ঘরে বসে এসইও করে অনলাইন ইনকাম করার উপায়

ঘরে বসে এসইও করে অনলাইন ইনকাম করার উপায় একদিন আমি অনেক খুঁজেছি আর খুঁজতে খুঁজতেই পেয়ে গেছি ঘরে বসে কিভাবে এসিও করে অনলাইন ইনকাম করা যায়। ইচ্ছা করলে আপনিও শুরু করতে পারেন। এর জন্য তেমন কোন কিছুর প্রয়োজন নেই 

ঘরে-বসে-এসইও-করে-অনলাইন-ইনকাম-করার-উপায়

শুধু প্রয়োজন একটা স্মার্টফোন সাথে নেট সংযোগ । আর আপনার ইচ্ছা শক্তি আর অনেক ধৈর্য। ধৈর্য ছাড়া কখনোই কোন কাজে সফল হওয়া যায় না। প্রথম অবস্থায় কষ্ট হলেও মাস শেষে যখন কিছু টাকা হাতে আসবে তখন সে কষ্টটা আর মনে থাকবে না। 

সূচিপত্র:ঘরে বসে এসইও করে অনলাইন ইনকাম করার উপায় সম্পর্কে চলুন জেনে আসি 

ঘরে বসে এসইও করে অনলাইন ইনকাম করার উপায় শুরু 

ঘরে বসে এসইও করে অনলাইন ইনকাম করার উপায় অনেকেই জানে না। অন্যদের কথা কি বলবো তো নিজেই জানতাম না যে ঘরে বসে বিভিন্ন ধরনের অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম করা যায়। এমনকি মোবাইল ফোনে এসইও করে মাসে ভালো টাকা ইনকাম করা যায়। যখন থেকে জানলাম তখন থেকেই শুরু করলাম সবাই যদি পারে তাহলে আমিও পারবো ইনশাল্লাহ। একটা কথা কি,প্রথম  অবস্থায় যেকোনো কাজ  কিন্তু অনেক কঠিন লাগে।  আস্তে আস্তে সেটা নিজের আওতার মধ্যে এসে যায় তখন আর ভালো লাগে না খারাপ লাগে না। 

তাই বলি ভয়ের কিছু নেই সাহস করে শুরু করে ফেলেন ইনশাল্লাহ একদিন ভালো কিছু করতে পারবেন। আর এসইও মানে হল গুগলে ওয়েবসাইটকে সবার সামনে নিয়ে আসা। তারমানে ওয়েবসাইট টা যেন সবার নজরে পড়ে সবার প্রথমে থাকে এটা করার জন্য যে যে কাজগুলো করা লাগে সেটাই হচ্ছে এসইও। অনেকেই জানে না যে এস ইউ মানে কি। আর একটা কথা কি যারা অনলাইনে বা কম্পিউটার ফ্রিল্যান্সিং সম্বন্ধে তেমন কিছু জানে না,তারা যখন এইসব শুনবে তখন তাদের কাছে সম্পূর্ণই নতুন মনে হবে। মনে হবে কতই না কঠিন। 

সত্যি কথা বলতে কি আমি যখন প্রথম অবস্থায় ফ্রিল্যান্সিং কোর্সে ভর্তি হয়েছিলাম, তখন যা বলে সবকিছুই আমার কাছে নতুন মনে হচ্ছিল কোন কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। এখন আল্লাহর রহমতে সব কিছুই বুঝতে পারি সহজও লাগে। তাই বলে আপনাদের কাছেও যারা নতুন তারা এসইও কি সেটা হয়তো বা বুঝতে পারছেন না। এটাও একটা সহজ বিষয় আস্তে আস্তে আপনাদের কাছে সব ক্লিয়ার হয়ে যাবে। আমি আপনাকে একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দেই। মনে করেন আপনি রাজশাহীর সবথেকে ভালো আম বলে সার্চ দিলেন তখন যার ওয়েবসাইটটা সবার প্রথমে আসবে সেটা গুগলের কাছে ভালো ওয়েবসাইট।

