বাংলাদেশে ড্রপশিপিং বিজনেস শুরু করার সম্পূর্ণ গাইড

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিজনেসের মডেল হোল ড্রপশিপিং। যে বিজনেস করতে কোন দকান ভাড়া, পণ্য স্টক রাখার ঝামেলা, কর্মচারী কোন কিছুই লাগেনা। এই বিজনেস করতে কোন পুঁজি লাগেনা।

বাংলাদেশে-ড্রপশিপিং-বিজনেস-শুরু

পুঁজি ছাড়া বিজনেস করতে চাইলে ড্রপশিপিং বিজনেস করাটাই সব থেকে ভাল। এই বিজনেস করতে চাইলে হাতে একটা স্মার্ট ফোন আর তাতে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই হবে।আর নিজের ইচ্ছা শক্তি থাকতে হবে

সূচিপত্রঃ ড্রপ শিপিং বিজনেস করার সম্পূর্ণ ধাপ নিচে দেওয়া আছে।

ড্রপশিপিং লাভজনক এবং এইটাতে ঝুঁকি নেই বললেই চলে

এই বিজনেসেরসবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এইটা করতে কোন পুঁজি লাগেনা। পুঁজি ছাড়াই এইবিজনেসটা খুব সহেজেই করা যাই। এই বিজনেস করতে আগে কন পণ্য কিনে স্টকে রাখার প্রয়োজন হয়না।কাস্টমার আগেই পন্নের দাম দিয়ে দিবে, আর সেই টাকা হাতে পাওয়ার পরে সাপ্লায়ার কে দিয়ে দিলেই হবে।

তাই নিজের কাছে থেকে সাপ্লায়ারকে কোন  টাকা পয়সা দিতে হয়না ।আর তাই নিজের টাকাটাও আটকিয়ে থাকেনা,তাই লস হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই ছলে।বাংলাদেশে অনেকেই ৫-১০ হাজার টাকা দিয়ে বিজনেসস শুরু করে দেখে কোন পণ্য টা বেশি চলে। সেজন্য অনেকেই পড়াশোনা বা চাকরির পাশাপাশি ড্রপশিপিং  বিজনেস আমার কাছে সব চেয়ে নিরাপদ মনেহয়।

নিশ বা যে ধরনের পণ্য নিয়ে কাজ করবো সেটা সিলেক্ট করা

এই বিজনেসটা করতে হলে আগে সঠিক পণ্যটি বাছাই করতে হবে।আর পণ্যটি হতে হবে, সাইজে ছোট, ওজনে কম, আর পণ্যটি হতে হবে একবারে উনিক। তানাহলে পণ্য বিক্রি করা অনেক কঠিন হয়ে যাবে। এমন একটি পণ্য বেছে নিতে হবে যে পণ্যটির মার্কেটে অনেক ডিমান্ড আছে, কিন্তু সাধারণ মার্কেটে বা দোকানে সেই পণ্যটি পাওয়া জাইনা সেই পণ্যটি বাছাই করতে হবে।

যে পণ্যটি সারা বছর চলে সেই পণ্য গুলো বাছাই করতে হবে। যেমন- ফোনের কভার, LED  লাইট,  সঠিক পণ্যটি যদি বাছাই করতে না পারা যাই, তাহলে বিজনেস করে লাভ করা যাবেনা। আমরা যদি শীতের সময় গরমের কাপড় নিয়ে আসি তাহলে কি সেই কাপড় কেউ নিবে, কখনই নিবেনা। তাই সবসময় ভেবে চিন্তে পণ্য নিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ অনলাইনে ডিজিটাল মার্কেটিং করে মাসে ৪০ হাজার টাকা ইনকামের উপায়

বিজনেস করতে হলে বিশ্বস্ত সাপ্লায়ার খুঁজে বের করতে হবে

 যেকোনো বিজনেস করতে গেলেই বিশ্বস্ত লোকের প্রয়োজন। বিশ্বস্ত মানুষ ছাড়া যেকোনো কাজ বা বিজনেসে সফলতা অর্জন করা সম্ভব না। তাই সবার প্রথমেই একজন বিশ্বস্ত লোক খুঁজে বের করতে হবে। আর অনলাইনে বিজনেস করতে গেলে বিশ্বস্ত লোক আরও বেশি প্রয়োজন, আর ড্রপ শিপিং বিজনেস করতে হলে বিশ্বস্ত সাপ্লায়ারের  প্রয়োজন।

