উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি
গউইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি জানা থাকলে ঘরে বসেই পিসি ফরম্যাট দেওয়া যায়। অনেকেই ভাবে ইন্সটল করতে গেলে সব ডাটা ডিলিট হবে। আসলে C ড্রাইভ ব্যাকআপ রাখলে বাকি ড্রাইভ নিরাপদ থাকে। অফিসিয়াল ISO, বুটেবল USB আর BIOS সেটিং ঠিক থাকলে 30 মিনিটেই কাজ শেষ। নতুন ইউজারও এই নিয়মে একবারেই সফল হবে।
ইন্সটলের আগে পিসির রিকোয়ারমেন্ট চেক করতে হবে। TPM 2.0 আর Secure Boot নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। BIOS থেকে সহজেই এনাবল করা যায়। পুরনো পিসি হলে Rufus দিয়ে বাইপাস অপশন আছে। নিচে A to Z স্টেপ সহজ ভাষায় লেখা হলো। স্টেপ বাই স্টেপ ফলো করলে টেকনিশিয়ান ছাড়াই কাজ হবে।
সূচিপত্র: উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি
- উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি ও রিকোয়ারমেন্ট চেক
- Microsoft থেকে অরিজিনাল ISO ফাইল ডাউনলোড
- Rufus দিয়ে বুটেবল USB তৈরি করার নিয়ম
- BIOS থেকে Boot Menu ওপেন করে USB সিলেক্ট
- ক্লিন ইন্সটল ও ড্রাইভ পার্টিশন করার স্টেপ
- OOBE সেটআপ ও লোকাল অ্যাকাউন্ট বানানো
- ড্রাইভার ও Windows Update আপডেট করা
- Windows 11 একটিভেশন ও লাইসেন্স দেওয়া
- পারফরম্যান্স অপটিমাইজ করে পিসি ফাস্ট করা
- কমন এরর ও সহজ সমাধানের উপায়
- পুরনো পিসিতে TPM বাইপাস ইন্সটল মেথড
- শেষ কথা: উইন্ডোজ ১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি
উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি ও রিকোয়ারমেন্ট চেক
উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি শুরু হয় পিসির হার্ডওয়্যার চেক দিয়ে। Microsoft এইখানে বলছে কম পক্ষে লাগবে 4GB RAM, 64GB স্টোরেজ, TPM 2.0, Secure Boot এবং 1GHz ডুয়াল কোর প্রসেসর। PC Health Check অ্যাপ দিয়ে 1 মিনিটে কম্পাটিবিলিটি টেস্ট করা যায়। রিকোয়ারমেন্ট মিল না করলে ইন্সটল অপশন ব্লক হয়ে যাবে। তাই আগে BIOS থেকে TPM ও Secure Boot এনাবল করতে হবে। C ড্রাইভের দরকারি ফাইল D বা E ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখতে হবে। 8GB পেনড্রাইভ রেডি রাখতে হবে বুটেবল বানানোর জন্য। প্রস্তুতি ছাড়া ইন্সটল দিলে মাঝপথে আটকে যাবে। রিকোয়ারমেন্ট ক্লিয়ার না থাকলে এরর আসা স্বাভাবিক। তাই আগে সব চেক করে নিতে হবে।