আর সেই ওয়েবসাইট থেকেই সেল বেশি হবে। কারণ মানুষ হয়তোবা আর দুই একটা ওয়েবসাইট দেখতে পারে তবে প্রথমটাতেই প্রাধান্য দিবে বেশি । আর একটা কথা মনে রাখতে হবে, যে এসিওতে তাড়াতাড়ি টাকা আসে না ধৈর্য ধরে লেগে থাকতে হয়। একবার যদি আপনার কাজ সম্পর্কে মানুষ জেনে যায় তাহলে আপনি ঘরে বসেই ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আর তার জন্য ক্লাইন ধরতে হবে। প্রথম অবস্থায় ছোট ছোট কাজ নিতে হবে যখন শিখে যাবেন তখন বড় কাজ নিবেন। 

এসইও শেখার জন্য কি কি প্রয়োজন

এসইও শেখার জন্য বেশি কিছু লাগে না। এখন কমবেশি সবার হাতেই একটা স্মার্ট ফোন থাকে। আর আপনার যদি একটা স্মার্ট ফোন থাকে আর তার সাথে নেট সংযোগ থাকলেই যথেষ্ট। তবে বাসায় যদি পিসি বা ল্যাপটপ থাকে তাহলে কাজটা আরো বেশি সহজ হয়ে যাবে। ল্যাপটপের কাজ করা মোবাইলের থেকে ভালো হয়। তবে যদি ল্যাপটপ না থাকে তাহলে মোবাইলে করতে পারবেন।তার পাশাপাশি লাগবে আপনার ইচ্ছা শক্তি আর  ধৈর্য, মোবাইল আছে নেট সংযোগ আছে কিন্তু আপনার ইচ্ছা নেই বা ধৈর্য নেই তাহলে এই কাজ করে কখনোই সফল হতে পারবেন না।

আপনার যদি ইচ্ছাশক্তি থাকে, আর প্রতিদিন দুই থেকে তিন ঘন্টা সময় এর পেছনে ব্যয় করতে পারেন তাহলে ইনশাল্লাহ  আপনি ১-২ মাসের মধ্যেই  কাজ শিখে যাবেন। যদি কোন কোর্সে ভর্তি না হয়ে শিখতে চান তাহলে ইউটিউবে বাংলা টিউটোরিয়াল গুগলের  ফ্রি কোর্স আর কিছু ব্লগ পোষ্ট পড়লেই বেসিক ধারনাটা ক্লিয়ার হয়ে যাবে। টাকা দিয়ে কোর্স করে এসইও শিখতে হবে তার কোন কথা নেই। একটু কষ্ট করে যদি youtube এ গুলো করা যায় মনোযোগ সহকারে তাহলে শিখায় নিতে পারবেন। একটা কথা মনে রাখতে হবে এসইও একদিনে বা কয়েকদিনে শেখা যায় না। তার জন্য ধৈর্য দরকার। 

ফাইবার থেকে টাকা ইনকাম করার উপায়

ফাইবার কি এটা এখনো অনেকেই জানেনা , মানুষের কথার কি বলবো আমি তো নিজেই জানতাম না নতুন অবস্থায়। যাইহোক ফাইবার হল, অনলাইনে ইনকাম করার অনেক বড় দোকান। সারা বিশ্ব থেকেমানুষ এখানে এসে তাদের ছোট ছোট কাজের জন্য লোক খোঁজে। বিভিন্ন কাজের জন্য মানুষ বিভিন্ন ধরনের লোক খুঁজে। কেউ ইউটিউবে থাম্বেল বানানোর জন্য, আবার  কেউ লোগো বানানোর জন্য,আবার কেউ  কারো দোকানের নাম সুন্দর করে লিখে দেওয়ার জন্য।আবার কেউ ওয়েবসাইট বানানোর জন্য ওয়েবসাইট ঠিক করে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের লোক খোঁজে। 

আপনি যদি এইসব গুলোর মধ্যে কোন এক পারদর্শী হন বা যেকোন একটা কাজ আপনার করতে ভালো লাগে, তাহলে সেই স্কিন টাকে  কাজে লাগিয়ে আপনি ফাইবারে বিক্রি করতে পারেন  । অনেকে আছে যে ছবি আঁকতে পছন্দ করে, কেউ গল্প লিখতে পছন্দ করে, কেউ বা ভিডিও এডিটিং করতে পছন্দ করে, ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ করতে পছন্দ করে। এর মধ্যে আপনার যেটা ভালো লাগে সেইটা নিয়ে কাজ করতে পারেন তারপরে সেই স্কিলটাকে বিক্রি করতে পারেন। প্রথমে ফ্রিতে একটা অ্যাকাউন্ট খুলে আপনার কাজের দুই তিনটা নমুনা সাজিয়ে রাখবেন। যাতে করে মানুষ এইগুলো দেখে পছন্দ করে। 