বাংলাদেশে-ড্রপশিপিং-বিজনেস-শুরু

বিশ্বস্ত সাপ্লায়ার ছাড়া বিজনেস কখনই টিকবেন না। অনলাইনে অনেকগ্রুপে সাপ্লায়ার থাকে,তারা বিভিন্ন পোস্ট দেই, ওই পোস্ট দেখে তাথের সাথে যোগাযোগ করে, প্রয়োজন এ মেসেজে কথা বলে কাজ শুরু করে দিতে হবে। তবে সাপ্লায়ারের সাথে কথা বলার সময় ৩ টা জিনিস জিজ্ঞেস করে নিতে হবে।

  1. পণ্য ডেলিভারের সময় ৩-৫ দিনের মধ্যেই হতে হবে
  2. রিটার্ন পলিসি আছে কিনা সেটা জেনে নিতে হবে।
  3. আর পেকেজিং ভালো কিনা জানতে হবে।

ড্রপ শিপিং ব্যবসা করে মাসে যত টাকা আয় করা সম্ভব

এই ব্যবসা করে মাসে কত টাকা আয় করা সম্ভব সেটা নির্ভর করে আমাদের ওপরে। কতটা সময় দিতে পারব আর কতটা মার্কেটিং করতে পারবো তার ওপরে নির্ভর করবে এই ইনকামটা। নতুন অবস্থায় ১-২মাস ৫-১০ ১০ হাজার টাকা ইনকাম করা যেতে পারে। এই সময়টা শুধু শেখার সময় ,টেস্ট করার সময় ,কোন প্রোডাক্টটা বেশি চলে। যখন বোঝা হয়ে যাবে ব্যবসাটা কিভাবে করতে হবে, তখনই তো ব্যবসার আসল মজা। 

কয়েক মাস কাজ করলেই ব্যবসা সম্বন্ধে একটা অভিজ্ঞতা হয়ে যাবে। তখন বুঝতে পারবেন কিভাবে ব্যবসা করলে লাভ হবে। তখন ৫-৬ মাসের মধ্যেই নিয়মিত কাজ করলে মাসে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা ইনকাম করা সম্ভব। এভাবে যদি নিয়মিত কাজ করা যায় আর নিয়মিত অ্যাড চালানো যায়, তাহলে মাসে অনেক টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

আরো পড়ুন: অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা করে হাজার হাজার টাকা ইনকাম

অর্ডার আসলে যেভাবে পণ্যটি প্রসেস করতে হবে

 কাস্টমার যখন অর্ডার দেয় তখন প্রথমেই তাদের ফোন নাম্বার নিতে হবে। তারপরে ফোন দিয়ে খুব নরম ভাষায় কাস্টোমারের সাথে কথা বলতে হবে ।কথা বলে অর্ডারটি কনফার্ম করতে হবে। কারণ বাংলাদেশের ৩০% মানুষ ফেক অর্ডার করে। আবার অনেক কাস্টমার আছে পণ্য নিবে না অথচ বারবার ইনবক্সে বিরক্ত করে। 

তাই ধোকাবাজ কাস্টমারের হাত থেকে বাঁচার জন্য , আপনি কাস্টমারের কাছে কল দিবেন।যদি কোন কাস্টমার পণ্য নিতে চায়, তাহলে কাস্টমারকে কল করার পরে নিশ্চিত হয়ে অর্ডারটি কনফার্ম করবেন। তারপরে সাপ্লায়ার কে মেসেজ দিয়ে কাস্টমারের নাম ঠিকানা ফোন নম্বর এবং পণ্যের ডিটেলস পাঠিয়ে দিবেন।

অনলাইনে বিজনেস করার সময় যে ভুলগুলো করা উচিত নয়

অনলাইনে ব্যবসা করতে গিয়ে অনেকেই বিশেষ করে যারা নতুন বিজনেস শুরু করে তারা এসব ভুলগুলো অনেক বেশি করে।

