অনলাইন ক্লাসের জন্য সেরা এবং কমদামের ট্যাবলেট

অনলাইন ক্লাসের জন্য সেরা এবং কম দামের ট্যাবলেট এখন হাতের নাগালে। এইচডি ডিসপ্লে দ্রুত চার্জিং  সাউন্ড সহ এই ট্যাবলেট, কম বাজেটে স্টুডেন্টদের জন্য সব থেকে ভালো পছন্দের। অনলাইন ক্লাস নোট ও অ্যাপ সব স্মুথলি চলবে। 

অনলাইন-ক্লাসের-জন্য-সেরা-এবং-কমদামের-ট্যাবলেট

স্টুডেন্টদের পড়াশোনা হবে আরও সহজ এবং ইস্মার্ট। কম দামে সেরা পারফরম্যান্স গ্যারান্টি সহকারে ট্যাবলেট পাবেন। তাই দেরি নয় আজই অর্ডার করুন এবং ক্লাস শুরু করুন ও চিন্তামুক্ত ভাবে। 

সূচিপত্র:অনলাইন ক্লাসের জন্য সেরা এবং কম দামের ট্যাবলেট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো 

অনলাইন ক্লাসের জন্য সেরা এবং কমদামের ট্যাবলেট খুঁজছেন

অনলাইন ক্লাসের জন্য সেরা এবং কমদামের ট্যাবলেট খুঁজছেন তাহলে আগে ঠিক করেন, আপনি দিনে কত ঘন্টা ক্লাস করবেন । কারণ আপনার ক্লাসের উপরে নির্ভর করবে আপনার জন্য কেমন ট্যাবলেট প্রয়োজন। যদি তিন থেকে চার ঘন্টা ট্যাবলেট চালান তাহলে, ৫০০০ mahব্যাটারি আর ১০ ইঞ্চি ডিসপ্লে দেখে নিবেন। এতে করে আপনার চোখের আরাম হবে, আর চার্জ  অনেকক্ষণ টিকবে। 3GB RAMএর নিচে নিবেন না হলে জুমে ঢুকতে গেলে ল্যাগ করবে। ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যেই লিনোভো, রিয়াল মি, এর ট্যাবলেটগুলো এইসব ফিচার দিয়ে দেয়। 

দাম বেশি হলেই যে কোন জিনিস ভালো হবে তা কিন্তু নয়। অনেক সময় দেখা যায় অনেক দামি ব্র্যান্ডের ট্যাব কিনে ও খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। আবার অনেক সময় অনেক কম দামের জিনিস কিনে ও অনেক দিন টিকে যায়। আবার অনেক সময় দেখা যায়,সস্তায় ট্যাপ কিনে দুই মাস পরে নষ্ট হয়ে যায়। এর ওয়ারেন্টি গ্যারান্টি তেমন কিছু নেই। তাই এমন কোম্পানি দেখে নিতে হবে যেখানে ওয়ারেন্টি গ্যারান্টি থাকে। যাতে নষ্ট  হলে হলেও যেন ওইখানে গিয়ে সার্ভিস পাওয়া যায় । 

পেন দিয়ে নোট করার প্রয়োজন না থাকলে,পেন  সাপোর্ট ছাড়াই ট্যাব নিলে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা পাওয়া যাবে।আর একটা কথা কেনার আগে অবশ্যই ওই মডেলের রিভিউ একবার ইউটিউবে দেখে নিবেন।কারন আপনার কষ্টের টাকা তাই ১০ মিনিট সময়ই দিয়ে জিনিসটা কেনার আগে যাচাই করে  নেয়ায় হবে বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ জিনিস কিনলে মানুষ বারবার কেনে না। তাই কেনার কোন কিছু কেনার আগে দেখে শুনে ভালো জিনিস দেখে কিনতে হবে। 

স্টুডেন্টের জন্য সবথেকে কোন ট্যাবলেট ভালো

স্টুডেন্টদের জন্য সব থেকে কোন ট্যাবলেট ভালো এটা ঠিক করতে হলে আগে ভাবতে হবে আপনি দিনে কত ঘন্টা ট্যাবলেটের সামনে বসে থাকবেন।কত ঘন্টা ট্যাবলেটে কাজ করবেন নির্ভর করবে আপনার কোন ট্যাবলেট সব থেকে ভালো। যদি ক্লাসে তিন থেকে চার ঘন্টার বেশি সময় দেন তাহলে চোখের আরামের জন্য IPS display আর ব্লু লাইট ফিলটার দেখে কিনে নেবেন।দাম ১১ বা ১৪ হাজারের মধ্যে বাজেট থাকে  তাহলে samsung আর    Huawei  এই ট্যাবগুলো নেওয়া ভালো হবে। 

