকে কিছু লিখতে হবে না। শুধু চ্যাট জিপিটিকে ভালো করে বুঝিয়ে দিতে হবে যে আপনি আসলে কি চাচ্ছেন। কোন বিষয়ে তার কাছ থেকে কন্টেন্ট লিখে যাচ্ছেন। এই বিষয়টা তাকে ভালো করে বুঝিয়ে দিতে হবে। যাতে করে তার মধ্যে সেই বিষয়টা ঢুকে যায়। যেমন ধরুন চ্যাট জিপিটিকে বলতে হবে আমাকে ডাটা এন্ট্রি করে মাসে ১০০০০ টাকা ইনকাম।

এই কিওয়ার্ড দিয়ে আমাকে একটা মেয়েটা ডিস্ক্রিপশন তারপরে সূচিপত্র পনেরো থেকে বিশটা দিবে। তারমানে h2 হেডিং এর কথা বলা হচ্ছে প্রত্যেকটা হেডিং এর নিচে দুইটা থেকে তিনটা করে প্যারা দিবা। তারপরে সবার শেষে শেষ কথা লিখে যে কিওয়ার্ড ছিল ওই কিওয়ার্ড দিয়ে শেষ কথার প্রথম প্যারা শুরু করে দেবে। শেষ কথাতে যে দুইটা প্যারা থাকবে সে দুইটার প্যারার দ্বিতীয় অংশে ক্ষমা চেয়ে কিছু কথা লিখে দেবে। এভাবে চ্যাট জিপিটিকে বললে সে সুন্দর করে লিখে দেবে ।

চ্যাট জিপিটি যখন সবকিছু লিখে দেবে সাথে সাথে কিন্তু পাবলিশ করা যাবে না। সেটাকে নিজে আবার ভালো করে দেখে নিতে হবে। কারণ ওইভাবে পাবলিশ করলে দেখতে পড়তে একটু রোবট রোবট ভাব লাগে। তাই আর একবার তাকে বলুন যে এ লেখাটাকে আরো সহজ করো যেন ১০-১২ বছরের বাচ্চারাও বুঝতে পারে। তারপরে দেখবেন লেখা আরো অনেক সুন্দর হয়ে গেছে আগের থেকে। এরপরে আপনি নিজেও দুই তিন জায়গায় নিজের অভিজ্ঞতা বা অন্য কিছু যোগ করে দেবেন। ব্যাস হয়ে গেল অল্প কিছু সময়ের মধ্যে একটা কনটেন্ট রেডি। 

আকর্ষণীয় টাইটেল এবং মেটা ডিস্ক্রিপশন লেখার সঠিক নিয়ম

মনে করেন টাইটেল হল আপনার দোকানের সাইনবোর্ড। মানুষ google এ সার্চ করার পর প্রথমেই টাইটেল দেখে। যদি টাইটেল ভালো লাগে তাহলে ক্লিক করে, আর যদি ভালো না লাগে তাহলে ক্লিক করে না। তাই ভালো টাইটেল লেখার নিয়ম হলো, প্রথমে কিওয়ার্ড দিবেন তারপরে একটা লাভ বা সমস্যার কথা সাথে লাগিয়ে দিবেন। যেমন চ্যাট জিপিটিকে ব্যবহার করে পোস্ট লেখার সঠিক নিয়ম। এটা হচ্ছে আসল কিওয়ার্ড তার সাথে লাগিয়ে দিতে হবে দশ মিনিটে শিখুন। তাহলে অনেক লোভনীয় একটা টাইটেল হয়ে গেল। 

আরো পড়ুন:ঘরের জন্য কম বিদ্যুৎ খরচের সেরা এয়ারকন্ডিশনার

যে টাইটেল দেখলে মানুষের ক্লিক করতে ইচ্ছা করবে। এবার আসি মেয়েটা ডিসক্রিপশন এর বিষয়টা নিয়ে। ডিসক্রিপশন মোট দুই লাইন লিখলেই চলে। তবে সেই দুই লাইনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিজ্ঞাপন দিয়ে দিতে হবে। গুগলের টাইটেল এর নিচে যেটা দেখায় সেটাই হচ্ছে মেটা ডিসক্রিপশন যা ১৫০ শব্দের মধ্যে লিখতে হবে। এখানে কখনো ভয় দেখানোর কথা বা কোন সমস্যার কথা বলা যাবে না। এখানে লাভের কথা বলতে হবে। তাহলে মানুষ বেশি আকর্ষিত হবে ওই বিষয়ের উপরে। আর মেইন কিওয়ারটা একবার রাখতেই হবে। 