BIOS ওপেন করতে পিসি অন করার সময় Del, F2 বা F12 চাপতে হবে। মাদারবোর্ড ভেদে কী আলাদা হয়। Security ট্যাবে গিয়ে TPM Device বা PTT অপশন Enable করতে হবে। Intel CPU তে PTT আর AMD তে fTPM লেখা থাকে। Boot ট্যাব থেকে Secure Boot On করতে হবে। F10 চেপে সেভ করে Exit দিলে সেটিং সেভ হবে। রিস্টার্টের পর PC Health Check দিলে "Can run Windows 11" লেখা আসবে। রিকোয়ারমেন্ট ক্লিয়ার থাকলে ইন্সটল 100% স্মুথ হবে। কোনো এরর ছাড়া কাজ শেষ হবে। TPM না থাকলে Rufus দিয়ে বাইপাস করতে হবে। পুরনো পিসিতেও এভাবে ইন্সটল সম্ভব।
Microsoft থেকে অরিজিনাল ISO ফাইল ডাউনলোড
অরিজিনাল Windows 11 ISO Microsoft এর অফিসিয়াল সাইট থেকেই নামাতে হবে। থার্ড পার্টি সাইট থেকে নামালে ভাইরাস ও ক্র্যাক ফাইল আসবে। Microsoft এর "Download Windows 11 Disk Image" পেজে গিয়ে Edition সিলেক্ট করতে হবে। Windows 11 Pro বা Home যেটা দরকার সেটা নিতে হবে। ভাষা English International সিলেক্ট করলে সব সফটওয়্যার সাপোর্ট করবে। 64-bit ভার্সন ডাউনলোড করতে হবে। ফাইল সাইজ 5.5GB তাই ভালো নেট লাগবে। ডাউনলোড শেষে সেফ ফোল্ডারে রাখতে হবে। ডাউনলোড ম্যানেজার ব্যবহার করলে স্পিড বাড়বে। রাতে ডাউনলোড দিলে ডাটা কম খরচ হবে।
ISO ফাইল কারাপ্ট কিনা চেক করতে SHA-256 হ্যাশ মিলিয়ে নিতে হবে। PowerShell ওপেন করে `Get-FileHash` কমান্ড দিলে হ্যাশ কোড আসবে। Microsoft সাইটের হ্যাশের সাথে মিললে ফাইল 100% ঠিক আছে। পাইরেটেড ISO তে ম্যালওয়্যার থাকে যা পাসওয়ার্ড চুরি করে। অরিজিনাল ফাইল দিয়ে ইন্সটল দিলে আজীবন ফ্রি আপডেট পাওয়া যাবে। লাইসেন্স কী পরে দিলেও Windows ফুল ফিচারে চলবে। তাই সবসময় http://microsoft.com থেকেই ডাউনলোড করতে হবে। কারাপ্ট ফাইল দিয়ে বুটেবল বানালে ইন্সটল ফেইল হবে। হ্যাশ মিলানো একটা গুরুত্বপূর্ণ স্টেপ।
আরো পড়ুন:Windows 11 রিকোয়ারমেন্ট ছাড়া চলবে কিনা চেক
Rufus দিয়ে বুটেবল USB তৈরি করার নিয়ম
Rufus দিয়ে 10 মিনিটে বুটেবল USB বানানো যায়। Rufus এর পোর্টেবল ভার্সন নামিয়ে ওপেন করতে হবে। Device সেকশনে 8GB পেনড্রাইভ সিলেক্ট করতে হবে। Boot Selection এ ডাউনলোড করা ISO ফাইল সিলেক্ট করতে হবে। Partition Scheme GPT ও Target System UEFI সিলেক্ট করতে হবে। নতুন পিসির জন্য এই সেটিং পারফেক্ট। Start ক্লিক করলে সব ডাটা ডিলিট হবে, Yes দিতে হবে। 8-10 মিনিটে "Ready" লেখা আসবে। পেনড্রাইভের স্পিড ভালো হলে সময় কম লাগবে। USB 3.0 পোর্ট ব্যবহার করলে ফাস্ট হবে।