কেউ যদি আপনার কাজ পছন্দ করে, মেসেজ কাজ দেবে আর কাজ শেষে ডলার পেমেন্ট করবে এসব কথা বলে তাহলে আপনি কাজটা ধরে নিবেন। ফাইবার থেকে টাকা পেতে হলে আগে একটা কাজ খুব ভালোভাবে শিখে নিতে হয়। ইউটিউব দেখে বা ফ্রি কোর্স করে কি বাপ হয় রেকর্ড করা শিখলে ভালো হয়। এসব শিখে সুন্দর করে প্রোফাইলটা সাজিয়ে রাখবেন যাতে করে মানুষ দেখেই যেন বুঝতে পারে আপনি কাজগুলো করতে পারেন।প্রথমে কয়েকটা কাজ করলে রিভিউ ভালো আসে আর এই রিভিউ গুলো দেখে অর্ডারের পরিমাণ বেড়ে যাবে। 

পড়াশোনার পাশাপাশি এসিও করে টাকা ইনকাম করার উপায়

পড়াশোনার পাশাপাশি এসইও করে ইনকাম করার সবচেয়ে সহজ রাস্তাটা হল কনটেন্ট লিখে টাকা ইনকাম করা। তার জন্য প্রথমে ভালো মানের কনটেন্ট লেখা শিখতে হবে। অনেক ছোট ছোট ব্যবসায়ী আছে যাদের ওয়েবসাইট আছে কিন্তু লেখা গুগলের রেংক করে না, আর কিভাবে রান করবে সেটাও জানে না। তারা এমন একজন মানুষ খুঁজে, যে যে মানুষ কি লিখে সার্চ করে আর সেই আর্টিকেল লিখে সুন্দর করে সাজাতে পারে। যারা এ কাজগুলো করতে পারে তাদের জন্য কনটেন্ট রেংক করানো কোন ব্যাপার না। 

আপনি ইচ্ছা করলে দিনে ৪০-৫০ মিনিট সময় দিয়ে ফ্রি  টুলস ব্যবহার করে, কিওয়ার্ড বের করে তার সাথে একটা সুন্দর হেডিং ঠিক মতো শিখে নিতে পারলেই আপনিও কাজ ধরতে পারবেন। এটা করা প্রথমে কঠিন লাগলেও আস্তে আস্তে সহজ হয়ে যাবে। কোন কাজেই প্রথমে সহজ থাকে না তাকে সহজ করে নিতে হয়। তাই ধৈর্য ধরে নিয়ম মেনে আর্টিকেল লিখলে গুগলে র‍্যাঙ্ক করানো সম্ভব। আর আর একটা উপায় হল এসইও সার্ভিস দেওয়া। ধরেন আপনার কোন এলাকার দোকান, কোচিং সেন্টার বা রেস্টুরেন্টের google map profile ঠিক করে দিয়ে ও টাকা ইনকাম করা যায়। 

এসইও এর কাজ কিভাবে শেখা যায়

এসইউ এর কাজ অনেক ভাবেই শেখা যায়। আপনার যদি টাকা থাকে তাহলে অনেক কোর্স আছে যেগুলো টাকা দিয়ে শেখা যায় সেখানে আপনি এসইও শিখে কাজ করতে পারেন। রাজশাহীতে এরকম অনেক ভালো ভালো প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলোতে এসইও শিখে আপনি ভালো পজিশনে যেতে পারেন। তারপরে আপনি যদি মনে করেন যে প্রথমে আমি শিখব না তাহলে ইউটিউব আর গুগলকে আপনি আপনার মাস্টার বানিয়ে নিতে পারেন। এখন youtube, google এ প্রায় সব বিষয়েই সুন্দর সমাধান দিয়ে থাকে। এমনকি এসইও ফ্রি শেখা যায়।

