ক্যাপচা এন্ট্রি করে টাকা আয় করার আসল ওয়েবসাইট

 ক্যাপচা এন্ট্রি করে টাকা আয় করার আসল ওয়েবসাইট খুঁজছেন? কোন ওয়েবসাইটগুলোতে এখনো পেমেন্ট দিচ্ছে,আর কোন ওয়েবসাইট গুলো স্ক্যাম সেই বিষয়ে আজকে এই আলোচনা ।

ক্যাপচা-এন্ট্রি-করে-টাকা-আয়-করার-আসল-ওয়েবসাইট

আপনি যদি একটা ভালো ওয়েবসাইটের সাথে থেকে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে আজকের এই সম্পূর্ণ গাইডলাইন আপনার জন্য। 

সূচিপত্রঃক্যাপচা এন্ট্রি করে টাকা আয় করার আসল ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো 


ক্যাপচা এন্ট্রি করে টাকা আয় করার আসল ওয়েব সাইট চেনার সহজ উপায়

ক্যাপচা এন্ট্রি করে টাকা আয় করার আসল ওয়েবসাইট চেনার সহজ উপায় হল প্রথমেই পেমেন্ট প্রুফ চেক করা। মানুষ পেমেন্ট পাচ্ছে কিনা সেইগুলো ভালোভাবে চেক করে দেখে নেওয়া।আসলে ওয়েবসাইট গুলো কখনোই রেজিস্ট্রেশন ফি বা মেম্বার ফি চাইবে না।  তাদের নিজস্ব ড্যাশবোর্ড থাকে সেখানে আপনি কতটা ক্যাপচা সলভ করলেন আর কতটা জমল তা সবকিছু লাইভে দেখা যায়। আর পেমেন্ট নেওয়ার জন্য বিকাশ নগদএই অপশন গুলো অবশ্যই দেখাবে। 

আর একটা কথা যে সাইটে কাজ করতে ইচ্ছা করছেন ইউটিউব বা ফেসবুকে সার্চ দিয়ে দেখেন যে তারা টাকা পেমেন্ট পেয়েছে কিনা। যদি না থাকে তাহলে ওই ওয়েবসাইট থেকে দূরে থাকবেন। এখন ফেসবুকেতো ঢুকায় যায় না শুধু বলে ফ্রি জব অফার কিন্তু যদি মেসেজ করেন তাহলে প্রথমে বলবে আমাদের রেজিস্ট্রেশন ৩৫০ টাকা দিতে হবে আপনার নাম ঠিকানা সব লিখে দেন, একটা ফোন দিচ্ছি পূরণ করেন তাহলে আপনার জবটা কনফার্ম হবে। আবার অনেক সময় বলে আমাদের একটা গ্রুপ আছে গ্রুপে জয়েন হন জয়েন হলে এত টাকা পাবেন। 

তারপর আবার উল্টে আবার ওরা টাকা চাই এমনভাবে ব্রেন ওয়াশ করবে যে আপনি তাদেরকে টাকা দিতে বাধ্য হয়ে যাবেন। তাই এসব সাইট থেকে সবসময় দূরে থাকবেন। তাই যদি কাজ করতে চান তাহলে তাদের ওয়েবসাইট দেখে বুঝতে পারবেন।আসল ওয়েবসাইটের লিংক সব সময় https দিয়ে শুরু হবে আর পাশে তালা ঝুলানো থাকবে।  তাদের contact, about us, Trems and condition পেজ থাকবে। লাইভ চ্যাট সাপোর্ট খুব দ্রুত রিপ্লাই দিবে। আর একটা কথা কেউ যদি বলে যেদিনে ৫০০০ টাকা ইনকাম ঘন্টায় ১ হাজার টাকা বা ৫০০ টাকা তাহলে মনে করবেন ওইটা একটা ফেক সাইট। 

এইসব সব সময় বিরত থাকবেন কখনোই তাদের ফাঁদে পা দিবেন না। আসল ক্যাপচা থেকে টাকায় করা যায় ঠিকই কিন্তু খুব বেশি আয় করা যায় না তাই যারা বেশি স্বপ্ন দেখাবে তাদের মিষ্টি কথা কখনো ভুলবেন না কারণ এটা সঠিক সাইট না। ১০ ক্যাপচায় থেকে এক থেকে দুই ডলার পাওয়া যায়।তাই যত লোভনীয় অ্যাড দেখবেন তাদের কাছ থেকে সব সময় দূরে থাকবেন। কারণ তাদের কাজই হচ্ছে মানুষকে লোভ দেখিয়ে ফাঁদে ফেলে টাকা আয় করা এটাই হচ্ছে তাদের একটা ব্যবসা।

