সৌদি আরবে বাংলাদেশি ব্যাংক একাউন্ট খোলার পদ্ধতি
ভিসা ছাড়াই বিদেশে যাওয়ার কৌশল
সৌদি আরবে লক্ষাধিক বাংলাদেশী প্রবাসী কাজ করছে। দূরে থেকেও পরিবারের জন্য ভালোবাসা একটু কমেনা। দূর থেকে পরিবারের জন্য টাকা পাঠানো আর এই টাকা পাঠাতে গিয়ে যে কষ্ট করে সেটা তাদের দৈনন্দিন কাজ।
কিন্তু অনেক প্রবাসী জানে না সৌদি আরবে বসে কিভাবে বাংলাদেশি একাউন্ট নিজের নামে খুলতে হয়। অ্যাকাউন্ট না থাকায় রেমিটেন্স পাঠাতে হুন্ডির ওপর নির্ভরশীল হতে হয়। তাই বিদেশে বসে নিজের নামে বাংলাদেশী একাউন্ট খোলার পদ্ধতি নিচে দেওয়া হল।
১. সৌদি থেকে বাংলাদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা কি সম্ভব, বাংলাদেশের ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো প্রবাসী বাংলাদেশী সৌদি আরব থেকে বসেই বাংলাদেশে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবে। এইজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য আসার প্রয়োজন নেই। সব কাজ অনলাইনে, আছেন কুরিয়ারে আর ইমেইলের মাধ্যমে করা যায়। সরকার প্রবাসীদের সুবিধার জন্যই NRB চালু করেছে। এই ব্যবস্থা টা করাতে অনেক প্রবাসীর সুবিধা হয়েছে অন্তত নিজের টাকা নিজের একাউন্টে রাখার একটা সুন্দর ব্যবস্থা।
এই একাউন্টের সবথেকে বড় সুবিধা হল, সৌদি রিয়াল বা ডলার সরাসরি জবা রাখা যায় । আবার যদি ইচ্ছা হয় বাংলাদেশি টাকায় কনভার্ট করে রাখবেন সেটাও করা যাবে। দেশে থাকা বাবা-মা ভাই-বোন বা স্ত্রী সন্তান এই টাকা খুব সহজেই তুলতে পারবেন। ডেবিট কার্ড দিয়েও সৌদির যেকোনো এটিএম থেকে টাকা তোলা যায়। তাই প্রবাসে থেকেও দেশের ব্যাংকিং সুবিধা ১০% ভোগ করতে পারবেন। তবে একটা কথা না বললেই নয়, বিদেশে কষ্ট করে টাকা ইনকাম করে সব টাকা বিশ্বাস করে দেশে পাঠানো উচিত হবে না ।নিজের নামেও কিছু জমিয়ে রাখা অবশ্যই প্রয়োজন।
২. কোন ব্যাংক প্রবাসীদের জন্য অ্যাকাউন্ট খুলতে দেয়, প্রায় সব ব্যাংকেইNRB সার্ভিস দিয়ে থাকে। ইসলামী ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ,পূবালী ব্যাংক, ব্রাক ব্যাংক, এইসব ব্যাংকগুলোতেই বিদেশি কর্নার আছে। এইসব ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইসলামী ব্যাংকেরNRB সেভিং অ্যাকাউন্ট আর ডাচ বাংলা ব্যাংকেরNRB অ্যাকাউন্ট সব থেকে জনপ্রিয়। কারণ এদের সৌদিতে এজেন্ট ব্যাংকিং আর এটিএম নেটওয়ার্ক অনেক বড়।
ব্যাংক সিলেট করার সময় তিনটি জিনিস অবশ্যই দেখতে হবে। এই তিনটা জিনিস অবশ্যই যাচাই-বাছাই করতে হবে। ১, সৌদিতে তাদের প্রতিনিধি অফিস বা এজেন্ট আছে কিনা।
২, অনলাইন ব্যাংকিং আর মোবাইল স্মুথ কিনা।
৩. ডেবিট কার্ডের ইয়ারলি চার্জ আর হিডেন ফি কম কিনা।