নতুন ব্লগাররা যেই ৩টা ভুল বেশি করে

নতুন ব্লগারদের সবথেকে বড় আর প্রথম ভুল হল কপি করে পেস্ট করা। অনেক ভাই-বোনেরা আছে, একদম নতুন তারা ব্লগ সম্পর্কে তেমন কিছুই জানে না। যেমন আমি আমিও নতুন ছিলাম কিছু জানতাম না ।এমনকি কিভাবে কপি করে পেস্ট করতে হয় সেটাও জানতাম না। আমার মত আরও নতুন ব্লগার আছে যারা তেমন কিছু বোঝেনা। চ্যাট জিপিটিকে দিয়ে কনটেন্ট লিখে কিছু পরিবর্তন না করেই সরাসরি পাবলিশ করে দেয়। কিন্তু google কন্তু এখন অনেক চালাক। সে এক মিনিটের মধ্যেই ধরে ফেলবে এটা কপি করে লেখা না নিজের লেখা। 

যদি গুগল বুঝতে পারে যে এটা কপি করে লেখা তাহলে, google আপনার ওয়েবসাইটকে সামনে আনবে না। তাই লেখা পাওয়ার পরে কয়েকবার চেক করে নিজের মতো করে কিছু লিখে দিতে হবে। তাহলে google বুঝতে পারে না এটা কপি করা কনটেন্ট কিনা। তারপরে আর একটা ভুল নতুনরা করে সেটা হল একই কীওয়ার্ড১৫-২০ বারেরও বেশি দিয়ে দেয়। এটা গুগল একদম পছন্দ করে না। বরং উল্টে আপনার পোস্টকে একদম নিচের নামিয়ে দেয়। তাই স্বাভাবিকভাবে দুই তিনবার ব্যবহার করতে হবে যাতে মানুষ পড়তে বিরক্ত না হয়। 

তৃতীয় ভুলটা হলো অনেকেই পুরা পোস্ট একটা বড় প্যারা করে দিয়ে দেয়। এভাবে যদি কেউ দেয় তাহলে দেখতেও খারাপ লাগে, আমার পড়তেও ভালো লাগে না। আবার উপরে কোন হেডিং দেয় না ।এতে যারা পড়তে আসে বা পাঠকেরা অনেক বিরক্ত বোধ হয়। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে পোস্ট থেকে বেরিয়ে যায়। এইটা দেখে google ভাবে আপনার পোস্ট হয়তোবা ভালো না। পোষ্টের লেখার মধ্যে তেমন কিছু নাই তাই গুগল পোস্টকে বা কনটেন্টকে রেংক করাতে চাই না। তাই পড়ছে লেখার সময় হেডিং ব্যবহার করতে হবে অবশ্যই। তারপরে সবকিছু সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখতে হবে।

চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে ব্লগ পোস্ট লেখার সঠিক নিয়ম ২০২৬

২০২৬ সালে এসে শুধু চ্যাট জিপিটিকে লিখে দাও বললেই লিখে দিবে ঠিক। কিন্তু এইটা দিয়ে আর কাজ হবে না। কারণ গুগল এখন খুব চালাক হয়ে গেছে। তাই আগের নিয়মে ২০২৬ সালে এসে কাজ করলে হবে না। সেজন্য প্রথমে চ্যাট জিপিটি কে বন্ধু বানাতে হবে। তাকে মনের কথা সব খুলে বলতে হবে। একদম ডিটেল স বলে তারপরে তার কাছে কিছু চাইতে হবে। এভাবে বলতে হবে তুমি আমাকে একটা কনটেন্ট লিখে দাও। এমন ভাবে লিখে দিবে, যেটা সবাই খুব সহজে যেন বুঝতে পারে। একদম মানুষের লিখেছে এইরকম ভাবে। 

চ্যাট-জিপিটি-ব্যবহার-করে-ব্লগ-পোস্ট-লেখার-সঠিক-নিয়ম

যে কিওয়ার্ড দিয়ে কনটেন্ট লিখতে হবে সে কি ওয়ার্ডটা তাকে সুন্দর করে বলে দিতে হবে। কিওয়ার্ড না দিয়ে তার কাছে চাওয়া যাবে না। তার সাথে বলতে হবে কয়টা সূচীপত্র লাগবে কয়টা হেডিং লাগবে পুরা কনটেন্ট এর ভিতরে কয়বার ফোকাস কি ওয়ার্ড বসবে। শেষ কথা দিয়ে কি লিখতে হবে সবকিছুই তাকে বলে দিতে হবে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত যদি সবকিছু বলে দেওয়া হয় তাহলে সে একটা সুন্দর কনটেন্ট লিখে দিতে পারে। লেখা শেষ হলে পরে আর একবার বলে দিতে হবে যে, এই লেখাটাকে আরেকবার তুমি একবারে সহজ ভাষায় লিখে দাও।