  • পণ্য সিলেকশনে ভুল করে
  • উইনিং পণ্য কিভাবে রিসার্চ করতে হয় সেটা জানে না
  • শিপিং টাইম না বলা
  • কিভাবে মার্কেটের সিস্টেম মেনে পণ্য সেল করতে হবে সেটা না জানা
  • ভুল সাপ্লায়ার সিলেক্ট করা

যখন কেউ ব্যবসা শুরু করে তখন এই বিষয়গুলো যদি না জানে, তাহলে ব্যবসায় সফলতা অর্জন করতে পারবেনা। তাই ব্যবসার শুরুতেই এই সব বিষয়গুলো জানতে হবে সঠিক পণ্য সিলেকশন করতে হবে। আগে মার্কেটে দেখতে হবে কোন পণ্যটিতে কাস্টমারের চাহিদা আছে। তবে পণ্যটি আশেপাশের বাজারে বা দোকানে পাওয়া যাবে না সে পণ্যটি নির্বাচন করতে হবে। আর শিপিং টাইম টা সব সময় ঠিক রাখতে হবে কারণ, কাস্টমারকে দুই দিনের কথা বলে যদি ১০ দিন ১৫ দিন সময় লাগে তাহলে এতে কাস্টমার রাগ হয়।

আরো পড়ুন: ফেসবুকে মার্কেটিং দিয়ে প্রথম সেল আনার দশটি টিপস 

ড্রপ শিপিং বিজনেসটা বাংলাদেশে যেভাবে কাজ করে

 ড্রপ শিপিং হলো এমন একটা বিজনেস, যেখানে প্রোডাক্ট নিজে কিনতে হবে না। স্টোরেও রাখার দরকার নাই, কাস্টমার অর্ডার করলে সাপ্লায়ার সরাসরি কাস্টোমারের কাছে পণ্য দিয়ে আসবে। এখানে আনলিমিটেড পণ্য টেস্ট করা সম্ভব। এখানে দোকান ভাড়া ,বিদ্যুৎ বিল কর্মচারীর বেতন ,এগুলোর কোন খরচ নেই। 

বাংলাদেশের ড্রপ শিপিং মূলত অনলাইন একটা পেজ, আর সাপ্লায়ারের মাধ্যমে কাজ করে। প্রথমে আলিবাবা অথবা দেশের পাইকারি মার্কেট যেমন ইসলামপুর, চকবাজার এখান থেকে পণ্য বাছাই করে, পেজ অথবা ছোট ওয়েবসাইটে পণ্যের ছবি তার সাথে দাম দিয়ে পোস্ট দিতে হবে। কাস্টমারের যদি পণ্য পছন্দ হয়, তাহলে অর্ডার করবে। আর সেই অর্ডারটা সাপ্লাইয়ার কে দিতে হবে। বাকি কাজটা সাপ্লাইয়ের করবে। 

মার্কেটিং করে যেভাবে ড্রপ শিপিং বিজনেসে কাস্টমার নিয়ে আসা যায়

ড্রপ শিপিং ব্যবসায় কাস্টমার আনতে হলে প্রথমেই ফেসবুক অথবা টিকটক আরো অনেক কিছুই আছে যেগুলোতে ছোট ছোট অ্যাড দিতে হয়। ছোট এবং আকর্ষণীয় ভিডিও বানিয়ে তার সমস্যা ও সমাধান দিলে মানুষ নিতে অনেক আগ্রহী হয়। ব্যবসার শুরুতেই বড় বাজেট লাগেনা। অল্প টাকা দিয়ে টেস্ট করলে চলে কোন পণ্যটি বাজারে চলবে।

