প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং শেখার ফ্রি অ্যাপস

প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং শেখার ফ্রি অ্যাপস সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে আজকের আমার এই লেখাটা আপনার জন্য। এখানে টাকা ছাড়াই মোবাইল দিয়ে প্রো লেভেলের ভিডিও বানানোর সেরা ৫ টি অ্যাপ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। নতুনদের জন্য সহজ ভাষায়।  

প্রফেশনাল-ভিডিও-এডিটিং-শেখার-ফ্রি-অ্যাপস

ভূমিকাঃপ্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং শেখার ফ্রি অ্যাপস দিয়ে এখন মোবাইলে প্রো লেভেলের ভিডিও বানানো যায়। আগে ভিডিও এডিটিং শিখতে দামী ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের প্রয়োজন হতো। কিন্তু এখন মোবাইল দিয়ে cap cut,VN, kine master এইসব ফ্রি  অ্যাপসগুলো দিয়ে প্রো লেভেলের ভিডিও এডিটিং করা যায়। এই অ্যাপস গুলো দিয়ে কাট, ফিল্টার, মিউজিক যোগ করা খুব সহজ। আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে দুই-তিন দিনের মধ্যে সব কিছু শিখে সুন্দর সুন্দর ভিডিও বানাতে পারবেন। 

সূচিপত্রঃপ্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং শেখার ফ্রি অ্যাপস নতুনদের জন্য প্রো লেভেলের সেরা ৫ টি অ্যাপস সহজ ভাষায় 

প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং শেখার ফ্রি অ্যাপস ৫টি নতুনদের জন্য

প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং শেখার সেরা ৫ টি ফ্রি অ্যাপস নতুনদের জন্য। যারা একদম নতুন ভিডিও এডিটিং শিখছেন তারা প্রথমে অনেক কিছুই বোঝেনা, কিছু কিছু যে ফ্রি অ্যাপস  আছে সেটাও জানে না। নতুন অবস্থায় ফ্রি অ্যাপস দিয়ে কাজ করলে অনেক ভালো হয়। ৫ টি সেরা ফ্রি অ্যাপস হলো -

  1. capcut বর্তমানে খুব টেন্ডিংয়ে আছে। কারণ এটা তো খুব সহজেই ভিডিও এডিটিং করা যায়। অটো ক্যাপশন ও টেন্ডিং ইফেক্ট আছে। কিন্তু কোন ওয়াটার মার্ক নেই। 
  2. VN video editor এই অ্যাপটা প্রফেশনাল এডিটরদের খুব পছন্দ। কালার গ্রেডিং ও কি-ফ্রেম এর  মত অ্যাডভান্স টিচার আছে তারপরেও ব্যবহার করা অনেক সহজ।
  3. Kine master এটা অনেক পুরনো এবং জনপ্রিয় অ্যাপ। অনেকগুলো লেয়ার নিয়ে কাজ করা যায়। ইউটিউব ভিডিওর জন্য সেরা অ্যাপ। 
  4. inshot এই অ্যাপসটা রিলস এবং শর্ট ভিডিওর জন্য বস হিসেবে কাজ করে। এক মিনিটেই খুব সুন্দর ভিডিও বানানো যায় এবং ফিল্টার গুলো অনেক বেশি সুন্দর। 
  5. you cut যাদের মোবাইলের রেম কম তাদের জন্য এই অ্যাপসটা সেরা অ্যাপ। এই অ্যাপটা খুব হালকা এবং ওয়াটার মার্ক ছাড়াই HD video সেভ করা যায়। 