মোবাইল দিয়ে কিভাবে ক্যাপচা এন্টির কাজ শুরু করা যায়

মোবাইল দিয়ে ও ক্যাপচা এন্ট্রির কাজ শুরু করা যায়। তাই আপনারা কেউ যদি মোবাইল দিয়ে ক্যাপ্ট্যান্ট এর কাজ শুরু করতে চান তাহলে প্রথমে প্লে স্টোর থেকে একটা ভালো রেটিং আছে এইরকম একটা  ওয়েবসাইট খুঁজে নিতে হবে। খুব ভালোভাবে দেখে নিবেন যে ওয়েবসাইটটা বিশ্বাসযোগ্য কিনা! ওয়েবসাইট টা অবশ্যই বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে তা না হলে পরে কষ্ট করেও তার ফল পাবেন না তাই আগেই ভালোভাবে দেখে শুনে কাজ করবেন। 

আর একটা কথা অবশ্যই মাথায় রাখবেন আপনি যখন একাউন্ট খুলবেন তখন অবশ্যই আপনার নাম এবং বিকাশ একাউন্ট নাম্বারটা সঠিকভাবে দিবেন। তারপরে ড্যাশবোর্ড আসবে ড্যাশবোর্ডে উল্টা পাল্টা লেখা থাকবে সেইগুলো সঠিকভাবে লিখতে হবে। লেখা হয়ে গেলে সেগুলো সাবমিট করতে হবে। এইসব লেখাগুলোর জন্য খুব অল্প পরিমাণ ডলার জমা হয়। তাই কাজ করার আগে অবশ্যই আপনি আপনার সময়টা নির্ধারণ করে নেবেন যে আপনি আসলে কয় ঘন্টা কাজ করবেন। 

কারণ কি জানেন? কারণ হচ্ছে যেহেতু আপনার সময় এর উপর নির্ভর করবে আপনার অ্যামাউন্টটা তাই আপনি অবশ্যই দুই ঘন্টা বা তিন ঘন্টা সময় নির্ধারণ করে নেবেন।আর এই সময়টুকু খুব মনোযোগ সহকারে কাজ করবেন আর একটা কথা নেট সংযোগ বা নেট স্পিড কিন্তু অনেক ভালো হতে হবে তা না হলে লিখে কমপ্লিট করতে পারবেন না তখন টাকা ও বেশি পাবেন না। আর দেখে শুনে বুঝে লিখতে হবে যদি ভুল হয় তাহলে আপনার অ্যাকাউন্টটা ব্লক হয়ে যেতে পারে। তাই খুব সাবধানতার সাথে কাজ করবেন। তাহলে এভাবে মাস শেষে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা হলে উইথ ড্র দেখাবে। 

ক্যাপচা এন্ট্রি কাজের একাউন্ট খোলার নিয়ম

ক্যাপচা এন্ট্রি কাজের জন্য প্রথমে মোবাইল দিয়ে প্লে স্টোর থেকে টু ক্যাপচা অথবা ক্যাপসুলভার এরকম পুরানো ওয়েবসাইট খুঁজে নিবেন। তারপরে যেখানে সাইন আপ লেখা থাকবে ওইখানে চাপ দিয়ে আপনার নাম আর একটা অ্যাক্টিভ ইমেইল অ্যাকাউন্ট আর পাসওয়ার্ড দিবেন। দেওয়ার পরে ইমেইলে একটা নাম্বার যাবে ওইটা বসালেই অ্যাকাউন্ট চালু হয়ে যাবে।আর একটা কথা মনে রাখবেন একাউন্ট খুলতে কিন্তু কোন টাকা পয়সা লাগে না যদি টাকা পয়সা চায় তাহলে মনে রাখবেন এইটা ফেক। 