চ্যাট ডিপিটি যখন সম্পূর্ণ কনটেন্ট টা লিখে কমপ্লিট করে দেবে তখন, আপনি নিজে একবার কন্টেন্ট টা চেক করে নেবেন। আর কন টেনের মাঝে কয়েকবার নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কিছু লিখবেন। তাহলে google এটা এ আই দিয়ে লেখা নাকি মানুষের লেখা বুঝতে পারবে না ‌।মনে করবে মানুষের লেখা, তাই ২০২৬ সালে এই নিয়মগুলো ফলো করে যদি আপনি কোন কনটেন্ট বা পোস্ট লিখেন তাহলে ইউনিট ১০০% হবে। google ধরতে পারবে না এটা আই দিয়ে লেখা কনটেন্টও খুব তাড়াতাড়ি র‍্যাংক করবে। 

এসইও এর জন্য হেডিং সাজানোর পারফেক্ট নিয়ম

হেডিং বলতে মনে করেন দোকানের সাইনবোর্ড। আপনি দোকানে কি বিক্রি করতে চাচ্ছেন সেটা সে সাইনবোর্ডে দেওয়া থাকে। কনটেন্টের বেলাও তাই হেডিং এমন ভাবে দিতে হবে ,যাতে লোকে বুঝতে পারে কন্টেনের ভিতরে কি আছে। তারমানে হচ্ছে পোস্ট কি নিয়ে দেখতে চাচ্ছেন ওটা যেন পাঠক আর গুগল দুইজনেই বুঝতে পারে। নিয়ম হল একটা পোস্টে শুধু একটাH1 থাকবে আপনার মেন টাইটেলে। যেমন চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে ব্লক পোস্ট লেখার নিয়ম ২০২৬। এরপর বড় বড় টপিকগুলো এইচ টু দেবেন। 

প্রতিটা h2 আর h3 এর ভেতর মেইন কিওয়ার্ড একবার করে রাখার চেষ্টা করবেন। স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন যেখানে মিলবে না সেখানে দেওয়ার দরকার নেই। আর একটা কথা হেডিং সব সময় ছোট রাখতে হবে। বেশি বড় হেডিং হলে ভালো হয় না। হেডিং এর নিচে তিন থেকে চারটা প্যারা রাখতে হবে। একসাথে কনটেন্ট লিখা যাবে না পেরা পেরা করে পোস্ট লিখতে হবে তাহলে দেখতে ভালো লাগবে আর গুগল বুঝতে পারবে না এটা এই আইডিয়া লেখা। এভাবে সাজিয়ে লিখলে গুগল আপনার পোস্ট অনেক পছন্দ করবে এবং র‍্যাঙ্কে দেবে তাড়াতাড়ি। 

ইন্টারনাল লিংক দিয়ে কিভাবে পোস্ট কে শক্তিশালী করা যায়

ইন্টার্নাল লিংক দিয়েও নিজের পোস্টকে শক্তিশালী করা যায়। ইন্টার্নাল লিংক মানে হল আপনার নিজের সাইটের একটা পোস্ট থেকে আরেকটা পোষ্টের লিংক দেওয়াকে বোঝায়। এইটা গুগল খুব পছন্দ করে আর গুগলের কাছে এটা খুব দামি একটা কাজ। যখন কোন পোস্ট লিখবেন তখন ওই পোষ্টের মধ্যে আগে যে পোস্টগুলো লিখেছিল ওই পোস্টের লিংক গুলো এখানে দুই তিনটা দিয়ে দেবেন। তবে যে পোস্ট লিখছেন সেই রিলেটেড লিংক দিলে বেশি ভালো হয়। এইটা দিলে কি হয় যখন কোন পাঠক আপনার ওয়েবসাইটে কিছু পড়তে আসে। 