ভিডিওতে টেক্সট এবং অটো ক্যাপশন যোগ করা

একটা প্রফেশনাল ভিডিও বানানোর জন্য টেক্সট বা ক্যাপশনটা অনেক জরুরী। কারণ ভিডিওর প্রথমে যদি কিছু না লেখেন তাহলে কেউ বুঝতে পারবে না আপনার ভিডিওটা কি নিয়ে। আর আপনি যদি ভিডিওর প্রথমে একটা ক্যাপশন লিখে দেন তাহলে মানুষ বুঝতে পারবে যে ভিডিওটা তারা দেখতে যাচ্ছে সেটা কেমন হতে পারে বা কি বিষয় নিয়ে। তাহলে খুব সহজে মানুষ দেখার আগ্রহ করবে। 

বর্তমানে অটো ক্যাপশনটা টা অনেক জনপ্রিয় একটা বিষয়। আপনি যখন কথা বলবেন তখন অ্যাপটি এটি অটোমেটিক ভাবে  সেটা লেখায় পরিণত করে দেবে। এটা করাতে যারা কানে একটু কম শুনে বা ভিডিও বুঝতে সমস্যা হয় তারা লেখা দেখে বুঝে নিতে পারবে। ফেসবুকে প্রায় ৮০% মানুষ শব্দ ছাড়াই ভিডিও দেখে। তাই আপনি যদি ভিডিওতে অটো ক্যাপশন দেন তাহলে আপনার ভিউ অনেক বেশি বাড়বে। 

কালার গ্রেডিং দিয়ে সিনেমার মতো ভিডিও বানানো

কালার গ্রেটিং মানে আপনার ভিডিওকে সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা। আপনার মোবাইলে তোলা সাধারণ ভিডিও যদি আপনি মনে করেন সিনেমার মতো বানাবেন তাহলে, আপনি সিনেমার মতো কালারফুল বানাতে পারবেন। এর জন্য ভিএন বা ক্যাপকাট এসব অ্যাপস গুলো দিয়ে আপনি এরকম ভিডিও বানাতে পারবেন। 

ওইখানে সেইরকম করে দেওয়া থাকবে আপনি শুধু চাপ দিলেই আপনার ভিডিও কালা ফুল হওয়া শুরু করবে। আপনার যেই রকম পছন্দ আপনি করে ভিডিও সেভ করতে পারবেন। কালার পরিবর্তন করে ভিডিও কে অনেক সুন্দর একটা লুক  দেয়। তবে কালার গ্রেডিং করার সময় একটা কথা সবসময় মনে রাখবেন। ভিডিওতে বেশি কালার দিবেন না, কারণ বেশি কালার দিলে ভিডিওর সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়,নকল নকল মনে হয়। আর কালার অল্প দিলেন ন্যাচারাল লাগে দেখতেও ভালো লাগে।  

কপিরাইট ফ্রি মিউজিকের অ্যাপস কোথায় পাবেন

অনেক ভিডিও আছে যেগুলোতে গান বা ভালো ভালো কথা যোগ করতে হয়। আর সেটাই হচ্ছে বড় সমস্যা গান যোগ করলে ফেসবুক মামা কপিরাইট ধরিয়ে দেয়। আর নতুনরা তো বুঝতেই পারেনা গান দিতে হয় কিনা  কোথায় থেকে দিতে হয় কিছুই জানে না। আপনি যদি কোন ভিডিওতে গান লাগে ফেসবুক অথবা ইউটিউবে দেন তাহলে আপনার কপিরাইট চলে আসবে। তবে আপনার যখন পারমিশন থাকবে মিউজিক দেওয়ার তখন আর কপিরাইট আসবে না। 

কিন্তু অনেকেই না বুঝে গান বা মিউজিকের পারমিশন না দেওয়ার আগে মিউজিক দেয় ভিডিওতে তখন কপিরাইট চলে আসে। আর এ কপিরাইট আসার কারণে আপনি টাকা পাবেন না। তাই কি করতে হবে কপিরাইট ফ্রি মিউজিক বা গান দিতে হবে। কপিরাইট ফ্রি মিউজিক কোথায় থেকে দিব চলুন জেনে নেই। 