এর কিছু কিছু ট্যাব আছে যেগুলোর ব্যাটারি একবার চার্জে দিলে সারাদিন চলে যায় আবার ওজন হালকা হলে ব্যাগে নিয়েও কাজে যাওয়া যায় কোন ঝামেলা হয় না।সেটা কিন্তু করে আপনার ওপরে সাবজেক্ট এর উপরে। যারা আর্ট ডিজাইন বা ম্যাথ করে তাদের জন্য পেন সাপোর্ট থাকা অবশ্যই জরুরী। যারা শুধু লেকচার শুনে আর তাদের জন্য নরমাল ট্যাবলেট নেওয়াটাই ভালো। তাই টাকা নষ্ট না করে,আপনার  প্রয়োজন কেমন সেই অনুযায়ী দেখে একটা ট্যাবলেট কিনে নেবেন। ১৫ হাজারের নিচে ভালো স্টোরিজ, ভালো ক্যামেরা, আর ক্লিয়ার ট্যাবলেট পেলেই সেটাই আপনার জন্য সবথেকে ভালো হবে।

কম টাকায় কোন ট্যাবলেটে ক্লাস করলে চোখের ক্ষতি কম হবে

কম টাকায় কোন ট্যাবলেটে ক্লাস করলে চোখের ক্ষতি কম হবে, এর এক কথায় উত্তর হল যে ট্যাবলেটের  রেজুলেশন অনেক ভালো। সস্তা ট্যাবলেট কিনতে গিয়ে অনেকের ছোট আর ঝাপসা স্কিন নিয়ে চলে আসে। ওইগুলোতে এক ঘন্টা ক্লাস করলেই চোখ জলে আবার বিভিন্ন ধরনের চোখের সমস্যা হয়। তাই ১০০০০ টাকার মধ্যে হলেও আইপিএস দেখে কিনে নেবেন। এইগুলো আইপিএস স্কিনে আলো চোখে সরাসরি লাগে না।সাথে আই কেয়ার মোড বা ব্লু লাইট ফিল্টার অপশন আছে কিনা অবশ্যই চেক করে নেবেন। 

রাতের ক্লাসে এ ফিল্টার অন করে দিলে চোখ অনেক আরাম পায়। চোখে যদি অস্বস্তি হয় তাহলে ক্লাস বা অন্য কোন কাজ করে কি শান্তি পাওয়া যাবে। তাই চোখে যেটাতে শান্তি পাবে সেই ট্যাবলেটটা আমাদেরকে কিনতে হবে। অনেক কম দামের ট্যাবলেট আছে যেগুলো ১২৮০×৮০০রেজুলেশন থাকে। অক্ষর গুলো ঘোলা দেখায়, তাই আমরা নিজের অজান্তেই চোখ কুঁচকে ফেলি। আর এই অভ্যাসটাই চোখকে নষ্ট করে ফেলে। 

তাই দোকানে গিয়ে অবশ্যই অনেক সময় ধরে pdf পরে দেখবেন ওইখানে কি লেখা আছে। চোখে চাপ লাগে কিনা। আর অক্ষরগুলো ক্লিয়ার দেখায় কিনা, সবগুলো দেখে শুনে বুঝে তারপরে কিনবেন। যদি অক্ষর ক্লিয়ার  দেখায় চোখে চাপ না লাগে তাহলে সেটা কিনে নেবেন।দাম কম হলেও চোখের দাম কিন্তু অনেক বেশি তাই চোখ যেটাতে শান্তি পাবে সেই ট্যাব টাই কেনা উচিত। 

বিদ্যুৎ চলে গেলেও ক্লাস মিস হবে না কোন ধরনের ট্যাব

ক্লাস করতে করতে বা কোন কাজ করতে করতে যদি কারেন্ট চলে যায় তাহলে এত বিরক্ত লাগে যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। এইটা শুধু আমার একাই হয় না,  আমার মনে হয় আমার মত আরও অনেকেই বিরক্ত হন। তাই এমন কিছু ট্যাব আছে যেগুলো যাওয়ার পরেও অন থাকে কোন সমস্যা হয় না। তাই এর জন্য লম্বা ব্যাটারি দরকার। ১০ থেকে ১৩ হাজার টাকার মধ্যে galaxy ট্যাব  light A7  আর realme pad miniপাওয়া যায়। 