আরো পড়ুন :উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি 

আপনি ইচ্ছা করলে প্রথমে টিউব গুগলে এসইও শিখে অল্প অল্প করে কাজ নিয়ে করতে পারেন। এক সময় দেখবেন আপনি অনেক এক্সপার্ট হয়ে গেছেন।শুধু ইউটিউব আর গুগল এ ভিডিও দেখেলেইহবে না। ভিডিও দেখে যেটা শিখলেন সেটা পারছেন কিনা প্র্যাকটিস করতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে এক থেকে দুই ঘন্টা সময় এর পেছনে ব্যয় করতে হবে। মনোযোগ সহকারে ভিডিও দেখতে হবে সেটা আবার চর্চা করতে হবে। আজকে যদি কিওয়ার্ড রিসার্চ করেন কালকে সেটা অপটিমাইজেশন করতে হবে। এভাবে ধাপে ধাপে কাজগুলো করে এগিয়ে যেতে হবে। 

এসিও করে গুগল থেকে যেভাবে টাকা আয় করা যায়

গুগল থেকেও এসিও করে টাকা আয় করতে চাইলে গুগলে একটা ওয়েবসাইট খুলতে হবে। আপনি যে বিষয় সম্পর্কে লিখতে চান বা বলতে চান সেই বিষয়টা নিয়ে লিখতে হবে। আমি একটু ক্লিয়ার করে দেই, বিষয়গুলো হলো যেমন রান্নাবান্না, স্বাস্থ্য সম্পর্কে, বিদেশ ভ্রমণ সম্পর্কে, অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে আরো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আপনি লিখতে পারেন।তবে এর মধ্যে যেটা আপনার কাছে বেশি ভালো লাগবে সে বিষয়টা নিয়ে লিখলে বেশি ভালো হয়।

 একটা বিষয় বেছে নিয়ে ওইটা লিখে ভালোভাবে এসিও করে গুগলের প্রথম পেজে নিয়ে আসতে হবে। আপনার লেখা ওয়েবসাইট যখন গুগলের প্রথম পেজে আসবে তখন গুগল এডসেন্সের অ্যাড দেখাবে। আর সেই এড এর উপরে যদি কেউ ক্লিক করে তাহলে আপনার একাউন্টে জমতে থাকবে। এভাবে যত বেশি মানুষ আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকে লেখাগুলো পড়ার সময় অ্যাড এ ক্লিক করবে, তত বেশি আপনার ডলার যোগ হবে। এভাবে করতে করতে মাস শেষে মোটামুটি একটা এমাউন্ট আপনি হাতে পেয়ে যাবেন। যখন ডলারগুলো জমবে মাস শেষে আপনি ব্যাংকে গিয়ে টাকাগুলো তুলে নিবেন। 

এসিও করে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটিং থেকে টাকা আয় করার উপায়

এসইও করে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস থেকে ও টাকা আয় করা যায়। তবে এভাবে আয় করতে হলে আগে আপনাকে বুঝতে হবে ক্লায়েন্টের সমস্যা কোথায়, ক্লাইন্ট কি সমস্যায় ভুগছে।হাজার হাজার মানুষ ফাইবার অ্যাপওয়ার্কে যাদের ওয়েবসাইট আছে কিন্তু তাদের ওয়েবসাইট গুগলে দেখা যায় না। নিশ্চয় তাদের ওয়েবসাইট ভালোভাবে এসিও করা নেই। যে বিষয়ে তারা লিখেছে সে বিষয়টা ভালোভাবে এসইও করা নেই তাই তাদের ওয়েবসাইট গুগলের প্রথম পেজে আসেনা। 

ঘরে-বসে-এসইও-করে-অনলাইন-ইনকাম-করার-উপায়

আর তারা এমন কাউকে খুঁজে যে তাদের সাইটের ভুলগুলো ধরিয়ে দিয়ে,ভালো ভালো কিওয়ার্ড রিসার্চ করে নতুন আর্টিকেল লিখে দিতে পারে। যাতে করে অনেক তাড়াতাড়ি তাদের ওয়েবসাইট কে  গুগলের প্রথম পেজে রেঙ্ক  করতে পারে। এখনো অনেক মানুষ আছে যারা এসইও এক্সপার্ট খোঁজে তাদের সাইটকে রেঙ্ক করানোর জন্য। তাই আপনার পেজেকয়েকটা  কাজের নমুনা দিয়ে রাখবেন। অন পেজ এসইও, ব্লগ এসইও নামে গিগ খুলবেন। প্রথমে ছোট ছোট কাজ ধরার চেষ্টা করবেন। ছোট কাজগুলো দিয়ে শুরু করে আস্তে আস্তে বড় কাজ ধরতে পারবেন। 