কপিরাইট ফ্রি মিউজিক পাওয়ার ভালো উপায় হলো YouTube audio library। এখানে হাজার হাজার ফ্রি গান আছে। এছাড়া ক্যাপ কাট এর ভিতর ও অনেক ফ্রি মিউজিক আছে। এগুলো ব্যবহার করলে কপিরাইট আসবে না কারণ এগুলো হচ্ছে কপিরাইট ফ্রি। আপনি চাইলে  Facebook sound collection থেকেও ফ্রি মিউজিক নিতে পারেন এগুলো নিলে কোন সমস্যা হয় না। 

ভিডিও এক্সপোর্ট করার সঠিক সময়

ভিডিও এডিটিং করার পরে ভিডিও সেভ করার সময়কে  বলা হয় এক্সপোর্ট করার টাইম। এক্সপোর্ট করার সময় অনেকেই ভুল করে ফেলে এজন্য ভিডিওটা ভালো হয় না, ভিডিওটার কোয়ালিটি খারাপ হয়ে যায়। এ ভুল করার কারণে ভিডিও অনেক সময় অনেক বড় হয়ে যায় ছোট হয়ে যায় সঠিক নিয়মে ভিডিও এক্সপোর্ট করতে হবে। 

আরো পড়ুনঃবিনা পুঁজিতে ঘরে বসে মেয়েদের অনলাইন ইনকাম। 

মনে রাখবেন ভিডিও এক্সপেক্ট করার সঠিক নিয়ম হচ্ছে 1080p রেজুলেশনের ভিডিও এক্সপোর্ট করা। এটা ইউটিউব এবং ফেসবুকের জন্য পারফেক্ট। আর ফ্রেম রেট সব সময়  30fps রাখবেন আর যদি স্লো মোশন ভিডিও বানান তাহলে 60fps রাখতে পারেন। আর বিট রেট হায় রাখবেন। একটা কথা মাথায় রাখবেন ভালো কোয়ালিটিতে ভিডিও এক্সপোর্ট করলে ভিডিও দেখতে অনেক সুন্দর হয় আর মানুষেও দেখতে পছন্দ করে তাই ভিডিও এক্সপোর্ট করার সময় একটু খেয়াল রাখবেন। 

ফ্রি অ্যাপ এ ওয়াটারমার্ক এর সমস্যা ও সমাধান

ওয়াটারমার্ক অর্থ হচ্ছে অনেক ফিরি অ্যাপস আছে যেগুলো দিয়ে ভিডিও বানালে ভিডিওর উপরে তাদের লোগো দেওয়া থাকে। মানে তাদের ভিডিও দিলে ওয়েব সাইটের নামটা লেখা থাকে। আরে ওটার মার্ক টা যদি থাকে তাহলে ভিডিও দেখতে ভালো লাগে না মনে হয় কারো কাছ থেকে ধার করে নিয়ে আসা ভিডিও। প্রফেশনাল লাগে না। আগে জেমিনিতে ফ্রি ভিডিও দিত কিন্তু এখন আর দেয় না সেখানেও তাদের লোগো দেওয়া থাকতো। 

তবে চিন্তার কিছু নেই cap cut, BN video editor, এবং you cut এসব অ্যাপসগুলোতে কোন ওয়াটার মার্ক নেই। আপনি যদি একদম ফ্রিতে ভিডিও বানাতে চান মার্কো না চান তাহলে এই তিনটা অ্যাপস ব্যবহার করে ভিডিও বানালে কোন ওয়াটার  মার্ক থাকবে না। এতে আপনার ভিডিওগুলো একদম প্রফেশনাল ও পরিষ্কার দেখাবে কোন টাকা পয়সা লাগবে না। 

প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং শেখার ফ্রি অ্যাপস  নতুনদের জন্য কোনটি সেরা

প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং শেখার ফ্রি অ্যাপস নতুনদের জন্য আমি দুইটা অ্যাপসের কথাই সাজেশন করব সেটা হচ্ছে -