পুরনো পিসিতে TPM না থাকলে Rufus এর Image Option থেকে Extended Windows 11 Installation সিলেক্ট করতে হবে। এতে TPM, RAM, Secure Boot চেক বাদ যাবে। Remove requirement for 4GB+ RAM অপশনও টিক দেওয়া যায়। এভাবে বানানো USB দিয়ে যেকোনো পিসিতে ইন্সটল দেওয়া যায়। বুটেবল শেষ হলে USB খুলে রাখতে হবে। ভুল Partition Scheme সিলেক্ট করলে পিসি USB বুট নেবে না। তাই GPT+UEFI ঠিক রাখতে হবে। MBR সিলেক্ট করলে UEFI পিসিতে কাজ করবে না। সেটিং ডাবল চেক করে নিতে হবে।
BIOS থেকে Boot Menu ওপেন করে USB সিলেক্ট
পিসি বন্ধ করে বুটেবল USB পোর্টে লাগাতে হবে। পাওয়ার বাটন চেপে সাথে F12,F11 বা Escচাপতে হবে। এতে Boot Menu আসবে। Boot Menu তে USB নামের ডিভাইস সিলেক্ট করে Enter চাপতে হবে। USB লিস্টে না আসলে BIOS থেকে Boot Priority চেঞ্জ করতে হবে। UEFI USB অপশন 1 নম্বরে রাখতে হবে। Legacy Boot Off রাখলে ভালো। F10 দিয়ে সেভ করলে পিসি USB থেকে বুট শুরু করবে। সামনের পোর্টে সমস্যা হলে পেছনের পোর্ট ব্যবহার করতে হবে। USB 2.0 পোর্ট বেশি স্ট্যাবল।
Windows Setup এর নীল লোগো আসলে বুঝতে হবে বুট সাকসেস। "Press any key to boot from USB" লেখা আসলে যেকোনো কী চাপতে হবে। কী না চাপলে পিসি পুরনো Windows এ ঢুকে যাবে। ল্যাপটপে Fn+F12 চাপতে হতে পারে। ডেস্কটপে Del চেপে BIOS এ ঢুকে Boot অপশন ঠিক করতে হবে। Boot Menu থেকে সিলেক্ট করলে BIOS পার্মানেন্ট চেঞ্জ হয় না। এভাবে টেম্পোরারি বুট করাই নিরাপদ। ইন্সটল শেষে USB খুলে ফেলতে হবে। বুট না হলে Secure Boot Off করে ট্রাই করতে হবে।
আরো পড়ুনঃBIOS থেকে USB বুট না হলে করণীয়
ক্লিন ইন্সটল ও ড্রাইভ পার্টিশন করার স্টেপ
Windows Setup ওপেন হলে ভাষা, টাইম ও কীবোর্ড সিলেক্ট করে Next দিতে হবে। Install Now ক্লিক করলে প্রোডাক্ট কী চাইবে। কী না থাকলে I don't have a product key ক্লিক করতে হবে। Windows 11 Pro সিলেক্ট করে লাইসেন্স টার্ম Accept করতে হবে। Custom: Install Windows only সিলেক্ট করতে হবে। Upgrade দিলে পুরনো জাঙ্ক ফাইল থেকে যাবে। ক্লিন ইন্সটল করলে পিসি ফাস্ট থাকবে। পারফরম্যান্স বেস্ট পাওয়ার জন্য ক্লিন ইন্সটলই বেস্ট। Upgrade এ অনেক সমস্যা থাকে।
Drive Selection পেজে C ড্রাইভ Delete করে Unallocated Space বানাতে হবে। তারপর New ক্লিক করে 120GB বা বেশি সাইজ দিতে হবে। Apply করলে Windows অটো System Reserved পার্টিশন বানাবে। C ড্রাইভ সিলেক্ট করে Next দিলে ফাইল কপি শুরু হবে। SSD তে 10-15 মিনিট, HDD তে 30-40 মিনিট লাগবে। পিসি 2-3 বার রিস্টার্ট নেবে। রিস্টার্টের সময় USB খুলে ফেলতে হবে। পার্টিশন ভুল করলে D ড্রাইভের ডাটা ডিলিট হবে তাই সাবধান। ড্রাইভ সাইজ MB তে দেখায়, GB তে কনভার্ট করতে হবে। 100000 MB মানে 100GB।
OOBE সেটআপ ও লোকাল অ্যাকাউন্ট বানানো