ফ্রি মার্কেটিং হিসেবে ফেসবুক গ্রুপ আর রিলস টা কাজে লাগাতে হবে। ফেসবুকে ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ডের রিলস ভিডিও বানিয়ে ভালো রিচ পাওয়া যায়। আর ব্যবসাটা ভালোভাবে করতে হলে, প্রথমে পণ্যের একটু ডিসকাউন্ট দিলে কাস্টমারেরা বেশি আগ্রহী হয়। আর যখন আগ্রহী হয় তখন অনেকেই পণ্য অর্ডার করে এবং রিভিউ দেয়। আর এ রিভিউ দেখে আরো অনেক কাস্টমার পণ্যের অর্ডার করতে থাকে।আর এভাবে ব্যবসাটা সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাই। 

আরো পড়ুন: বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট এর ভিডিও বানিয়ে সেল বাড়ানোর কৌশল

পণ্য হাতে পাওয়ার পরে যাচাই বাছাই করে দেখা

ড্রপ শিপিং ব্যবসায় সফল হতে হলে প্রথমেই পণ্য যাচাই বাছাই করে দেখে নিতে হবে। শুধু কম দাম দেখে অন্য বাছাই করা যায় না। কম দাম দেখে যদি পণ্য বাসে করা হয় অনেক সময় কাস্টমারের অনেক অভিযোগ আসে। তাই শুরুতেই স্যাম্পল অর্ডার করে, দেখতে হবে পণ্যের কোয়ালিটি কেমন, প্যাকেটিং ঠিক আছে কিনা, কতদিনে মাল ডেলিভারি হবে। এই বিষয়গুলো জেনে নিতে হবে।

ভালো কোন না হলেও মার্কেটিং করে লাভ হয় না, বরং আরো বদনাম হয়। তাছাড়া বাজারে পণ্যের চাহিদা আছে কিনা সেটাও দেখতে হবে। আর পণ্যটি ছোট, হালকা এবং শিপিং খরচ কম হলে ভালো হয়। সঠিক পণ্যটি বাছাই করতে পারলে, মার্কেটিং খরচ কমে যায় আর লাভের মার্জিনটা বেশি থাকে। তাই অন্য হাতে পাওয়ার পরে পণ্যগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখে নেওয়া বেটার।

কাস্টমার পণ্য অর্ডার করলে অর্ডারটি ম্যানেজ এবং কাস্টমার সার্ভিস করা

যদি কোন কাস্টমার পণ্য অর্ডার করে তাহলে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সাপ্লায়ার কে সে অর্ডারটি ফরোয়ার্ড করা। কাস্টমার যাতে সাপ্লায়ারের সাথে যোগাযোগ করতে পারে সেই রকম একটা নাম্বার দেওয়া। তা না হলে কাস্টমার বিরক্ত হতে পারে। whatsapp বিজনেস বা মেসেঞ্জারে অটো রিপ্লাই এর ব্যবস্থা করে রাখতে হবে। যাতে করে কাস্টমার খুব তাড়াতাড়ি প্রশ্নের জবাব পায়।

বাংলাদেশে-ড্রপশিপিং-বিজনেস-শুরু

কথার সাথে যেন কাজের মিল থাকে সেদিক তা সব সময় খেয়াল রাখতে হবে। কাস্টমারের সাথে যোগাযোগ করে কাস্টমারকে যে সময়টা দেওয়া হবে দুইদিন বা তিন দিন সেই সময়ের মধ্যে পণ্যটি তাদের কাছে পৌঁছাতে হবে। আর এর মধ্যে যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে কাস্টমার কে ফোন করে দেওয়াই ভালো। দুই দিনের কথা বলে যদি দশ দিন সময় লাগে তাহলে কাস্টমার বিরক্ত হবে।

আরো পড়ুন: ড্রপ শিপিংয়ের মতো কম পুঁজিতে শুরু করা যাই এমন বিজনেসের সম্পূর্ণ আইডিয়া

কাস্টমারের সাথে যে রকম ব্যবহার করা উচিত

ড্রপ শিপিং বিজনেসে কাস্টোমারেরাই আসলে টাকা নিয়ে আসস ।কারণ একবার যে কিনবে ,সার্ভিস যদি ভালো হয় তাহলে সে আবার পণ্য নেওয়ার জন্য আগ্রহী হবে। তাই সব সময় চেষ্টা করতে হবে কাস্টমারের সাথে ভালো ব্যবহার করার। কাস্টমারের সাথে যদি খারাপ ব্যবহার করা হয় ,তাহলে কখনোই সেই কাস্টমার আর কোন পণ্যই নিবে না আপনার কাছে থেকে।