আর একটা কথা শুধু দিক খুলে বসে থাকলে হবে না নিজেকেও চেষ্টা করতে হবে, নিজেকে প্রচার করতে হবে।প্রতিদিন মার্কেটপ্লেসে গিয়ে ক্লাইন্টরা কি চাচ্ছে সেটা আপনাকে জানতে হবে। ক্লাইন্ট কি চায় সেটা জেনে সেই রকম ভাবে কাজ করে তাকে দিতে হবে। মাঝে মাঝে ফেসবুক গ্রুপে নিজের কাজের স্কিনশট শেয়ার করবেন। তাহলে হবে কি আপনার কাজ দেখে কারো পছন্দ হলে আপনাকে নক করবে।এভাবে আপনার অনেক ভিজিটর এনে দেবে। এভাবে যদি কয়েকটা ক্লায়েন্ট পেয়ে যান তাহলে প্রতি মাসে একটা অ্যামাউন্ট হাতে পাবেন। 

ফ্রি টুলস দিয়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে টাকা আয় করার নিয়ম

ঘরে বসে এসিও করে অনলাইন ইনকাম করার উপায় জানার মধ্যে এটিও পড়ে।কারণ কোন কনটেন্ট লিখতে গেলে প্রথমেই ভালো একটা কিওয়ার্ড লাগে। আর ভালো কিওয়ার্ড এমনিতেই চলে আসে না তাকে রিসার্চ করতে হয়। আর কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য গুগল ক্রমে কয়েকটা ফ্রি ওয়েবসাইট আছে, যেমন ওভার Uber suggest, keyword generator, ফ্রিতে কি ওয়ার্ড রিসার্চ  করা যায়। এই ওয়েবসাইট গুলো ল্যাপটপ বা পিসিতে  ওপেন করে বিভিন্ন কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিতে হবে। 

তার ভলিউম দেখতে হবে তার কম্পিটিশন কেমন আছে সেই লিস্ট গুলো লিখে রাখবেন। কারণ কম্পিটিশন কম থাকলে, সেই কি ওয়ার্ড দিয়ে যদি কন্টেন্ট লেখা হয় তাহলে খুব তাড়াতাড়ি গুগলের রেঙ্ক  করার সম্ভাবনা থাকে।আর অনেক ক্লাইন্ট এটাই বুঝতে পারে না যে শব্দে লিখলে ওয়েবসাইটগুলো গুগলের উপরে আসবে। এজন্য অনেক ক্লাইন্ট আছে যারা এমন কাউকে খোঁজে যাদের কাছ থেকে ভালো কিওয়ার্ড নিতে পারে। অনেক ভালো ভালো কিওয়ার্ড রিসার্চ করে সেটাও বিক্রি করতে পারবেন। 

কিওয়ার্ডগুলো রিসার্চ  করা হলে যদি আপনি খাতায় অথবা গুগল সিটে লিস্ট করে রাখতে পারেন তাহলে এক সময় এটা আপনার কাজে লাগবে। কেউ যদি যাই তাহলে আপনি সেখান থেকে বিক্রি করতে পারবেন। আবার সেই কি ওয়ার্ড গুলো দিয়ে নিজেও কনটেন্ট লিখে নিজের ওয়েবসাইটে পাবলিস্ট করতে পারবেন। এভাবে করতে করতে যখন নিজের ওয়েবসাইটে কনটেন্ট গুলো রেঙ্ক করবে তখন ওইখান থেকেও টাকা ইনকাম হওয়া শুরু হবে। আবার অনেক ইউটিউবার বা ব্লগার আছে যারা সময়ের অভাবে ওয়ার্ড রিচার্জ করতে পারে না। তখন তারা মাসে মাসে টাকা দিয়ে একই ওয়ার্ড গুলো কিনে নেয়। এভাবে কিওয়ার্ড দিয়ে ও  টাকা ইনকাম করা যায়। 