এদের ব্যাটারি ৫১০০ থেকে ৬৪০০ mahএর মত থাকে। সকালে ক্লাস থেকে বিকাল টানা দুই থেকে তিনটা ক্লাস করলেও চার্জ ফুরায় না। কারেন্ট গেলেও নিশ্চিন্তে ক্লাস করা যায়। তাই কেনার আগে এটাও দেখে নিতে হবে। যাতে করে চার্জ কতটুকু থাকে না থাকে সে বিষয়টা জানতে পারেন।কিছু ট্যাব দশ ঘন্টা চলে কিন্তু চার্জ হতে ৫ ঘন্টা সময় লাগে। তাহলে কি ওইটা নেওয়া যাবে বলেন। আবার কিছু টেব ১৮ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং আছে।

এক ঘন্টায় ৫০% চার্জ হয়ে যায়। লোডশেডিং এর মাঝে কারেন্ট আসলে দ্রুত চার্জ দিয়ে আবার ক্লাসে বসতে পারেন। তাই কোন জিনিস কিনলে  তাড়াহুড়ো করে  কিনবেন না। যখন ট্যাপ কিনতে যাবেন, তখন দেখে শুনে বুঝে কিছু সময় লাগুক তাও ভালো। কিন্তু তারপরও যেন ভালো জিনিসটা আপনার হাতে আসে সেদিকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন। তাই ব্যাটারি বড়, ফাস্ট চার্জিং এই দুইটা মিলে কিনলেই আর ক্লাস নিতে হবে না কেনার সময় এই জিনিসগুলো দেখে নিবেন। 

এক ট্যাবলেটে কয়েকজন শেয়ার করে ব্যবহার করার নিয়ম

এক ট্যাবলেটের যদি কয়েকজন ব্যবহার করতে চায় তাহলে ভাগ করে নেওয়াটাই সবথেকে ভালো হবে।অনেক সময় দেখা যায় ট্যাপ কেনার টাকা নাই।কিন্তু তাদের কিনা অনেক প্রয়োজন। যদি কয়েকজন একসাথে ব্যবহার করতে পারে তাহলে তাদের উপকার হয়। এভাবে যদি ট্যাপ কিনে তাহলে তো সবাই আর একসাথে ব্যবহার করতে পারবে না। তাই সময় ভাগ করে নেওয়াটা অনেক জরুরী। 

বাসায় যদি ভাই বোন দুই তিনজন থাকে তাহলে কেউ সকালে  কেউ দুপুরবেলা কেউ বিকেলে এভাবে ভাগ করে নিয়ে করতে পারে। আবার ইউটিউবে ভিডিও দেখতে চাই বা রান্নাবান্নার কোন কিছু দেখতে চাই তাহলে ও দেখতে পারবে। যে সময় ট্যাব  অবসর থাকে সে সময়টা মা দেখবে। এভাবে যদি ভাগ করে নেয় তাহলে কোন ঝগড়াঝাঁটি হবে না একটা ট্যাবেই  মিলে শেয়ারে ব্যবহার করতে পারবে। ট্যাপ কেনার সময় ৬৪ জিবি বা তার বেশি স্টোরেজ দেখে কিনবেন। 

তাহলে কয়েকজন একসাথে ব্যবহার করলেও কোন সমস্যা হবে না। কারণ বই, ভিডিও বা কোন অ্যাপ একসাথে রাখলে অনেক জায়গার প্রয়োজন, তাই কেনার সময় আরো অন্য কোন দিকগুলো দেখে কিনলে পরে আর কোন সমস্যা হবে না। তাই কেনার আগে অবশ্যই বুঝে কিনবেন। যাতে একসাথে সবাই মিলে ব্যবহার করা যায় সেই হিসেবে। 

গ্রাফিক্স ড্রয়িং ট্যাবলেট এর দাম কেমন

গ্রাফিক্স ড্রয়িং ট্যাবলেট এর দাম কেমন জানতে চাইলে তিন চার রকম ট্যাবলেট এর দাম যাচাই-বাছাই করবেন। ৫০০০ টাকার আশেপাশে পাবেন ছোট A6সাইজের ট্যাবগুলো। এগুলো ব্যাগে ঢুকে যায়, কারেন্ট লাগেনা পেনে চার্জেও  দেওয়া লাগে না। ইস্কুল কলেজের প্রজেক্ট আর ইউটিউব বানানোর জন্য এগুলো দিয়ে অনেকেই শুরু করে। তারপরেও দোকানে গিয়ে তো দেখে শুনে নেওয়াটা ভালো। 