ফাইল কপি শেষে OOBE সেটআপ স্ক্রিন আসবে। Region Bangladesh ও Keyboard US সিলেক্ট করতে হবে। নেট কানেকশন চাইলে I don't have internet ক্লিক করতে হবে। Continue with limited setup সিলেক্ট করলে লোকাল অ্যাকাউন্ট বানানো যাবে। Microsoft Account বাধ্যতামূলক না। Shift+F10 চেপে cmd ওপেন করে oobe\bypassnro` লিখলে স্কিপ অপশন আসে। এটা Windows 11 এর হিডেন ট্রিক। পিসি রিস্টার্ট নিয়ে আবার সেটআপ আসবে। এবার নেট ছাড়াই লোকাল অ্যাকাউন্ট অপশন দেখাবে।
User Name ও Password দিয়ে লোকাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। Privacy Setting সব Off করে দিলে ভালো। Location, Telemetry, Advertising ID Off রাখতে হবে। Accept দিলে ডেস্কটপ লোড হবে। প্রথমবার ডেস্কটপ আসতে 1-2 মিনিট লাগে। টাস্কবার ও স্টার্ট মেনু দেখা গেলে বুঝতে হবে ইন্সটল শেষ। এবার ড্রাইভার ও সফটওয়্যার ইন্সটলের পালা। লোকাল অ্যাকাউন্টে পরে Microsoft Account অ্যাড করা যাবে। Settings থেকে সহজে অ্যাড করা যায়। প্রাইভেসি সেফ রাখতে লোকাল অ্যাকাউন্ট বেস্ট।
আরো পড়ুনঃ Windows 11 সেটআপের পর প্রথম 10 সেটিং
ড্রাইভার ও Windows Update আপডেট করা
ডেস্কটপ আসার পর প্রথম কাজ নেট কানেকশন দেওয়া। LAN ক্যাবল লাগালে অটো ইন্টারনেট আসবে। Settings >Windows Update >Check for updates দিতে হবে। Windows Update থেকেই Graphics, Chipset, Audio ড্রাইভার চলে আসবে। Device Manager এ হলুদ চিহ্ন থাকলে মাদারবোর্ডের অফিসিয়াল সাইট থেকে ড্রাইভার নামাতে হবে। ল্যাপটপ হলে ব্র্যান্ড সাইট থেকে মডেল লিখে সার্চ করতে হবে। সব ড্রাইভার ইন্সটল করতে হবে। ড্রাইভার ছাড়া হার্ডওয়্যার ঠিকমতো কাজ করবে না। আপডেট চেক করা জরুরি।
ড্রাইভার ইন্সটল শেষে পিসি রিস্টার্ট দিতে হবে। রিস্টার্টের পর স্ক্রিন রেজুলেশন ও সাউন্ড ঠিক হবে। Graphics ড্রাইভার আপডেট না থাকলে গেম ল্যাগ করবে। Nvidia বা AMD এর অফিসিয়াল ড্রাইভার আলাদা ইন্সটল করলে পারফরম্যান্স বাড়বে। Windows Update চালু রাখলে সিকিউরিটি প্যাচ অটো আসবে। ড্রাইভার ঠিক না থাকলে ব্লু স্ক্রিন এরর আসতে পারে। তাই সব ড্রাইভার আপডেট করে নেওয়া জরুরি। ড্রাইভার বুস্টার ব্যবহার না করাই ভালো। অফিসিয়াল সাইটই নিরাপদ।
Windows 11 একটিভেশন ও লাইসেন্স দেওয়া
Settings > System > Activation এ গেলে Windows not activated লেখা দেখাবে। Change product key তে ক্লিক করে 25 ডিজিটের কী দিতে হবে। কী অনলাইনে ভেরিফাই হয়ে Activate লেখা আসবে। জেনুইন কী না থাকলেও Windows ব্যবহার করা যায়। শুধু নিচে Activate Windows ওয়াটারমার্ক থাকবে। KMS ক্র্যাক ব্যবহার না করাই ভালো। Digital License থাকলে Microsoft Account লগিন করলেই অটো একটিভ হবে। আগের পিসির লাইসেন্স ট্রান্সফার করা যায়। হার্ডওয়্যার চেঞ্জ করলেও লাইসেন্স থাকে।