  1. capcut 
  2. VN video editor 

এই দুটোর নাম করার কারণ হলো এই দুইটা অ্যাপস এর কোন বিরক্তিকর বিজ্ঞাপন নেই। আর এটার ইন্টারফেস একদম পরিষ্কার। আপনি যদি এটা কখনো ব্যবহার না করেন প্রথমে ব্যবহার করতেই গেলেই বুঝতে পারবেন কোথায় ভিডিও যোগ করতে হয় কোথায় গান যোগ করতে হয়। ইউটিউবে এই দুইটা অ্যাপস এর হাজার হাজার টিউটোরিয়াল আছে। আপনি ওইখান থেকে দেখেও কাজ করতে পারবেন। 

প্রফেশনাল-ভিডিও-এডিটিং-শেখার-ফ্রি-অ্যাপস

আপনি যদি একদম শূন্য থেকে শুরু করতে চান তাহলে আমি বলব আপনি ক্যাপ কাট দিয়ে শুরু করতে পারেন।এখানে অটো ক্যাপশন দেওয়া থাকে।  যেটা আপনার কথাকে লিখা দিয়ে বুঝিয়ে দেবে। ভিডিওতে যে কথাগুলো বলবে ওই কথাগুলো ভিডিওর উপর দিয়ে লেখা আকারে দেখাবে।তখন ভিডিওটা দেখতে আরো বেশী সুন্দর লাগবে আপনার সময়ও বেঁচে যাবে এক্সট্রা ভাবে কিছু করতে হবে না। তাই আমি বলব নতুনদের জন্য ক্যাপকাট বেস্ট। 

ফ্রি অ্যাপস দিয়ে প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং শিখে ইনকাম 

ভিডিও এডিটিং শেখার পরে ইনকামের অনেক পথ রয়েছে। প্রথমে আমি যেটার নাম করবো সেটা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং, ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে ভিডিও এডিটিং করেও টাকা ইনকাম করতে পারবেন। প্রথমে আপনি একটা ফাইভারে একাউন্ট খুলে গিগ দিবেন আমি প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং করতে পারি। তখন বিদেশ থেকে অনেকেই নক দিবে আপনাকে ১০ ডলার ২০ ডলার ৫০ ডলার এডিট করার জন্য। আপনি যদি ভালো ভিডিও এডিটর হতে পারেন তাহলে পাঁচ মিনিটেই আপনি ১০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

আর একটা রাস্তা হল নিজের ফেসবুক পেজ বা ইউটিউব চ্যানেল খুলে ভিডিও এডিট করে পোস্ট করা। আপনি যদি সুন্দর করে ভিডিও এডিট করে আপনার পেইজে ভিডিও আপলোড করতে পারেন তাহলে অনেক view আসার সম্ভাবনা আছে। তাছাড়া আপনার এলাকার অনেক দোকান আছে, যারা ভিডিও এডিট করতে পারে না। তাদের ভিডিও এডিটিং করেও আপনি টাকা ইনকাম করতে পারেন। 

ক্যাপকাট  বর্তমানে এত জনপ্রিয় কেন

বর্তমানে ক্যাপকাট হচ্ছে ভিডিও এডিটিং এর জন্য এক নাম্বার জনপ্রিয় অ্যাপস। কারণ এটা টিক টক কোম্পানি তৈরি করেছে,তাই tiktok এর শট রিলস এগুলোর জন্য সবথেকে বেটার।,এর থেকে আর ভালো কোন অ্যাপস নেই tiktok এর জন্য। এই অ্যাপস টার মধ্যে হাজার হাজার ট্রেন্ডিং ইফেক্ট , ফিল্টার, আর গান আছে ফ্রিতে দেওয়া আছে। আপনি যদি চান তাহলে এক মিনিটের মধ্যে আপনার ভিডিও ভাইরাল স্টাইলে এডিট করতে পারেন। 