গ্রাফিক্স ড্রয়িং ট্যাবলেট এর দাম আরেকটু যদি তাহলে হাজারে পাবেন ১৩ ইঞ্চি স্ক্রিনের ট্যাব।এখানে সরাসরি কাগজের মত রংয়ের লাইন মোটা চিকন সব বোঝা যায়।প্রেস সেনসিভিটি ৮১৯২ থাকায় হাতের চিকন মোটা হয়। আর যারা বড় ব্র্যান্ডের লাখ টাকা খরচ করে ফেলে শুধুমাত্র ট্যাব নেওয়ার জন্য। কারণ একটা কথায় আছে না, যত গুড় তত মিষ্টি। তারমানে আপনি যত বেশি টাকা দিয়ে নিবেন ডিভাইসটা তত বেশিও ভালো হবে। আবার অনেক সুযোগ-সুবিধাও থাকে। বেশি দাম দিয়ে নিলে ৪বছরে ও নষ্ট হয় না রং ১০০%ঠিক দেখায় আর ওয়ারেন্টি গ্যারেন্টি তো আছেই। 

বাচ্চাদের পড়ার জন্য কোন ধরনের ট্যাবলেট ভালো

বাচ্চাদের পড়ার জন্য কোন ধরনের ট্যাবভালো এটা ভাবার আগে প্রথমেই মাথায় রাখতে হবে যে স্ক্রিনটা যেন চোখের জন্য আরামদায়ক হয়। কারণ বুঝতে পারছেন বাচ্চা ছোট তাদের সবকিছুই অনেক লাজুক। তাদের চোখের জন্য কোন ক্ষতি না হয়, সেই দিকটা অবশ্যই লক্ষ্য রেখে ট্যাব কিনার সিদ্ধান্ত নিবেন। তাই ৮ থেকে ১০ ইঞ্চি সাইজের ট্যাব বাচ্চাদের হাতে পারফেক্ট বলে আমার মনে হয়। খুব যদি বড় হয় তাহলে ব্যাগে নিতে কষ্ট হবে। আবার খুব ছোট হলে বইয়ের লেখা ঝাপসা দেখা যাবে তখন চোখের ওপরে প্রেসার পড়বে। 

অনলাইন-ক্লাসের-জন্য-সেরা-এবং-কমদামের-ট্যাবলেট

এর সাথে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল অপশন থাকা জরুরী। তাহলে youtube বা গেমসের ঝামেলা ছাড়া শুধু পড়ালেখার  অ্যাপ গুলোই বাচ্চারা খুলতে পারবে । ব্যাটারি ও যেন একটানা পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তা না হলে ক্লাসের মাঝে চাঁদ শেষ হয়ে যাবে অনেক সমস্যার মধ্যে পড়ে যাবে। এক কথায় একটা ট্যাব কিনতে গেলে সব দিকে লক্ষ্য রেখে কিনতে হবে। বডি কেমন শক্ত নাকি কেমন সেটা দেখে কিনতে হবে। কারণ কি জানেন?ছোটরা জিনিস পাতির তেমন কোনো যত্ন নিতে পারে না জন্য নেওয়ার সময় একটু হার্ড দেখেই নেওয়া ভালো। 

প্লাস্টিকের মোটা কভার আর গ্লাস প্রটেকশন থাকলে কয়েকবার পড়ে গেলেও তেমন কিছু হবে না। স্পিকারটা যেন ক্লিয়ার হয়, কারণ অনলাইনে ক্লাসে স্যারের কথা যদি না শোনা যায় ঘরঘর করে তাহলে তো বাচ্চাদের মনোযোগ থাকবে না। তাই সব কিছু ভালোভাবে দেখে যাচাই-বাছাই করে নেওয়াটা ভালো হবে। আর তোমাদের ওজন ৪০ গ্রামের মধ্যে হলে চ্চারা নাম করে পড়তে পারবে। শুধু বেশি দাম দিয়ে নিলে হবে না টেকসই আর সহজে ব্যবহার করা যায় এমন ট্যাব  সব থেকে ভালো। 