ঘরে বসে এসইও করে অনলাইন ইনকাম করার উপায় এর সহজ পদ্ধতি

ঘরে বসে এসইও করে অনলাইন ইনকাম করার উপায় এর সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো কন্টেন্ট লিখে ইনকাম করা।অনেকে কনটেন্ট লিখতে পছন্দ করে তাদের জন্য এটা অনেক ভালো। তা না হলে যেটা ভালো লাগে সে সম্পর্কে ছোট ছোট আর্টিকেল লিখে শ্রী টোস্ট দিয়ে গুগলে সার্চ দিয়ে দেখতে হবে ওই বিষয়ে গুগল এ কি বলে সার্চ দিয়েছে। হে কিওয়ার্ডগুলো আর্টিকেলের টাইটেলে বসিয়ে দিতে হবে। আর্টিকেলের টাইটেলটা অনেক লোভনীয় করে লিখতে হবে।যাতে করে মানুষ এক নজর দেখলেই পড়তে জেনো ইচ্ছুক হয়। 

এরকম করতে করতে যদি কনটেন্ট গুলো google এ রেঙ্ক করে তাহলে ভিজিটর আস্তে আস্তে বাড়তে থাকবে। এভাবে যখন ভিজিটর আসার শুরু হবে তখন গুগলের এডসেন্স এর অ্যাকাউন্ট টা খুলে নিতে হবে। তাহলে ওয়েবসাইটে ঢুকতে লাগলে বিজ্ঞাপন দেখা যাবে। আর বিজ্ঞাপনে যদি ক্লিক করা হয় তখনই একাউন্টে ডলার জমা হবে। এভাবে মানুষ যত বেশি বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে আপনার একাউন্টে ডলার জমা হতে থাকবে। যখন বলার একটু বেশি হবে তখন তুলে নিতে পারবেন। তবে এই কাজের জন্য অবশ্যই ধৈর্য ধারণ করতে হবে। তাড়াতাড়ি এসইও করে ইনকাম করা যায় না। 

ব্যাকলিংক বানিয়ে ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করানোর উপায়

ব্যাক লিংক  এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটের র‍্যাঙ্ক করানো সম্ভব, ব্যাকলিংক মানে হচ্ছে, আপনার ওয়েবসাইটের লিংক অন্য ওয়েব সাইট থেকে পাওয়া যায়। তার মানে হচ্ছে অন্য কারো ওয়েবসাইটে যেন আপনার ওয়েবসাইটের লিংক টা থাকে। এটাকে বলে ব্যাকলিংক। এর জন্য যত বেশি ভালো সাইটে আপনার লিংক থাকবে,google তত বেশি বিশ্বাস করবে যেআপনার ওয়েবসাইট একটা ভালো ও দরকারী সাইট।প্রথম অবস্থায় ব্যাক লিংক দেওয়া খুবই কঠিন কাজ হয়ে যায়। 

কারণ মানুষের সাথে তেমন কোন পরিচয় থাকে না আর সবাই নিজের ওয়েবসাইটের মধ্যে ব্যাকলিংক দিতে চায় না। তবে নিজেকে বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করতে হবে। যাদের ওয়েবসাইটে ব্যাকলিংক নিবেন তাদের নিজের সাথে মিল রেখে একটা ব্লগার  ওয়েবসাইট খুঁজে বের করবেন তারপরে সুন্দর আর্টিকেল লিখে একটা ফ্রিতে দিয়ে বলবেন আমার ওয়েবসাইটের লিংকটা আপনার কন্টেনের ভিতর দিয়ে দিয়েন তো। এভাবে যদি ১০-১৫টা  ব্যাকলিংক দিতে পারেন তাহলে আস্তে আস্তে কনটেন্ট ব্যাঙ্কে যাবে। 

নিজের ব্লগ ওয়েবসাইট বানিয়ে এসইও করে আয়

নিজের ওয়েবসাইট বানিয়ে এসিও করে যদি ইনকাম করতে চান তাহলে প্রথমে আপনাকে একটা নিশ ঠিক করতে হবে। নিশ আসলে কি এটা অনেকেই বোঝেন না। নিশ হলো একটা নির্দিষ্ট কোন কিছু করা। যেমন আপনি যদি লেখালেখি করতে ভালোবাসেন তাহলে লেখালেখি করবেন, যদি রান্না বান্না ভালো লাগে তাহলে সেই কাজটাই করবেন, আবার যদি কাউকে পড়ানো ভালো লাগে তাহলে সেই কাজটাই করবেন। এজন্য ফ্রিতে একটা ওয়েবসাইট খুলবেন।