ইচ্ছা করলে ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি আবেদন করা যাবে। আবার সৌদিতে থাকা ব্যাংকের এজেন্ট এর কাছেও ফর্ম জমা দেওয়া যাবে।
আরো পড়ুন:NRB ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সম্পূর্ণ নিয়ম
৩. সৌদিতে বাংলাদেশি একাউন্ট খুলতে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন, একাউন্ট খুলতে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন এগুলো খুব জটিল বিষয় না।
১,প্রথমেই মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ক্লিয়ার ফটোকপি লাগবে। পাসপোর্টের ছবি আর সিগনেচার পাতার ছবি অবশ্যই লাগবে।
২. তারপরে লাগবে সৌদির ইনকাম বা রেসিডেন্স পারমিটের ফটোকপি। যদি ইনকাম না থাকে তাহলে ভিসার ফটোকপি দিলেও চলবে।
৩. তারপরে দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি লাগবে। ছবির পেছনে সৌদিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের সত্যায়িত সিল মারতে হবে।
৪. চতুর্থ হলো নমিনির এনআইডি কার্ডের ফটোকপি ও একটা ছবিও লাগবে। নমিনি হবে দেশে থাকা মা-বাবা, বউ ,ভাই বোন এসবের মধ্যে থেকে একজন।
৫ পঞ্চম ডকুমেন্ট হল সৌদির ঠিকানার প্রমাণ। প্রমাণ বলতে বাসার বিলের কপি আর সৌদির ড্রাইভিং লাইসেন্স। সব কাগজ সোজিতে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে সত্যায়িত করে নিতে হবে। সত্যায়িত ছাড়া কোন ব্যাংক কাগজ গ্রহণ করবে না এটা মনে রাখতে হবে।
৪. পাসপোর্ট ছাড়া কি একাউন্ট খোলা যায়, পাসপোর্ট ছাড়াNBR অ্যাকাউন্ট খোলা কখনোই সম্ভব না। পাসপোর্ট হলো প্রবাসী একাউন্ট খোলার মূল চাবিকাঠি। কারণ পাসপোর্টেই আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের ছবি ,আর সিগনেচার থাকে। ব্যাংক আপনার পরিচয় শুধু পাসপোর্ট দিয়ে ভেরিফিকেশন করবে।। ওই সময় এনআইডি কার্ড থাকলেও কোন কাজ হবে না। কারণ আপনি এখন বাংলাদেশের বাসিন্দা না প্রবাসীর বাসিন্দা।
যদি আপনার পাসপোর্ট এর মেয়াদ ছয় মাসের কম থাকে তাহলে আগে পাসপোর্ট রিনিউ করে নিতে হবে। মেয়াদ কম থাকা পাসপোর্ট দিয়ে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে চায় না। আর পাসপোর্ট যদি হারিয়ে যায় তাহলে থানায় জিডি করে আবার নতুন একটা পাসপোর্ট তারপর এখন খোলার আবেদন করতে হবে । পাসপোর্ট ছাড়া অ্যাকাউন্ট খোলার কোন লিগেল রাস্তা নেই। তাই পাসপোর্টটি হল আপনার আসল পরিচয়।
আরো পড়ুন : প্রবাসী ব্যাংক একাউন্ট খোলার যাবতীয় ডকুমেন্ট
৫. অনলাইনে আবেদন করার সম্পূর্ণ ধাপ, যে ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট আমরা খুলতে চাই প্রথমেই সে ব্যাংকের একাউন্টের ওয়েবসাইটে যেতে হবে। NRB বা প্রবাসী অ্যাকাউন্ট অপশন এ ক্লিক করতে হবে। তারপরে অনলাইনে আবেদন করার যে ফর্মটা আছে সেটা পূরণ করতে হবে। ফোনটা পূরণ করতে যা যা লাগে,
১, নিজের নাম
২, পাসপোর্ট নাম্বার