সস্তার মধ্যে কোন ট্যাবলেট ভালো

সস্তার মধ্যে কোন ট্যাবলেট ভালো এটা বোঝার জন্য বডির ওজনটাও দেখে নিতে ভুলবেন না। ৪৫০ গ্রামের আশেপাশে হলে বাচ্চারা ও এক হাতে ধরে কাজ করতে পারবে। পোর্ট টাইপ সি হলে তাড়াতাড়ি চার্জ ফুল হয়ে যায়। ৬৪ জিবি ইস্টোরেজের মডেল গুলোতে অ্যাপ  আর বিএফ ঝামেলা ও হ্যাং হয় না। walton, lava এর দামের মডেল গুলোতে এখন এক বছরের ওয়ারেন্টিও দেয়। তাই এইটা কম দামে কিনে দুই বছর নিশ্চিন্তে চালাতে পারবেন। 

আরো পড়ুন আর্টিকেল লিখে প্রতি মাসে টাকা আয় করার উপায় 

আবার সস্তার মধ্যে কোন ট্যাবলেট ভালো এটা যদিআগে জানতে চান, তাহলে আগে দেখতে হবে ডিসপ্লে কতটা ঝকঝকে। ৮ থেকে ৯ হাজারে এখন প্যানেল পাওয়া যায়। এই স্ক্রিনে রোদের আলোতেও লেখা বোঝা যায়। সাথে দোয়াল স্পিকার থাকলে ক্লাসের সময় স্যারের গলা একদম অরজিনাল শোনা যাবে ফ্যাসফ্যাস বা ঘরঘর শব্দ হবে না। আর ফোরজি সিম সাপোর্ট থাকলে ওয়াইফাই না থাকলেও কোন ক্লাস মিস যাবে না। তাই কম দাম বলে যে কোন জিনিস করে নিয়ে আসবেন না তারপরে ভালো দেখে নিবেন। 

অনলাইন ক্লাসের জন্য সেরা এবং কমদামের ট্যাবলেট এর কোন ফিচার গুলো ভালো

অনলাইন ক্লাসের জন্য সেরা এবং কমদামের ট্যাবলেট এর যে ফিচারগুলো ভালো তার মধ্যে সবার আগে আসে বড় screen। ১০ ইঞ্চি হলে বই আর স্যারের স্লাইড একসাথে দেখা যায়। চোখের জন্য আই কেয়ার থাকলে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকলেও চোখের কোন সমস্যা হয় না বা চোখ ব্যথা করে না। ট্যাব নেওয়ার সময় অবশ্যই দেখে নেবেন ক্যামেরাটা যেন এম পি এর হয়। তাহলে ক্লিয়ার দেখতে পাবে আপনাকে। আর যদি দুইটা ইস্পিকার থাকে তাহলে স্যারের কথা ক্লিয়ার আর জোরে শোনা যাবে হেডফোন ছাড়াও ক্লাস করা যাবে। 

ট্যাবলেটের যে ফিটারগুলো ভালো তারমধ্যে আর একটা জরুরী জিনিস হলো ভালো নেট ধরা। ডুয়াল ওয়াইফাই থাকলে ঘরের এক কোনায় বসে ও ক্লাস ল্যাগকরবে না। ব্যাটারি বড় হলে ক্লাস থেকে পর্যন্ত একবারও চার্জ দিতে হবে না। আবার এর সাথে যদি কলম দিয়ে লেখা যায় এরকম অপশন থাকে তাহলে থাকার মত করে অংকও করা যায়। আর এটার যদি মোটা কভার থাকে তাহলে হাত থেকে যদি ভুলে পড়ে যায় তাহলে ট্যাবের কোনো ক্ষতি হবে না।এই জিনিসগুলো কমদামের ট্যাবে এখন পাওয়া যায়। 

অনলাইনে ক্লাসের জন্য ট্যাবলেট নাকি পুরনো ল্যাপটপ

অনলাইনে ক্লাসের জন্য ট্যাবলেট নাকি পুরনো ল্যাপটপ, এইটার সোজা হিসাব হল ট্যাব নিলে সুবিধা বেশি। কারণ ব্যাগে রাখা যায়, এইটা সাইজে ছোট ওজন কম। বহন করা অনেক ভালো হয়। ক্লাসের লিংকে টাচ করলেই ঢোকা যায়। ক্যামেরা সামনে থাকে তাই স্যারের সাথে কথা বলা সহজ হয়। ১০ থেকে ১১ হাজার টাকার মধ্যে নতুন টাচ কিনে দুই বছর নিশ্চিন্তে ক্লাস করা যায়। কারেন্ট চলে গেলে ও ঘন্টার পর ঘন্টা চলে। এর সাথে যদি কলম থাকে তাহলে খাতার মতো অংক করা যায় এটা অনেক ভালো। 