টাকা তোলার জন্য  PayPal, benance এইসব অ্যাকাউন্টগুলো এখানে লাগবে কারণ এখানে বিকাশ বা নগদ একাউন্ট সাপোর্ট করে না। অ্যাকাউন্ট লগইন করার পর start বা ক্যাপচা অপশনে ক্লিক করবেন। তখন স্কিনে এলোমেলো লেখা বা ছবি আসবে ওইগুলো দেখে আপনি সুন্দর মত ঠিকঠাক লিখে সাবমিট করবেন। এভাবে যত আপনি সঠিকভাবে লিখবেন বা আপনার ভুল হবেনা, আপনার লেখার স্পিড যত বাড়বে আপনার রেটও তত বাড়বে। এভাবে কাজ করতে পারলে মাসে১৫ থেকে ২০হাজার টাকা ইনকাম করা যাবে 

কোন সময় কাজ করলে বেশি ক্যাপচা পাওয়া যায়

ক্যাপচা কাজের আসল রহস্য হলো সময়।  কারণ ক্যাপচা আসে বিদেশি ওয়েবসাইট থেকে, এখানে বাংলাদেশ থেকে কোন ক্যাপচা  আসে না। তাই বিদেশীদের যখন অফিস খোলা থাকে তখন অনেক মানুষ অনলাইনে থাকে। বাংলাদেশ টাইম রাত দশটা থেকে ভোর চারটা পর্যন্ত যে ভালো সময়। এই সময়টাই হচ্ছে আমেরিকা আর কানাডায় দিন আর ইউরোপে হচ্ছে বিকাল অথবা সন্ধ্যা। এই সময় ওরা বেশি কেনাকাটা করে ফরম ফিলাপ করে। তাই 2capcha|বা capsolver এই ধরনের ওয়েবসাইটে ক্যাপচার লাইন লেগেই থাকে। 

বিশেষ করে শুক্র শনি রাতে মাসের প্রথম থেকে দশ তারিখের মধ্যে এর প্রচুর চাপ থাকে। আর একটা ভালো সময় হলো বিকাল চারটা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত। এই সময় ইউরোপে সকাল আর অফিস টাইম। ইমেইল একাউন্ট ভেরিফাই হয় তখন মাঝারি ধরনের ক্যাপচা পাওয়া যায়।অন্যদিকে দুপুর ১২ থেকে  বিকাল তিনটা আর ভোর ৫টা থেকে সকাল১০টা পর্যন্ত ক্যাপচার  পরিমাণ একেবারে কমে যায়। কারণ এই সময়টাই বিদেশীরা প্রায় সকলের ঘুমায়। তাই আপনি যদি মোবাইল দিয়ে কাজ করতে চান তাহলে, চেষ্টা করবেন রাতের খাবারের পরে ১ ঘন্টা থেকে ২ ঘন্টা সময় কাজ করতে পারেন।তবে এর জন্য দরকার হাতের লেখার স্পিড তাহলে আগের থেকে অনেক ভালো টাকা ইনকাম করা যাবে। 

ক্যাপচা টাইপিং জব পেমেন্ট প্রুভ

ক্যাপচা টাইপিং জব গুলোতে কাজ করার পরে টাকা সরাসরি ব্যাংকে আসে না কারণ ব্যাংকে আসার কোন সিস্টেম নেই। তাই টাকাগুলো Paypal,  Binance,AirTmএর মত ওয়ালেটে। যেমন -2captcha তে ০.৫ ডলার হলে উইথড্র দেওয়া যায়। উইথ ড্র দেওয়ার এক থেকে দুই ঘন্টা পরেই ওয়ালেটে টাকা চলে আসে। তারপরে ওই টাকা আপনি binanceহতে টাকা আপনি বিকাশ অথবা নগদে সেল করে টাকা হাতে পাবেন। অনেকেই আবার স্ক্রিনশট দিয়ে কত টাকা ইনকাম করছে সেটা প্রুফ দেয়। 

আরো পড়ুনঃমোবাইল দিয়ে থ্রিডি কার্টুন এনিমেশন ভিডিও তৈরি 

কিন্তু সবসময় মনে রাখবেন বর্তমান যুগে মানুষ বিভিন্ন ধরনের কাজকর্ম করে টাকা আয় করছে। বেশিরভাগ সাইটগুলো ফেক্সাইড হয়। অনেকেই স্ক্রিনশট দেখালে যে হাইট্টা হবে তা কিন্তু নয়। অনেকেই ফেক স্ক্রিনশট বানিয়ে টাকা চেয়ে বলবে এত টাকা দিলে কাজ দেব। সেটা অবশ্যই ফেক সাইট। এইসব ফেক্সাইড থেকে সব সময় দূরে থাকবেন। ক্যাপচা করার জন্য কখনোই কোন টাকা পয়সা লাগে না। এই কাজটা আপনি নিজে নিজেই অ্যাকাউন্ট খুলে করতে পারেন। তাই ইউটিউব বা গুগলে গিয়ে 2captcha payment proof 2026 এইটা লিখে সার্চ দিলেই  আসল ইউজারদের ভিডিওর প্রমাণ পেয়ে যাবেন। তাই আগে ছোট করবেন পরে বেশি সময় দিবেন। 