আরো পড়ুন : Shopify স্টোরে প্রোডাক্ট যোগ করার ধাপ

 খোলার পরে দেখতে হবে মানুষ কি লিখে বেশি সার্চ  দেয়। তবে সেটার কম্পিটিশন একদম লো থাকতে হবে তাহলে খুব তাড়াতাড়ি google রেংক দিবে।এভাবে কাজ করে যদি ওয়েবসাইট প্রথম পেজে যায় আস্তে আস্তে ইনকামও বাড়বে। নতুনদের বা বেকারদের জন্য এরকম লোক কম্পেটিশন কিওয়ার্ড এসইও করে খুব দ্রুত ইনকাম করা যায়। কারণ যে কিওয়ার্ডগুলোর কম্পিটিশন একদম লো থাকে এই ওয়ার্ডগুলো গুগল খুব তাড়াতাড়ি র‍্যাংক দেয়।এটা থেকেও ইনকাম করা সম্ভব। এরপরে গুগল এডসেন্সের অ্যাকাউন্ট খুলে রাখতে হবে।

তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দেখাবে আর যারা এই বিজ্ঞাপনের উপরে ক্লিক করবে তখন আর একাউন্টে ডলার জমা আছে থাকবে। তবে ইনকামের জন্য শুধু বিজ্ঞাপনের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না। নিজেকেও চেষ্টা করতে হবে কিভাবে ট্রাফিক নিয়ে আসা যায়। যখন ওয়েবসাইট রাঙ্কে যায় তখন কিছু কিছু করে আস্তে থাকে। তারা আপনাকে নক দিয়ে বলবে আমাদের জন্য একটা রিভিউ লিখে দেন, যখন আপনি রিভিউ লিখে দেবেন এখান থেকেই আপনার ভালো টাকা ইনকাম হবে।আবার যেসব আর্টিকেল গুলোপুরনো হয়ে গেছে সেগুলো আপডেট করলে এখান থেকেও টাকা আয় করা যায়। 

নিজের ব্লগার ওয়েবসাইট  দিয়ে আয় করার উপায়

নিজের একটা ব্লগার ওয়েবসাইট খুলে সেখান থেকেও আয় করা যায়। ব্লগার ওয়েবসাইট দিয়ে ইনকাম করতে চাইলে প্রথমেই বিশ্বাসটা অর্জন করতে হবে। বিশ্বাসটা কিভাবে অর্জন করবেন, মনে করেন আপনি সমস্যার সমাধানমূলক পোস্ট করবেন। কি কাজ করলে সফল হওয়া যায়। youtube বা ফেসবুক কি কারনে ভালো ফলাফল দিচ্ছে না। ফ্রিল্যান্সিং করে যারা প্রথম অবস্থায় ভুল করে বসে এইসব সমস্যার সমাধান নিয়ে লিখবেন। কিভাবে কাজ করলে ইউটিউব চ্যানেল অনেক ভালো ভাবে এদিকে এগিয়ে যাবে। 

এইসব সমস্যার মধ্যে অনেক মানুষই পড়ে। তাই এই সমস্যার সমাধান গুলো নিয়ে যদি লিখা যায় তাহলে তারা আপনার কথা শুনবে। আর এভাবে যদি তাদের বিশ্বাসটা অর্জন করতে পারা যায় তাহলে ট্রাফিক এমনি এমনি আপনার কাছে চলে আসবে।ট্রাফিকের সাথে কখনো খারাপ ব্যবহার করা যাবে না। তাদের সাথে সুন্দর ব্যবহার করে প্রথম অবস্থায় অল্প টাকা দিয়ে তাদেরকে কাজ দিলে, তারা অনেক ভালো রিভিউ দিবে। আরে ভালো রিভিউতে আরো অনেকটা পিক আপনাকে নক দিবে। এভাবে আস্তে আস্তে আপনার ট্রাফিকের অভাব হবে না ইনকামও বাড়তে থাকবে। 