এবার আসি ল্যাপটপের দিকে ল্যাপটপ এ কাজেরস্পিড নিয়ে। কিবোর্ড আর আছে তাই বড় রচনা লিখতে সময় কম লাগে। পি ডি এফ, ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট খোলা যায়। হলো বা আঠারো হাজারের সেকেন্ড হ্যান্ড  ল্যাপটপ খুঁজলে পাওয়া যাবে। কিন্তু এইটার চার্জ খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায়, আবার মাঝে মাঝে হ্যাংও করে। আবার গরম হয়ে যায় অনেক। তাই যদি ক্লাসের জন্য কেউ ডিভাইস কিনতে চাই তাহলে বলবো ট্যাপ ভালো হবে। আর বাসায় বসে প্রজেক্ট এর কাজ যদি থাকে তাহলে পুরনো ল্যাপটপে কাজ ভালো হবে। আবার টাইপিং শেখার জন্য ল্যাপটপ বেস্ট। 

গ্রামের নেটেও চলবে এমন ট্যাবলেট কোনগুলো

গ্রামের নেটেও চলবে এমন ট্যাবলেট হলো যেগুলোর ভিতরে সিম লাগানো যায় সেগুলো। যেমন walton Primo t8,Symphony Z40এই ট্যাব গুলোতে গ্রামীণ, বাংলালিংক, রবি, সিম ঢুকিয়ে নেট চালানো যায়। ওয়াইফাই না থাকলেও কোন সমস্যা হয় না। ক্লাসের ভিডিও একটু আস্তে লোড হলেও থেমে যায় না। অনেক সুন্দর ভাবে থাকে। আবার দামও বেশি না ৮ থেকে ৯ হাজারের মধ্যে এই ট্যাবগুলো  পাওয়া যায়। তারপরেও কিনতে গেলে দেখে শুনে বুঝে ভালো দেখে কিনতে হবে। 

গ্রামের নেটেও চলবে এরকম ট্যাবগুলো এর মধ্যে আরেকটা বড় ব্যাটারির ট্যাব। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ক্লাস করলেও শেষ হয় না। স্ক্রিন বড় ১০ ইঞ্চি তাই বোর্ডের লেখা ঝাপসা লাগেনা। আর মেমোরি কার্ড লাগানো যায় ভিডিও মেমোরিতে রেখে পরে যদি কোন কিছু ভুলে যাওয়া হয়, তাহলে পুনরায় ভিডিওটা দেখে ভালোভাবে প্র্যাকটিস করা যায়। গ্রামে সাধারণত নেট স্লো থাকে তাই গ্রামের জন্য এই ট্যাবগুলো সব থেকে ভালো। 

যে ভুলগুলোর কারণে ট্যাবলেট দ্রুত নষ্ট হয়

যে ভুলগুলোরকারণে ট্যাবলেট খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয় তার মধ্যে সবচেয়ে বড় কারণ হলো, চার্জে লাগিয়ে গেম খেলা। চার্জে লাগিয়ে গেম খেললে গরম হয়ে ব্যাটারি ফুলে যায়। আবার সারারাত  চার্জে রাখলেও ব্যাটারি দুর্বল হয়ে যায় কিন্তু। নোংরা হাতে টাচ করলেই স্ক্রিনের দাগ পড়ে যায়। আবার পকেটে বা যে ব্যাগে বই রাখে সেই ব্যাগে যদি ট্যাব রাখে তাহলে স্ক্রিন ফেটে যাওয়ার বেশি থাকে। 