ক্যাপ কাটের সব থেকে শক্তি হল এ আই ফিচার। এখানে আছে অটো কাট, অটো রিমুভ, অটো ক্যাপশন  4KK এক্সপোর্ট এর মত ফিচার আছে। যা অন্য কোন ফ্রি অ্যাপসের মধ্যে নেই। আর সব থেকে ভালো দিক হলো ভিডিও এডিট করার পরে কোন ওয়াটার মার্ক থাকে না। আপনি HD কোয়ালিটিতে ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন একদম ফ্রিতে । 

inshot রিলসের জন্য সব থেকে ভালো

আপনি যদি ছোট ছোট রাতে বেশি পছন্দ করেন যেমন পুরনো ১৫ সেকেন্ডের রিলস ৩০ সেকেন্ডের শর্ট ভিডিও তাহলে "ইনশট "আপনার জন্য সব থেকে ভালো একটা অ্যাপ। এই অ্যাপসটা সাধারণত ছোট ছোট ভিডিওর জন্য বানানো হয়েছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে খুব দ্রুত ভিডিও কাটা যায় গান জোড়া দেওয়া যায়,টেক্সট জোড়া দেওয়া যায়। এর ফিচারগুলো ইনস্টাগ্রাম এর জন্য সব থেকে ভালো। 

InShot ভিডিওর সাইজের জন্য অনেক ভালো কাজ করে। আপনি একই ভিডিও কে ১৬:৯, ৯:১৬, ১:১ যে কোন সাইজে বানাতে পারবেন। সব সাইজগুলো এই অ্যাপসের মাধ্যমে বানানো যায় তাই ফেসবুক ইউটিউব ইনস্টাগ্রাম টিক টক সব জায়গাতেই এখান থেকে দেওয়া যায়। এই অ্যাপটা খুব হালকা এবং অনেক ফাস্ট। নতুনদের জন্য মতে কোন ভাল অ্যাপ হতে পারে না। 

কম্পিউটার ছাড়া কি সত্যি প্রকাশনার ভিডিও বানানো যায়

অবশ্যই কম্পিউটার ছাড়া এখন ভিডিও বানানো যায়। ৫ থেকে ৭ বছর আগে হয়তো কম্পিউটার ছাড়া প্রফেশনাল ভিডিও বানানো যেত না কিন্তু মোবাইলের অ্যাপ গুলো এত পরিমানে উন্নত হয়েছে যে এখন মোবাইল দিয়ে এই কম্পিউটারের প্রায় সব কাজ করা যায়। বাংলাদেশের এখন অনেক বড় বড় ইউটিউবাররা আছে যারা এখন পর্যন্ত মোবাইল দিয়েই ভিডিও বানানো থেকে সব কাজ করে থাকে। 

আরো পড়ুনঃবাংলাদেশে কম বাজেটের মধ্যে সেরা গেমিং স্মার্টফোন রিভিউ 

মোবাইলে এডিটিং করার সব থেকে বড় সুবিধা হল আপনি যখন খুশি যেখানে খুশি বসে ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন। এর জন্য আপনার কোন টেনশন করা লাগবে না। অফিসে বসে, ঘরে শুয়ে শুয়ে, আপনি যদি কোথাও বেড়াতে যান সেখানে বসে ও ভিডিও এডিটিং এর কাজটা করতে পারবেন। ঘন্টার পর ঘন্টা কম্পিউটারের সামনে এখন আর বসে থাকতে হয় না। তাই আপনার যদি একটা ভালো ফোন থাকে তাহলে আপনার সমস্ত কাজ করা যাবে। তাই এখন থেকে কম্পিউটারের চিন্তা বাদ দিয়ে আপনার হাতের ফোন দিয়ে প্রফেশনাল ভিডিও বানান। 