প্রতিদিন বেশি ক্যাপচা টাইপ করার গোপন উপায়

ক্যাপচা টাইপ করার গোপন টিপস আমার জানা মতে দুইটা। 

  1. লিখার স্পিড আর বানান ঠিক রাখা 
  2. সময় ঠিক রাখা 

লেখার সময় অবশ্যই বানান ঠিক করে লিখতে হবে। তাই প্রথম প্রথম ক্যাপচা লিখতে গেলে তাড়াহুড়ো না করে বানানগুলো ভালো করে দেখে লেখা। ক্যাপচা সাইটে যত বানান ভুল কম হবে আপনি তো অত ক্যাপচা পাবেন  আর কাজের রেটও বাড়বে। আপনি যদি মোবাইল দিয়ে ক্যাপচা লিখেন আর মোবাইলের কিবোর্ড যদি  SwiftKey  তাহলে অটো কারেকশন বন্ধ করে দিবেন। তা না হলে লেখা চেঞ্জ হয়ে যায়। আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন দুর্বল হয়ে থাকেন তাহলে প্রতিদিন ২০ মিনিট টাইপিং প্র্যাকটিস করবেন তাহলে তাড়াতাড়ি হাতের স্পিড বেড়ে যাবে। আর ক্যাপটা লেখার সময় আলোটা যেন উজ্জ্বল হয় তানা হলে দেখতে সমস্যা হবে। 

এবার আসি সময় ঠিক রাখার ব্যাপারে। আমি আগেই বলেছি যে রাত দশটা থেকে ভোর চারটা পর্যন্তই হল ক্যাপটা লেখার আসল টাইম। এর মধ্যে যদি ঘন্টা যদি আপনি টাইপিং জবটা করতে পারেন তাহলে দিনে যা করবেন তার থেকে তিন গুণ বেশি ক্যাপচা পাবেন। আর একটা কথা যখন আপনি একটু এক্সপার্ট হয়ে যাবেন তখন একটা একটা সাইটেবসে থাকবেন না। যখন একটা সাইটে কেবলা শেষ হয়ে যাবে তখন আর একটা ক্যাপচা ওপেন করে রাখবেন দিয়ে ওইটাতে কাজ করবেন। এতে সময় নষ্ট হয় না টাকা বেশি পাওয়া যায়। আর একটা কথা সবসময় মনে রাখবেন নেট স্পিড কিন্তু অনেক ভালো হতে হবে তা না হলে ক্যাপচা লোড হতে অনেক দেরি হয়। 

ক্যাপচা টাইপিং করতে কি কি লাগে

ক্যাপচা টাইপিং করতে যেটা লাগে সেটা হচ্ছে আপনার হাতে যদি একটা অ্যান্ড্রয়েড ফোন থাকে তাহলেই হবে। ক্যাপচা করার জন্য কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এর প্রয়োজন হয় না। তবে কারো বাসায় যদি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থাকে তাহলে সেটা দিয়ে কাজ করা বেশি ভালো হবে। একটাই স্মার্ট ফোনের সাথে সাথে একটা ভালো স্পিড এর নেট সংযোগ প্রয়োজন। নেট সংযোগ যদি ভাল হয় তাহলে ক্যাপচা লেখা খুব দ্রুত আগাবে। নেট সংযোগ থাকলে ভালো হয় যদি নেট সংযোগ না থাকে তাহলে এমবি দিয়েও ক্যাপচা করা যায়। 

আর যদি সুইফট কি থাকে তাহলে লেখার স্পিড ভালো হয়। আর যারা কম্পিউটারে কাজ করে বা মোবাইলে অনলাইনে কাজ করে এক ভাবে তাকিয়ে থাকতে থাকতে চোখের সমস্যা হয়। তাই যদি মোবাইলে কাজ করেন তাহলে মোবাইলের আলোটা মিডিয়ামে রাখবেন এটা চোখের জন্য ভালো। ক্যাপচা করতে আরও দুইটা জিনিস লাগে