একটিভ না করলেও সব ফিচার কাজ করে। শুধু পার্সোনালাইজেশন লক থাকে। ওয়ালপেপার চেঞ্জ করতে Settings লক দেখাবে। জেনুইন কী Microsoft Store বা অথরাইজড রিসেলার থেকে কিনতে হবে। 2 হাজার টাকার OEM কী দিয়েও লাইফটাইম একটিভ হয়। একটিভেশন হয়ে গেলে সিস্টেম স্ট্যাবল থাকে। আপডেট ও সিকিউরিটি ব্লক হয় না। একটিভেশন ছাড়া ব্যবহার করা আইনগতভাবে ঠিক না। জেনুইন কী কিনলে মানসিক শান্তি থাকে। আপডেট নিয়ে টেনশন নেই।
আরো পড়ুন:Windows 11 ফ্রিতে একটিভ করার বৈধ উপায়
পারফরম্যান্স অপটিমাইজ করে পিসি ফাস্ট করা
Windows 11 ডিফল্টে অনেক ভিজুয়াল ইফেক্ট অন রাখে। System > Advanced system settings > Performance Settings এ গিয়ে Adjust for best performance সিলেক্ট করতে হবে। এতে অ্যানিমেশন বন্ধ হয়ে RAM ফ্রি হবে। Startup Apps থেকে অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার Off করতে হবে। Task Manager এর Startup ট্যাব থেকে সব Disable করলে বুট টাইম কমবে। পিসি অন হওয়ার সাথে রেসপন্স করবে। বুট টাইম 50% কমে যাবে। পিসি ফাস্ট লাগবে।
Storage Sense On করলে C ড্রাইভ অটো ক্লিন হবে। Settings > System > Storage > Storage Sense সেট করতে হবে। Power Plan থেকে Best Performance সিলেক্ট করতে হবে। Transparency Effects Off করলে GPU প্রেশার কমবে। গেমিং এর জন্য Game Mode On রাখতে হবে। এই ছোট সেটিংগুলো করলে 4GB RAM এর পিসিও স্মুথ চলবে। ইন্সটলের পর অপটিমাইজ না করলে Windows স্লো লাগবে। রেগুলার ক্লিন রাখতে হবে। Disk Cleanup মাসে একবার চালাতে হবে।
কমন এরর ও সহজ সমাধানের উপায়
This PC can’t run Windows 11 এরর আসলে TPM Off আছে। BIOS থেকে TPM ও Secure Boot On করতে হবে। 0x80070002 এরর আসলে USB পোর্ট চেঞ্জ করতে হবে। USB 3.0 তে সমস্যা হলে USB 2.0 পোর্ট ব্যবহার করতে হবে। ড্রাইভার মিসিং লেখা আসলে ISO কারাপ্ট। নতুন করে ডাউনলোড করতে হবে। ব্লু স্ক্রিন আসলে RAM খুলে পিন পরিষ্কার করতে হবে। হার্ডওয়্যার লুজ থাকলে ইন্সটল ফেইল করে। ক্যাবল লুজ থাকলেও সমস্যা হয়। সব চেক করে নিতে হবে।
ইন্সটল শেষে WiFi কাজ না করলে ড্রাইভার ম্যানুয়ালি ইন্সটল করতে হবে। আরেক পিসি থেকে ড্রাইভার নামিয়ে পেনড্রাইভে নিয়ে ইন্সটল দিতে হবে। সাউন্ড না আসলে Realtek Audio ড্রাইভার লাগবে। স্ক্রিন রেজুলেশন কম থাকলে Graphics ড্রাইভার আপডেট করতে হবে। YouTube এ মডেল লিখে সার্চ দিলে ভিডিও সমাধান পাওয়া যাবে। ভয় না পেয়ে স্টেপ চেক করলে 99% এরর নিজেই ঠিক করা যায়। টেকনিশিয়ান লাগবে না। গুগলে এরর কোড লিখে সার্চ দিলেই সমাধান পাওয়া যায়।