ভিডিও এডিটিং শিখতে কতদিন সময় লাগে

ভিডিও এডিট করা শিখতে কখনো কম সময় লাগে আবার অনেক সময় বেশি সময় লাগে এটা নির্ভর করবে সম্পূর্ণ আপনার উপরে। আপনি যদি মনোযোগ সহকারে প্রতিদিন এক ঘন্টা সময় দেন তাহলে, বেসিক যেগুলো কাট, ট্রিম,ভয়েস যোগ করতে তিন চারদিন সময় লাগবে। আপনি ইউটিউবে গিয়ে যেসব ভিডিও এডিটিং এর ভিডিও থাকে সেগুলো দেখলে আপনি খুব দ্রুত ভিডিও এডিটিং এর কাজটা শিখতে পারবেন। 

প্রফেশনাল লেভেলের ভিডিও বানাতে গেলে যেমন- কালার গ্রেডিং, কি-ফ্রেম অ্যানিমেশন, গ্রিন স্কিন এইগুলো শিখতে কমপক্ষে দুই মাস সময় লাগতে পারে। সেজন্য আপনাকে ধৈর্য ধরে কাজগুলো শিখতে হবে। আপনি প্রতিদিন যদি এভাবে প্র্যাকটিস করতে থাকেন তাহলে একসময় আপনি প্রফেশনাল লেভেলের ভিডিও অনায়াসে বানাতে পারবেন। তবে এসব কাজে কখনো তাড়াহুড়া করবেন না আর ধৈর্য হারা হবেন না। 

প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং শেখার ফ্রি অ্যাপস এর শেষ কথা

প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং শেখার ফ্রি অ্যাপস এর শেষ কথাটা আমি একটাই কথা বলব  আপনারা কম্পিউটার বা ল্যাপটপের অপেক্ষায় বসে না থেকে আপনার হাতের ফোন দিয়েই আজকে থেকেই ভিডিও সোনার বানানোর কাজে নেমে পড়ুন। এখন আপনার হাতের ফোন দিয়েই ছেলেটির ভিডিও বানানো যায়। তবে মনে রাখবেন এসব কাজ করতে গেলে অবশ্যই ধৈর্যের প্রয়োজন হয়। 

আর একটা কথা মনে রাখবেন অ্যাপস থাকলে এডিটর হওয়া যায় না। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য আর প্র্যাকটিস। এই দুইটা যদি আপনার মধ্যে থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই শিখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। তাই দেরি না করে থেকে আপনার পছন্দের একটি দিয়ে ভিডিও এডিটিং এর কাজ শুরু করে দিন। আপনাদের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। 

আর একটা কথা, আশা করি আমি এই আর্টিকেলের মধ্যে প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং শেখার ফ্রি অ্যাপস সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পেরেছি। তারপরেও যদি মাঝে কোন ভুল থাকে বা কোন কিছু লিখতে ভুলে যায় তাহলে আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আর কোন কিছু বুঝতে সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন আমি বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। সবাই ভালো থাকবেন আল্লাহ হাফেজ। 

প্রশ্নোত্তর ঃ

প্রশ্ন ১ঃকোন অ্যাপে কোন ওয়াটার মার্ক থাকে না? 

উত্তরঃ capcut, VN video editor, YOU Cut এসব অ্যাপগুলোতে কোন ওয়াটার মার্ক থাকে না। এগুলো একদম পরিষ্কার ও সুন্দর ভিডিও দেয়। 

প্রশ্ন ২ঃ ২ জিবি রেমের মোবাইলে কোন অ্যাপ ভালো চলবে? 

উত্তরঃ ২ জিবি ram এর মোবাইলের জন্য you cut এবং in shot সবচেয়ে ভালো। এগুলো অনেক হালকা এবং খুব ভালো চলে। 

 



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি যদি ইচ্ছা পুরন এর কোন পোস্টে কমেন্ট করতে চান, তাহলে এর নীতি মেনে কমেন্ট করুন। কারন প্রত্যেকটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url