  • একাউন্ট খুলতে হয় 
  • পেমেন্ট ওয়ালেট 

আপনার যদি আপনি করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই একটা একাউন্ট খুলতে হবে। এর আগে অনেকবার বলা হয়েছে কোন ওয়েবসাইটে গিয়ে ক্যাপচা করলে ভালো হয়। আবারো বলি 2captcha আর cap solver এর মত বিশ্বস্ত ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনি একটা ফ্রি একাউন্ট খুলে নেবেন। আপনার নাম আর ইমেল পাসওয়ার্ড দিলেতারপরে সাইন আপ করলেই আকার অ্যাকাউন্ট খোলা হয়ে যাবে। তবে একটা কথা মনে রাখবেন কেউ যদি টাকা চায় তাহলে মনে করবেন এটা ফেক সাইট। কারণ ক্যাপচা পূরণে টাকা লাগেনা। আর পেমেন্ট নেওয়ার জন্য PayPal, Binanceএর একটা ওয়ালেট খুলে রাখবেন, কারণ ক্যাপচা পূরণে পেমেন্ট কখনোই বিকাশ বা নগদে সরাসরি আসে না। ডলার ওয়ালেটে আসার পরে সেটা বিকাশ অথবা নগদে সেল করে নিলেই কাজ শেষ। 

ক্যাপচা লিখতে গিয়ে যে ভুলগুলো নতুনটা বেশি করে

যারা নতুন নতুন ক্যাপচা কাজ করতে চাই তারা কয়েকটা ভুল করে ফেলে। সেটা হচ্ছে লেখাগুলো এক নজর দেখেই লেখা শুরু করে দেয়। ভালো করে দেখেনা আসলে কি লেখা আছে এতে অনেক সময় লেখা ভুল হয়ে যায়। ধরুন লেখা থাকলো 1দিয়ে দিলেন  I,আবার লেখা থাকলো r দিয়ে দিলেন nকারণ লেখাগুলো প্রায় একই ধরনের যদি খুব তাড়াহুড়া করেন তাহলে লেখাগুলোর মধ্যে এলোমেলো হয়ে যায়।এভাবে আপনি যদি একটা ভুল করেন তাহলে তো টাকা পাবেনই না বরং আপনার একুরেসি কমে যাবে। 

ক্যাপচা-এন্ট্রি-করে-টাকা-আয়-করার-আসল-ওয়েবসাইট

তাই বলি ৩০টা ভুল লেখা থেকে দশটা সঠিক লেখা অনেক অনেক গুণ ভালো। এরকম যদি ভুল হতে থাকে তাহলে ক্যাপচা আপনি কম পেতে থাকবেন। নতুনটা আর একটা ভুল করে থাকে যদি কয়েক মিনিট যাচ্ছে না আসে তাহলে তারা মনে করে মনে হয় আর ক্যাপচা নেই। এইটা ভেবে তারা বন্ধ করে অন্য জায়গায় চলে যায়। এতে করে লস হয় কারণ ক্যাপচা কয়েক মিনিট পরে২০-১৫ টা আবার একসাথে চলে আসে। আবার অনেক সময় ক্যাপচা কঠিন দেখায় বোঝা যায় না এই সময় স্কিপ না করে বারবার রিফ্রেস করা। 

স্ক্রিপ্ট করলে সমস্যা নেই কিন্তু যদি ভুল সাবমিট করেন তাহলে কিন্তু আপনার একিউরেসি  কমে যাবে। তাই বুদ্ধি করে একসাথে দুইটা ওয়েবসাইট খুলে রাখবেন যদি কিছুক্ষণ না থাকে তাহলে অন্য সাইডে গিয়ে কাজ করবেন। এতে আপনার সময় নষ্ট হবে না আবার কিছু টাকা ইনকাম হয়ে যাবে। বাবু বুঝতে না পারেন তাহলে সেটাই স্ক্রিপ্ট করে সেকেন্ড পর থেকে আবার করা শুরু করবেন। এটা করা আপনার জন্য অনেক ভালো হবে ভুল সাবমিট করার থেকে। 