৩, সৌদির ঠিকানা
৪, মোবাইল নাম্বার এই সবগুলো ভালোভাবে দেখে ঠিকঠাক ভাবে দিতে হবে। ফরম পূরণের পর পাসপোর্ট, ইকামা, ছবিসহ স্ক্যান করেPDF করে আপলোড করতে হবে।
আপলোড শেষ হলে ফর্মটা প্রিন্ট করে বের করে নিতে হবে। প্রিন্ট করা ফর্মে সিগনেচার করে সৌদিতে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে সত্যায়িত করতে হবে। তারপরে সব ডকুমেন্ট একসাথে কুরিয়ার করে বাংলাদেশ ব্যাংকের হেড অফিসে পাঠাতে হবে। ব্যাংক ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আপনার সবকিছু চেক করে একাউন্ট একটিভ করে দেবে। আপনার অ্যাকাউন্ট যখন একটিভ হবে তখন ইমেইলে এসএমএস করে জানিয়ে দেবে।
৬. নমিনিং সিলেক্ট করার নিয়ম ও শর্ত, নমিনি হলো যে একাউন্ট খুলবে তার অবর্তমানে টাকার মালিক। তাই নমিনি যখন আপনারা সিলেক্ট করবেন তখন একটু ভেবেচিন্তে সিলেক্ট করবেন । নমিনি হতে হবে রক্তের সম্পর্কের কেউ হয়তো বাবা-মা, ভাই বোন, স্বামী- স্ত্রী, ছেলে মেয়ে, এদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা তাকে আপনি নমিনি বানাতে পারেন। নমিনের বয়স ১৮ বছরের উপরে হতে হবে কোন নাবালক নমিনি হতে পারেন।
নোমিনির জন্য তার এনআইডি কার্ডের ফটোকপি আর এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে। একাউন্ট ফর্মে নমিনির সিগনেচারও লাগবে। মন চাইলে একাধিক নমিনি রাখা যাবে। অনেকেই চায় বইয়ের নামেও করতে মায়ের নামেও করতে তারা দুজনের নামেই করতে পারবে। আর একটা সুবিধা থাকে নমিনের নামও পরিবর্তন করা যায়। অ্যাকাউন্ট খোলার পরে যদি মনে হয় আপনি নোমিন এর নাম চেঞ্জ করবেন তাহলে, যেকোনো সময় ব্যাংকে গিয়ে আবেদন করে নমিনির নাম চেঞ্জ করতে পারেন।
আরো পড়ুন:NRB একাউন্ট খোলার অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি।
৭. প্রাথমিকভাবে কত টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়া লাগে, বিভিন্ন ব্যাংক এর উপর ভিত্তি করে প্রাথমিকভাবে টাকা জমা দেওয়া লাগে। সাধারণত ৫০ থেকে দশ টাকা পর্যন্ত দেওয়া লাগে। ইসলামী ব্যাংকে এন আর বি সেভিংস একাউন্ট খুলতে ১০ টাকা লাগে। আর ডাচ বাংলা ব্যাংকে 50 টাকা হলেই একাউন্ট খোলা যায়। যে টাকাটা জমা দেওয়া হয় সে টাকা আপনার একাউন্টে জমা থাকবে ব্যাংক নিয়ে নেবে না। এই টাকাটা নেয় শুধু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট একটিভ থাকার জন্য অন্য কিছু না।
এই সিস্টেমে টাকা পাঠানো অনেক সহজ। আপনি সৌদি থেকে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, ম্যানগ্রাম বা ব্যাংক টু ব্যাংক সুইফট ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারবেন। টাকা পাঠানোর রিসিটটা একাউন্ট ফর্ম এর সাথে স্ট্র্যাপন করে দেবে। ব্যাংক টাকা রিসিভ করে একাউন্ট একটিভ করে দেবে। তাই প্রাথমিকভাবে টেনশন করার কোন দরকার নেই। এভাবে অল্প টাকাতেই অ্যাকাউন্ট চালু হয়ে যাবে।