পড়তে পড়তে যখন লিংক তার চোখে পড়ে ,আর লিংকটা যদি তার পছন্দ হয়ে যায় ,তাহলে সেখানে যদি ক্লিক করে তাহলে অন্য আরেকটা পোস্ট পড়বে। তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের সময়টা বেশি দিল এতে আপনার লাভ। চ্যাট জিপিটিকে দিয়ে যদি কনটেন লিখে নেন তাহলে চ্যাট জিপিটি কে বলে দেবেন , পুরা কনটেন্ট এর ভিতরে যেন কয়েকটা ইন্টার্নাল লিংক দেয়। মনে রাখবেন একটা পোস্টে তিন থেকে চারটার বেশি ইন্টার্নাল লিংক দেওয়া যাবে না। দিলেও উল্টে আপনার ওয়েবসাইটেরই ক্ষতি হবে। তবে ইন্টার্নাল লিংক যদি সঠিকভাবে দেওয়া হয় তাহলে পুরো ওয়েবসাইটের শক্তি অনেক বেড়ে যায়। 

প্লেজারিজম ছাড়া কিভাবে বোঝা যাবে লেখায় উনিক

চ্যাট জিপিটি থেকে লিখা পাওয়ার পর প্রথম কাজ হল নিজে নিজে দুই থেকে তিনবার পুরা কনটেন্ট পড়ে রিভিশন দেওয়া। ভালোভাবে দেখা কোথায় কি বাদ পরল কোথায় কি জোড়া দেওয়া লাগবে এসব কয়েকবার দেখে নিতে হবে। যেহেতু এটা চ্যাট জিপিটিকে দিয়ে লিখা, সেহেতু মাঝে মাঝে রোবটের মতো কথা হবে এটাই স্বাভাবিক। কিছু কিছু লেখা আছে যেগুলো দেখলে বোঝা যায় যে এগুলো কপি করা। আর গুগল এখন অনেক চালাক হয়ে গেছে কপি পোস্ট দেখলে সে তৎক্ষণাৎ ধরে ফেলতে পারে।

আরো পড়ুন: হারিয়ে যাওয়া ফেসবুক আইডি রিকভার করার সহজ নিয়ম

তাই পুরা কনটেন্ট লেখা হওয়ার পরে নিজে নিজেই বেশ কয়েকবার পোস্টটা রিভিশন দিতে হবে। আবার নিজের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কিছু কথা কনটেন্ট এর ভিতরে যোগ করে দেবেন। তাহলেই আপনার কনটেন্ট ৯০% ইউনিক হয়ে যাবে। আরেকটা নিয়ম হলো শ্রী টুল দিয়ে চেক করা লেখা শেষ হলেSmallseotools এটা দিয়েও চেক করা যায়। আর সব থেকে বড় প্রমাণ হলো, নিজের লেখা গুগলের সার্জে দেখুন যদি প্রথম পেজে হুবহু লাইন না পান তাহলে বুঝবেন এই লেখাটা একদম ইউনিক। আর একটা কথা মনে রাখতে হবে, ২০২৬ সালে গুগল চাই মানুষের হাতের লেখা কন্টেন।

কত শব্দের পোস্ট লিখলে দ্রুত ইনডেক্স হয়, 

২০২৬ সালের এসে বড় কষ্ট মানে ভালো হবে এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। google এখন কনটেন্ট এ কেমন হয়েছে সেটার ধরন বা কোয়ালিটি দেখে শব্দ বাস সংখ্যা দেখে না। তাই দ্রুত ইন্ডেক্স করার জন্য ১২০০ থেকে ১৮০০ শব্দ হলেই যথেষ্ট। কারণ ১২ ০০ শব্দের মধ্যে একটা বিষয় নিয়ে সম্পূর্ণ বলে কভার করা যায়। এত বড় করে কনটেন্ট লিখলে পাঠক এসে পড়তে পড়তে বিরক্ত হয়ে যাবে। তখন সে পুরা কনটেন্ট না পড়ে বের হয়ে যাবে। আবার ছোট করে লিখলেও সমস্যা তখন ভাবে আপনার পোস্টে তেমন কিছু নেই। 

আবার যদি ৩ হাজার শব্দের কনটেন্টের বা পোস্ট লিখেন তাহলে ইনটেক্স হতে প্রায় সপ্তাহখানেক লেগে যায়। আর একটা কারণ হলো শুধু শব্দ বানালে হবে না ১২০০ শব্দের ভেতর বা ১৮০০ হাতের ভেতরে অনেক সুন্দর করে সম্পূর্ণ কনটেন্ট সবকিছু দিয়ে লিখে কমপ্লিট করা যায়। আবার কনটেন্ট এর ভিতরে তো ইন্টার্নাল লিংক অবশ্যই দিতে হবে কারণ এটা দিলে আপনার কন্টেন্টের মান অনেক বেড়ে যায়। ১০০০ শব্দের ভেতরে মেন কিওয়ার্ড একবার দিতে হবে। এই নিয়ম মেনে যদি কনটেন্ট লেখা যায় তাহলে ২-৩ দিনের মধ্যে পোস্ট ইনজেকশন হয়ে যায়। 