তাই কাস্টমার যাতে আপনার প্রতি খুশি থাকে বা আপনার ব্যবহারে সন্তুষ্টি থাকে সেজন্য কয়েকটা জিনিস ফলো করতে হবে।

  1. মেসেজ দেওয়ার সাথে সাথেই মেসেজের রিপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
  2. রিটার্ন পলিসি রাখতে হবে। তিনদিনের মধ্যে যদি পণ্য খারাপ লাগে তাহলে পূর্ণ ফেরত নেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। এ ব্যবস্থাগুলো যদি রাখা যায় তাহলে কাস্টমার অনেক খুশি থাকে।

সবশেষে বিজনেসের যেভাবে লাভ লোকসানের হিসাব করতে হয়

ড্রপ শিপিং ব্যবসায় লাভ-লোকসানের হিসাব করতে হলে প্রথমে যা করতে হবে। প্রথমে প্রতিটি পণ্যের মোট খরচ বের করতে হবে। মোট খরচের মধ্যে থাকে পণ্যের কেনা খরচ, শিপিং খরচ, আর মার্কেটিং এর জন্য যে খরচটা হয় সেই খরচ। আর এইসব হিসাব না করলে ব্যবসায় কখনো সফলতা আসে না। ব্যবসা করে যদি লাভ না হয় তাহলে সে ব্যবসা করে লাভ নেই।

তাই পণ্য বিক্রি করে কয় টাকা লাভ হচ্ছে কয় টাকা লোকেশন হচ্ছে ,সেটা জানা অনেক জরুরী বিষয়। পণ্য বিক্রির দাম থেকে মোট খরচ বাদ দিলে লাভ লোকসানের হিসাবটা বের হয়ে যায়। আমি যদি পণ্যটি কম দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে পারি তাহলে সেটা হবে লাভ। আর যদি অন্য যে দামে কিনেছি সব খরচ মিলিয়ে সে একই দামে বিক্রি করি বা তার থেকে কম দামে বিক্রি করি তাহলে সেটা লস হবে। তাই নিয়মিত হিসাব রাখলে মাস শেষে একটা লাভ লোকসানের হিসাব পাওয়া যায়।

আরো পড়ুন: বাংলাদেশের ক্যাশ অন ডেলিভারি ম্যানেজ করার উপায় 

শেষ কথাঃ মানুষ মাত্রই ভুল

 ড্রপ শিপিং ব্যবসা সম্বন্ধে বলতে গিয়ে যদি আমার কোন ভুল ভ্রান্তি হয়ে থাকে , বা কোন বিষয় বুঝতে অসুবিধা হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি চেষ্টা করেছি ড্রপ শিপিং ব্যবসা সম্বন্ধে সবকিছু সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলতে। যাতে করে নতুনদেরও বুঝতে কোনো সমস্যা না হয় ।

ড্রপ শিপিং এমন একটা ব্যবসা যেখানে কোন পুঁজি লাগে না পুঁজি ছাড়াই ব্যবসাটা করা যায়। এই ব্যবসাতে অল্প পুজিতে শুরু করে আস্তে আস্তে অনেক বড় হওয়া সম্ভব। সঠিক পণ্য বাছাই, বিশ্বস্ত সাপ্লায়ার, আর ভালো মার্কেটিং করতে পারলেই এ ব্যবসা থেকে মাসে অনেক টাকা আয় করা সম্ভব। তবে যে কোন ব্যবসা করতে গেলেই ধৈর্য আত্মবিশ্বাস আর সময় এ তিনটা জিনিস অবশ্যই প্রয়োজন। ধৈর্য সহকারে লেগে থাকলে আর সময় দিলে অবশ্যই একদিন সফলতা আসবে ইনশাআল্লাহ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি যদি ইচ্ছা পুরন এর কোন পোস্টে কমেন্ট করতে চান, তাহলে এর নীতি মেনে কমেন্ট করুন। কারন প্রত্যেকটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url