৮, ডেবিট কার্ড ও চেক বই পাওয়ার উপায়, ব্যাংক একাউন্ট খোলার পর ব্যাংক একাউন্ট যখন একটিভ হবে তার 10-15 দিন পর ব্যাংক থেকে আপনাকে একটা ডেবিট কার্ড পাঠাবে। কারটা আপনার সৌদির দেওয়া ঠিকানায়DHLঅথবানFedEx কুরিয়ারে আসবে। কার্ডের সাথে পিনকোড আলাদা খামে আসবে। কার্ড যখন হাতে পাবেন তখন তখন ব্যাংকের ওয়েব সাইট বা কল সেন্টারে কল দিয়ে একাউন্ট একটিভ করে নিতে হবে। অ্যাক্টিভ না করলে ওই কার্ড দিয়ে টাকা তোলা যাবে না।
যদি চেক বই নিতে চান তাহলে আলাদা টিক দিতে হবে। অনলাইন ফর্মে যেখানে চেক বুক লেখা থাকবে সেখানে টিক দিলেই হবে। চেক বইও সৌদির ঠিকানায় কুরিয়ার করে পাঠিয়ে দেবে ব্যাংক । তবে চেক বইয়ের জন্য প্রথমে ১০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত চার্জ কাটতে পারে। ডেবিট কার্ড দিয়েই সৌদির যেকোনো এটিএম থেকে টাকা উঠানো যাবে। ভিসা বা মাস্টার কার্ড লোগো থাকা কার্ড নিলে বেশি সুবিধা।
আরো পড়ুন: প্রবাসীদের জন্য ডেবিট কার্ডের সুবিধা
৯. ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং চালু করার নিয়ম, একাউন্ট একটিভ হলেই ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর জন্য আবেদন করা যাবে। ব্যাংকের ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন ব্যাংকিং রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করতে হবে। সেখানে ইউজার আইডি আর স্ট্রং পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে। তারপরে মোবাইলে আসাOTP দিয়ে ভেরিফাই করতে হবে। ব্যাংক ২৪ ঘন্টার মধ্যে ইন্টারনেট ব্যাংকিং চালু করে দেবে। এরপরে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার দিয়ে সব কাজ শেষ করা যাবে।
মোবাইল অ্যাপ চালু করতে প্লে স্টোর থেকে ব্যাংকের অফিসিয়াল অ্যাপ নামাতে হবে। যে ব্যাংক দিয়ে কাজ করতে চান সেই ব্যাংকের অ্যাপসটা লগইন করতে হবে। অ্যাপ লগইন করা হলে একটা ইউজার আইডি পাসওয়ার্ড দিতে হবে। প্রথমে লগইন করলেই মোবাইলে একটা ওটিপি আসবে। ওটিপি ওখানে বসালেই অ্যাপসটি চালু হয়ে যাবে। এরপর থেকেই ব্যালেন্স চেক করতে পারবেন, যেখানে ইচ্ছা টাকা পাঠাতে পারবেন এক কথায় সব কাজেই করা যাবে।
১০. রেমিন্টন্স পাঠালে কতটুকু রেমিটেন্স পাওয়া যায়, সরকার প্রবাসীদের উৎসাহ দিতে ২.৫% নগদ প্রণোদন দেয়। সৌদি থেকে যদি কেউ বৈধ উপায়ে কোন চ্যানেলে টাকা পাঠায় তাহলে এ বোনাসটা পাওয়া যাবে। বোধো চ্যানেল বলতে ব্যাংক, বিকাশ, নগদ একাউন্ট, ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন কে বোঝানো হয়েছে। আর যদি হুন্ডিতে টাকা পাঠায় তাহলে বোনাস পাবে না। হুন্ডিতে টাকা পাঠাতে গিয়ে যদি ধরা পড়ে তাহলে জেলও হতে পারে। তাই সকলের উচিত বৈধভাবে দেশে টাকা পাঠানো।