যে কারণে ট্যাব খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয় তার মধ্যে আরো একটা কারণ হলো, পানি আর ধুলা এই দুটো ট্যাবের বড় শত্রু। বৃষ্টিতে ভিজে গেলে ভেতরের যন্ত্র নষ্ট হয়। তাই রান্না করার সময় ট্যাপ রান্নাঘরে না নিয়ে যাওয়াই ভালো। সাবধানতার সাথে নিয়ে যেতে হবে। আবার অরজিনাল চার্জার না ব্যবহার করলে সার্কিট পুড়ে যায় তাই সময় অরজিনাল চার্জার ব্যবহার করতে হবে। সব সময় ১০০% ভুল করে ফেলে রাখা ও ঠিক না। আবার একদম ০% করে বন্ধ করে রাখালেওব্যাটারি ডাউন হয়ে যায় ছোট ছোট ভুলেরকারণেই খুব দ্রুত এমনকি ছয় মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। 

কম দামে ট্যাব কিনে কিভাবে তিন বছর চালানো যায়

কম দামে ক্যাপ কিনে ও বেশ কয়েক বছর চালানো যায়। কেন জানেন? এর প্রথম কাজ হল যত্ন নেওয়া। শুধু ট্যাব নয় যে কোন জিনিস যত্নে অনেকদিন টিকে থাকে। তাই তাদের যত্ন নিবেন সবসময় কভার স্কিন গার্ড লাগিয়ে রাখবেন। তাহলে হাত থেকে পড়ে গেলেও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। অরজিনাল চার্জার দিয়ে চার্জ দিতে হবে ২০% এর নামার আগেই চার্জে দিতে হবে। আর ৯০% হলেই চার্জার খুলে ফেলতে হবে। এতে ব্যাটারি অনেক দিন ভালো থাকবে মাসে সব অপ্রয়োজনীয় যত অ্যাপ আছে সব ডিলেট করে দিতে হবে।তাহলে ট্যাব অনেক হালকা হবে। আর ভাইরাসও কম দেখা যাবে।

আরো পড়ুন :চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে ব্লক পোস্ট লেখার সঠিক নিয়ম। 

কম দামে ট্যাব  কিনেও কিভাবে তিন বছর চালানো যায় এর আরেকটা কারণ হলো নিয়ম মেনে ব্যবহার করা।ট্যাব কখনো গরম হতে দেওয়া যাবে না। রোদে বা বালিশের উপরে রেখে ভিডিও দেখা যাবে না। পানি আর ধুলা থেকে ট্যাবকে সবসময় দূরে রাখতে হবে।  সফটওয়্যার আপডেট আসলে সাথে সাথে দিতে হবে। ভারিকেন ইন্সটল না করাই ভালো। কারণ ভারী গেম ইন্সটল করলে অনেক ভারী হয়ে যায়। তাই যতটুকু প্রয়োজন পড়ারকাজে ব্যবহার করলে বেশ কয়েক বছর যাবে। ৫-৬ টা নিয়ে মেনে চললেই  ৮-৯ হাজারের ট্যাবেও তিন বছর আরামে কাজ করা যাবে। 

অনলাইন ক্লাসের জন্য সেরা এবং কমদামের ট্যাবলেট কোনটা

অনলাইন ক্লাসের জন্য সেরা এবং কমদামের ট্যাবলেট নিবেন, করে আপনার বাজেটের উপরে।যদি ৮ হাজারের মধ্যে নিতে চান তাহলে symphonyআর z40এইটা ১০ হাজারের মধ্যে পাওয়া যায়। এই ট্যাব গুলোতে 4Gসিম চলে। ওয়াইফাই না থাকলেও হবে না। ৩ জিবি রেম আর বড় ব্যাটারি থাকায় সারাদিন টানা ক্লাস করা যায়। এই ট্যাবের খুব বেশি না। তাই যেখানে সেখানে ব্যাগে করে নিয়ে যাওয়া যায়। 

অনলাইনে ক্লাসের জন্য সেরা এবং কমদামের ট্যাবলেট যদি টেকসই তাহলে Walton Primo T8 দেখতে পারেন। এর মূল্যপ্রায় নয় হাজারের মতো। স্ক্রিন বড় চার্জ 8 ঘন্টা থাকে ডাটা সেভার  আছে বলে কম এমবিতে ইউটিউবে ক্লাস চলে। মেমোরি কার্ড দিয়ে স্টোরেজ বাড়ানো যায়। নোট লেখার জন্য সাথে কলমও পাবেন। শুধু অনলাইন ক্লাসের জন্য এই ট্যাবের থেকে ভালো নেই বললেই চলে। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি যদি ইচ্ছা পুরন এর কোন পোস্টে কমেন্ট করতে চান, তাহলে এর নীতি মেনে কমেন্ট করুন। কারন প্রত্যেকটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url