আরো পড়ুনঃWindows 11 ইন্সটল এরর কোড ও সমাধারুন
পুরনো পিসিতে TPM বাইপাস ইন্সটল মেথড
2016 এর আগের পিসিতে TPM 2.0 চিপ নেই। তাদের জন্য Rufus এর বাইপাস অপশন বেস্ট। Rufus এ ISO সিলেক্ট করার পর Image Option থেকে Extended Windows 11 Installation সিলেক্ট করতে হবে। এতে http://setup.exe মডিফাই হয়ে TPM চেক স্কিপ করবে। বুটেবল বানোর পর নরমাল নিয়মে ইন্সটল দিলে রিকোয়ারমেন্ট এরর আসবে না। Microsoft সাপোর্ট না দিলেও আপডেট আসে। সিকিউরিটি প্যাচ রেগুলার আসে। বড় ফিচার আপডেট ব্লক হতে পারে।
বাইপাস করে ইন্সটল দিলে ভবিষ্যতে বড় আপডেট ব্লক হতে পারে। তবে সিকিউরিটি আপডেট রেগুলার আসে। পুরনো CPU যেমন Core i3 2nd Gen এও Windows 11 চলে। শুধু SSD লাগালে পারফরম্যান্স 3 গুণ বাড়বে। HDD তে ইন্সটল দিলে বুট টাইম 2 মিনিট লাগবে। তাই পুরনো পিসি হলে 240GB SSD কিনা বেস্ট। বাইপাস মেথড নতুনদের জন্য সেফ। ভয়ের কিছু নেই। SSD লাগালে পিসি নতুনের মতো ফাস্ট হবে। ইনভেস্টমেন্ট কম, পারফরম্যান্স বেশি।
শেষ কথা: উইন্ডোজ ১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি
উইন্ডোজ ১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি নিয়ে লিখতে গিয়ে কোনো তথ্য বাদ পড়লে ক্ষমা করবেন। এই গাইডটি নিজে প্র্যাকটিক্যাল টেস্ট করে এবং Microsoft এর অফিসিয়াল ডকুমেন্ট দেখে লেখা হয়েছে। Windows 11 ইন্সটল এখন আর কঠিন কাজ না। ISO ডাউনলোড, বুটেবল USB, BIOS সেটিং এবং ক্লিন ইন্সটল এই চারটা স্টেপ জানলেই হবে। ব্যাকআপ না নিলে C ড্রাইভের সব ফাইল হারাবে। তাই ইন্সটলের আগে ডাটা সেভ রাখতে হবে। ধৈর্য ধরে কাজ করলে 30 মিনিটেই শেষ। ভুল থেকে শিখা যায়।
উপরের 11টি স্টেপ ফলো করলে যে কেউ ঘরে বসে Windows 11 দিতে পারবে। অফিসিয়াল ফাইল ব্যবহার করলে লাইফটাইম আপডেট পাওয়া যাবে। পুরনো পিসিতেও Rufus দিয়ে বাইপাস করে ইন্সটল সম্ভব। ইন্সটলের পর ড্রাইভার ও অপটিমাইজেশন করলে পিসি নতুনের মতো চলবে। ভয় না পেয়ে একবার নিজে ট্রাই করলেই শিখা হয়ে যাবে। সফল ইন্সটলের পর ব্যবহারের মজাই আলাদা। নিজের পিসি নিজে ঠিক করার মজা অন্যরকম। টেকনিশিয়ানের খরচও বাঁচবে।
আরও পড়ুনঃ বুলু স্ক্রিন ছাড়া ইন্সটল দেওয়ার 5 টিপস



আপনি যদি ইচ্ছা পুরন এর কোন পোস্টে কমেন্ট করতে চান, তাহলে এর নীতি মেনে কমেন্ট করুন। কারন প্রত্যেকটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url