কম্পিটিটরকে হারিয়ে উপরে রেঙ্ক করার উপায়

কম্পিটিটরকে হারানোর প্রথম নিয়ম হলো গ্যাপ বের করা। প্রথমে গুগলে গিয়ে আপনার মেইন কিওয়ার্ড লিখে প্রথম পেজের তিনটা পোস্ট পড়বেন। মনোযোগ দিয়ে পড়ে দেখবেন যে তারা কোন বিষয়টা বাদ দিয়েছে। তারা যেটা বাদ দিয়েছে সেগুলো আপনি আপনার পোস্টে যোগ করবেন আর নিজের অভিজ্ঞতার কোন কিছু লিখবেন। তখন google ভাববে এই পোস্টে বেশি ইনফো। তখন এক মাসের ভিতরে আপনার পোস্ট সবার উপরে চলে যাবে। আর একটা কথা মনে রাখবেন কখনোই কপি করবেন না বরং তাদের চেয়ে ৩০-৪০ পার্সেন্ট ভ্যালু বেশি দিবেন। 

কম্পিটিটরকে হারিয়ে নিজের পোস্ট আগে নিয়ে যাওয়ার আর একটা উপায় হল ইন্টারনাল লিংক যোগ করা। আপনার কনটেন্টে কমপক্ষে তিনটা বা চারটা ইন্টার্নাল লিংক দিবেন ।আপনি যে বিষয়ে কন্টেন্ট লিখছেন তার সাথে মিল রেখে লিংক গুলো দিলে, যারা কন্টেন্ট পড়তে আসবে তারা একটা পড়তে গিয়ে আর একটাতে ক্লিক করবে। এতে করে আপনার ওয়েবসাইট দ্রুত রাঙ্ক করবে। যখন আপনি এইসব নিয়ম গুলো মেনে কাজ করতে পারবেন তখন খুব তাড়াতাড়ি সফলতা চলে আসবে। শুধু কনটেন্ট বড় করলেই হয় না ,কনটেন্ট হতে হবে মানুষের উপকারের জন্য। 

শেষ কথা:চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে ব্লগ পোস্ট লেখার সঠিক নিয়ম এর শেষ কথা,

চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে ব্লগ পোস্ট লেখার সঠিক নিয়ম এর শেষ কথা হচ্ছে, চ্যাট জিপিটিকে দিয়ে লেখা মানে মেশিন কে দিয়ে লেখা একই কথা। চ্যাট জিপিটি থেকে আইডিয়া নিয়ে স্ট্রাকচার বানিয়ে নেবেন। তারপরে সেখান থেকে নিজের অভিজ্ঞতা নিজের ভাষা একসাথে মিলিয়ে তারপরে নিজের মতো করে লিখবেন। ২০২৬ সালে গুগল রোবটের লেখা ধরে ফেলে। তাই এ আই এর সাথে নিজের অভিজ্ঞতা দিয়েও কনটেন্ট লিখতে হবে। তবে নিয়মিত কনটেন্ট লিখলে একসময় এমনি এমনিতেই রেঙ্কে চলে আসবে।

চ্যাট জিপিটিকে ব্যবহার করে ব্লক পোস্ট লেখার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে আমি সবকিছু বলার চেষ্টা করেছি। এই লেখার মধ্যে যদি কোন ভুল ভ্রান্তি হয়ে থাকে তাহলে আমাকে মাফ করে দেবেন। কন্টেন্টের মধ্যে যদি কোন কিছু লিখতে বাদ পড়ে যায় বা কোথাও পড়তে অসুবিধা হয় তাহলে আমাকে জানাবেন আমি বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করব। তবে আমার সাধ্যমত আমি আপনাদেরকে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করেছি। তারপরেও মানুষ মাত্রই ভুল। পরবর্তীতে আরো ভালো করে লেখর চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ ।



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি যদি ইচ্ছা পুরন এর কোন পোস্টে কমেন্ট করতে চান, তাহলে এর নীতি মেনে কমেন্ট করুন। কারন প্রত্যেকটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url