ভুয়া সাইড কিভাবে চিনবেন

ভুয়া সাইট চেনার সর্বপ্রথম উপায় হলো টাকা চাওয়া। কেউ যদি আপনাকে কাজ দিব বলে টাকা চায় তাহলে আপনি বুঝবেন এটা একদম১০০% ভুয়া। আসল ক্যাপচা আপনার কাছে টাকা চাইবে না, কোন ফি চাইবে না।কেউ যদি বলে আপনি ৬৩০ টাকা দেন অথবা ৩৫০ টাকা দেন তাহলে আমি আপনাকে এই কাজে জয়েন করাই দিব। আপনি সাথে সাথে ভেবে নিবেন সেটা একটা দুই নাম্বার সাইট। এসব সাইটগুলো থেকে অবশ্যই দূরে থাকবেন। তারা কখনোই আপনাকে কাজ দেবে না টাকা নেওয়ার পরে আপনাকে ব্লক করে দেবে। 

তাই খুব সাবধানে থাকবেন এইসব সাইটগুলো থেকে। এক সাইডগুলোর আর একটা লক্ষণ হল তারা whatsapp নাম্বারে নক দেই আবার বলে আপনারwhatsapp নাম্বারটা দিন নাম আর নাম্বারটা ইংরেজিতে লিখে দিন এই সব ধরনের ফালতু কথাবার্তা বলে। আবার অনেক সাইট গুলো আছে যেগুলো বলে টেলিগ্রাম ওপেন করুন। টেলিগ্রামে আমাদের গ্রুপে জয়েন হোন।এখানে জয়েন্ট ফি ৫০০ টাকা দিলে আপনি সাথে সাথে ২০০ টাকা বোনাস পাবেন। এ টাকাগুলো আপনার একাউন্টে থাকবে কিন্তু ভাই এগুলো সম্পূর্ণই তাদের বানানো একটা ফাঁদ। 

এই ফাঁদে কখনোই পা দিবেন না পা দিলেই আপনি ঠকে যাবেন।এই ফেক সাইট গুলো খুব নরমাল হয়। ফলোয়ার থাকে না থাকে না একটা লাইক কমেন্ট থাকে কয়েকজন ফলোয়ার থাকে তাই শুরু করে দেয় ব্যবসা। ভালো থাকেনা এগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন। কিন্তু আসল সাইড গুলো এ ধরনের ফালতু কথা বলে না। তারা কখনোই কাজের বরং কাজ করলে আপনাকে টাকা দিবে। তবে দুঃখের বিষয় কি জানেন বর্তমান যুগে আসল সাইট পাওয়া বড়ই মুশকিল। এত এত ফেক সাইট হয়েছে যে ফেক সাইডের ভিড়ে আসল সাইড গুলো খুজে পাওয়াই মুশকিল। 

প্রতিদিন ক্যাপচা টাইপ করে কত টাকা ইনকাম করা সম্ভব

সত্যি কথা বলতে কি প্রতিদিন ক্যাপচা টাইপ করেও আয় করা সম্ভব না। প্রতিদিন যদি আপনি ২-৩ ঘণ্টা টাইপ করেন তাহলে মাসে সর্বোচ্চ চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পাবেন যদি স্পিড ভালো হয়। ক্যাপ্টা লিখে সংসার চালানো যাবে না। আর যদি কেউ মনে করেন আমি কাপ চাল লিখে বড়লোক হব সেটাও হবে না। ক্যাপচা লিখে সর্বোচ্চ পকেট খরচটা হবে। তারপরেও পেট ভালো হতে হবে নির্ভুল লেখা হতে হবে তাহলে একটু বেশি টাকা পাবেন। 

তবে এটা যারা সংসার চালানোর জন্য করবে তাদের জন্য বেটার নয়। এটা তাদের জন্যই বেটার যারা পড়াশোনা করে বা ফ্রি টাইম বসে থাকে সেই সময়গুলোতে এগুলো করলে একটু এক্সট্রা ইন।কাম হয়। হাত খরচের টাকাটা হয়ে যায় কিন্তু কিন্তু ক্যাপচা টাইপ করে কখনোই ভালো কিছু করা সম্ভব নয়। আর একটা কথা বলি কাপটা লিখতে কিন্তু অনেক ধৈর্যের প্রয়োজন। তার সাথে আপনার হাত এবং চোখের প্রেসারটা একটু বেশি পড়ে। এই কাজটা করতে হলে অনেক ধৈর্য প্রয়োজন। 