বোনাস পাওয়ার শর্তই হল টাকা পাঠানোর'Purpose' লিখতে হবে Family support। টাকা NRB একাউন্টে ঢুকলেও বোনাস পাবে। ব্যাংক অটোমেটিক টাকার সাথে ২.৫% লাভ যোগ করে দেবে। তাই আমাদের সবারই উচিত বৈধভাবে দেশে টাকা পাঠানো। বৈধভাবে দেশে টাকা পাঠালে কোন চিন্তা থাকে না এতে দেশেরও লাভ হয় নিজেরও লাভ হয়। তাই সবসময় আমাদের উচিত বৈধভাবে দেশে টাকা পাঠিয়ে নিজের লাভ টুকু বুঝে নেওয়া।
১১. দেশে আসার পরে ব্রাঞ্চে না গেলে কি কোন সমস্যা হবে, না আপনি দেশে আসার পরে যদি ব্রাঞ্চে না যান তাহলে কোন সমস্যা হবে না।NRB এর ৯% কাজ ঘরে বসে মোবাইলে বা অনলাইনের মাধ্যমে হয়ে যায়। টাকা জমা দেওয়া, টাকা তোলা, স্টেটমেন্ট ডাউনলোড, চেক বইয়ের আবেদন সবকিছু মোবাইলের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। বছরে একবারও ব্রাঞ্চে যাওয়া লাগে না। সৌদিতে বসে থেকেই সবকিছু নিজেই কন্ট্রোল করতে পারবেন।
তবে একটা কাজে ব্রাঞ্চে যেতে হতে পারে। যদি আপনি কোন বড় এমাউন্ট উঠাতে চান তখন ব্রাঞ্চে যেতে হবে। যেমন ১০ লাখ টাকার বেশি উঠাতে চাইলে ব্যাংক সিগনেচার ভেরিফাই করতে চাই। তখন দেশে গেলে ব্রাঞ্চের সাথে গিয়ে দেখা করা ভালো। না গেলেও চলবে যদি কুরিয়ারে চেক পাঠানো যায় তাহলে টাকা দিয়ে দেবে। তাই ব্রাঞ্চে না গেলেও সব কাজ করা যাবে আমার টাকাও উঠানো যাবে।
শেষ কথা: আর্টিকেল লিখতে গিয়ে যদি কোন তথ্য ভুল হয়ে থাকে বা নিয়মবাদ পড়ে যায় তাহলে আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি চেষ্টা করেছি সম্পূর্ণ নিয়ম তুলে ধরার জন্য তারপরেও মানুষ মাত্রই ভুল আমারও ভুল হতে পারে। যদি এই কনটেন্ট করতে গিয়ে কোন সমস্যার মধ্যে পড়েন তাহলে আমাকে অবশ্যই জানাবেন আমি আপনাদেরকে সাহায্য করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। ব্যাংকের নিয়ম কানুন মাঝেমধ্যেই চেঞ্জ হয় তাই অ্যাকাউন্ট খোলার আগে একবার ব্যাংকে গিয়ে দেখা করা ভালো।
দূরে থেকেও এখন দেশের সাথে আর্থিক সম্পর্ক রাখা অনেক সহজ হয়ে গেছে। এখন সৌদি আরবে বসে থেকে নিজের একাউন্ট খোলা যাবে ১৫ দিনের মধ্যেই একাউন্ট খুলে নিজেই নিজের টাকা ম্যানেজ করতে পারবেন। অনেক সময় দেশে টাকা পাঠালে অনেক সমস্যা হয়ে যায় ।অনেক প্রবাসী বিশ্বাস করে বাবা-মা, ভাই-বোন বা বউ, সন্তানের নামে টাকা পাঠানোর পরে যখন দেশে ফিরে তখন নিজের বলে কিছুই থাকে না। তাই এই নিয়মটা অনেক বেস্ট যা নিজের নামে অ্যাকাউন্ট থাকবে, নিজে যেভাবে খুশি সেভাবে টাকা রাখতে পারবে বা খরচ করতে পারবে।
আপনি যদি ইচ্ছা পুরন এর কোন পোস্টে কমেন্ট করতে চান, তাহলে এর নীতি মেনে কমেন্ট করুন। কারন প্রত্যেকটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url