ইউটিউব ভিডিও এসইও করে ভিউ বানানোর উপায়

এসইওএটা কিভাবে করতে হয় সেটা অনেকেই জানে না। কাজটা অনেক সহজ হলেও নতুন অবস্থায় আসলে অনেক কঠিন লাগে। এটা জানা কথা যে, প্রথম প্রথম সব কিছুই একটু কঠিন হয়। পরবর্তীতে সেটা অনেক সহজ হয়ে যায়। ইউটিউব ভিডিও এসইও করার মানে হলো ভিডিওটা অনেক সুন্দর ভাবে সাজানো।ভিডিওটা এডিট করা, তারপরে ভিডিওটার প্রথমেটাইটেল এমন আকর্ষণীয়ভাবে দিতে হবে যেটা লিখে মানুষ সার্চ দেয়।আর ভিডিওর ডেসক্রিপশন প্রথম দুই লাইনে এমনভাবে দিতে হবে যাতে বোঝা যায় ভিডিওটা কিসের জন্য বানানো হয়েছে। 

আবার ট্যাগে পাঁচ-ছয়টা ওই রিলেটেড শব্দ দিতে হবে। আর থাম্বেনেইলে বড় বড় করে শব্দ লিখে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। যাতে মানুষ থাম্বেল টা দেখেই ভিডিওটা দেখার ইচ্ছা জাগে । আর একটা  আরেকটা টিপস হচ্ছে  ভিডিওর হুক। প্রথম তিন থেকে চার সেকেন্ডের ভিডিওর হুক হতে আকর্ষণীয়। যেন কয়েক সেকেন্ড ভিডিও দেখে মানুষের আগ্রহ জাগে পুরা ভিডিওটা দেখার জন্য। প্রথম ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই ভিডিওর গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো তুলে ধরতে হবে। যাতে করে মানুষ বিরক্তবোধ না হয় বরং ভিডিওটা দেখার আগ্রহ জাগে। আর প্রথমে যদি মানুষ বিরক্ত বোধ হয়ে যায় তাহলে পুরো ভিডিও দেখবে না। আর গুগল ওই ভিডিও কখনোই  সাজেস্ট করবে না। 

শেষ কথা :ঘরে বসে এসইও করে অনলাইন ইনকাম করার উপায় এর শেষ কথা

ঘরে বসে এসইও করে অনলাইন ইনকাম করার উপায় এ সম্পর্কে গিয়ে শেষে এ কথাগুলোশেষ কথা না বললেই নয়। আমরা সমস্ত কন্টেন্ট লিখে এটাই বুঝতে পারলাম যে, প্রথমে নিশ ঠিক করতে হবে আপনি কোন নিশ নিয়ে কাজ করবেন। আবার বড় বড় টপিক বাদ দিয়ে ছোট ছোট বিষয় নিয়ে লিখতে হবে। আর লো কম্পিটিশন কিওয়ার্ড রিসার্চ করে সেই কীওয়ার্ডগুলো দিয়ে আর্টিকেল লিখতে হবে। এভাবে ১০ থেকে ১৫ টা পোস্ট করলেই কয়েক মাসের মধ্যেই গুগল থেকে ভিজিটর আসতে শুরু করবে। আর ভিজিটর আসা মানেই ইনকামের রাস্তা পরিষ্কার হওয়া। 

ঘরে বসে এসিও করে অনলাইন ইনকাম করার উপায় এই সম্পর্কে মোটামুটি ভাবে বোঝানোর বা বলার চেষ্টা করেছি। তারপরেও যদি দেখতে গিয়ে কোন জায়গায় কোন কিছু বাদ পড়ে যায়, বা লেখার মাঝে কোন ভুল থেকে থাকে তাহলে আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।আমি সাধ্যমত সবকিছু বুঝিয়ে বলার। তারপরেও যদি আপনাদের বুঝতে কোন জায়গায় সমস্যা হয় তাহলে আমাকে জানাবেন। আমি সবকিছু বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।  



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি যদি ইচ্ছা পুরন এর কোন পোস্টে কমেন্ট করতে চান, তাহলে এর নীতি মেনে কমেন্ট করুন। কারন প্রত্যেকটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url