স্টুডেন্টদের জন্য ক্যাপচা টাইপিং কতটা উপযোগী

আমি মনে করি স্টুডেন্ট অবস্থায় এ কাজটা করা ভালো হবে। কারণ, স্টুডেন্ট থাকা অবস্থায় অন্য কোন জব করার কোন সুযোগ থাকে না। পড়াশোনার চাপ বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা লেগেই থাকে, তাই অন্য কোন জব করার সুযোগ থাকে না। কিন্তু পড়াশোনার পাশাপাশি এই ক্যাপচা টাইপিং জবটা স্টুডেন্টরা করতে পারে। তারা যদি ক্লাসের পড়া দশটা বা এগারোটার মধ্যে শেষ করে দেয়।পড়ালেখা শেষ করে দেওয়ার পরে এক অথবা দেড় ঘন্টা সময় যদি ক্যাপচা টাইপ করে তাহলে প্রায়  ৬০-১০০ টাকার মতো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

পড়াশোনাও হল পাশাপাশি ইনকামও হল কিছু টাকা। এই টাকাটা খাতা কলম অথবা টিফিন, বন্ধু বান্ধবীদের সাথে কিছু খাওয়ার কাজে ব্যবহার করতে পারবে। এর জন্য আর বাবা-মার কাছ থেকে এক্সট্রা টাকা নেওয়া লাগবে না। এটা সবথেকে বড় সুবিধা হল, এখানে কোন বাধা ধরা টাইম দেওয়া থাকবে না। আপনার যখন ইচ্ছা তখন করতে পারবেন। এখন আসি আসল কথায়, সত্যি কথা বলতে কি ক্যাপচা করে কখনো ভালো 

কিছু করা যাবে না। আর স্টুডেন্টদের অবশ্যই উচিত এটাকে পার্মানেন্ট ইনকাম হিসেবে না নেওয়া। এটা শুধু পার্টটাইম হিসেবে নেওয়া যাতে হাত খরচের টাকাটা হয়। আর পড়াশোনার ক্ষতি করে এইসব কাজ না করাই ভালো। যদি মনে হয় যে এ কাজটা করতে গিয়ে আমার পড়াশোনা ক্ষতি হচ্ছে তাহলে এই কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। তা না হলে কিন্তু ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যাবে। তাই আমার পরামর্শ হলো ক্যাপচা টাইপিং জবটাকে কখনোই পার্মানেন্ট নিবেন না। 

আরো পড়ুনঃবাংলাদেশে অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদনের ফরম পূরণের সম্পূর্ণ ধাপ 

শেষ কথাঃক্যাপচা এন্ট্রি করে টাকা আয় করার আসল ওয়েবসাইট নিয়ে শেষ কথা

ক্যাপচা এন্ট্রি করে টাকা আয় করার আসল ওয়েবসাইট নিয়ে শেষ কথা হলো -ক্যাপচা টাইপিং করার ওয়েবসাইট গুলো কখনোই টাকা চায়না। যদি কখনো আপনার কাছে টাকা চায় তাহলে মনে করবেন ওইটা ফেক সাইড। আর ওই ফেক সাইড থেকে সব সময় দূরে থাকার চেষ্টা করবেন। অনেকগুলো বিশ্বস্ত সাইড আছে সেগুলো ভালোভাবে দেখে শুনে একাউন্ট খুলবেন। আর একটা কথা সব সময় ক্যাপচা থাকেনা তাই একসাথে দুইটা বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট খুলে রাখা ভালো।একটাতে যদি কাজ না থাকে তাহলে অন্যটা দিয়ে কাজ করা যাবে। 

আর একটা কথা আবারও বলি, ক্যাপচা টাইপ করে কখনোই ভালো কিছু করা যায় না। তাই এই সাইটের ওপর এতটা ভরসা না রেখে, অন্য স্কিল গুলো ভালোভাবে শেখা উচিত। আমি ক্যাপচা এন্টি করে টাকা আয় করার আসল ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। কিভাবে ক্যাপটা থেকে টাকা আয় করা যায় সাইড গুলো বিশ্বস্ত আরো অনেক কিছুই বলেছি। এসব বলার মধ্যে যদি কোন কিছু মাঝে যদি কোন ভুল হয়ে থাকে তাহলে আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আর যদি কোথাও বুঝতে ভুল হয় তাহলে আমাকে অবশ্যই জানাবেন আমি ঠিক করে দেওয়ার বা বোঝানোর চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।  




 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি যদি ইচ্ছা পুরন এর কোন পোস্টে কমেন্ট করতে চান, তাহলে এর নীতি মেনে কমেন্ট করুন। কারন প্রত্যেকটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url