চীন থেকে বাংলাদেশ প্রোডাক্ট আনার A-Z প্রসেস স্টেপ বাই স্টেপ

চীন এমন একটা দেশ যেখানে তারা সব ধরনের পণ্যই উৎপাদনের চেষ্টা করেন। তাদের জ্ঞান বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে আজকে বিশ্বের অন্যতম দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। চিনের পণ্য বাংলাদেশে এনে বিজনেস করা এখন অনেক সহজ।

চীন-থেকে-বাংলাদেশ-প্রোডাক্ট-আনার-A-Z-প্রসেস

 চীন থেকে বাংলাদেশে পণ্য নিয়ে এসে বিক্রি করা এখন অনেকটাই সহজ এবং লাভ জনক। অল্প কিছু পুঁজি দিয়ে ও প্রথমে ব্যবসা শুরু করা যায়। অনেকেই ভাবে এইটা অনেক কঠিন কাজ। বিজনেস করতে গেলে নিজেকে আগে প্রস্তুত করে নিতে হবে।

সূচিপত্র: চিন থেকে বাংলাদেশে পণ্য আনার বিভিন্ন প্রক্রিয়া

চীনের পণ্য বাংলাদেশে আমদানি করার সহজ প্রক্রিয়া

চীন থেকে বাংলাদেশে পণ্য আমদানি করার প্রক্রিয়া মানে হল, চীন থেকে কম দামে প্রোডাক্ট নিয়ে এসে বাংলাদেশে বেশি দামে বিক্রি করা।চায়না থেকে যখন কোন প্রোডাক্ট কিনবেন তখন অবশ্যই আপনাকে ওই প্রোডাক্টের সেল ভলিউম যাচাই করতে হবে। তানাহলে  পরে অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে হবে, তাই যখনি কোন পণ্য কিনবেন সেই পণ্যের সেল ভলিউম অবশ্যয় দেখে নিতে হবে।

 যদি সেল ভলিউম বেশি হয় তাহলে অল্প প্রোডাক্ট আনলে লস হওয়ার সম্ভাবনা আছে।চীন থেকে প্রোডাক্ট আনলে ৩০ থেকে ৭০% কম দামে পণ্য নিয়ে আসা যায়। প্রথমে ছোট চালান দিয়েই ব্যবসা শুরু করা ভালো। এতে রিক্স কম থাকে, লোকশান হওয়ারও ভয় থাকে না। প্রথম অবস্থায় এতো রিক্স না নেউয়ায় ভাল।

পণ্য আমদানি করার আগে চিন্তা ভাবনা করে অন্য আমদানি করা

পণ্য আমদানি করার আগে অবশ্যই মাথা ঠান্ডা রেখে চিন্তা ভাবনা করতে হবে ,যে আমি কোন ধরনের পণ্যটি নিতে যাচ্ছি, সে পণ্যটি বাজারে চাহিদা আছে কিনা সেটা দেখতে হবে। আমরা অনেকেই এই ভুলটা বেশি করি, পণ্যের দাম অল্প দেখলেই আমরা অর্ডার করে ফেলি কিন্তু এটা সবথেকে বড় ভুল।

 কারণ পণ্যের দাম কম হলেই পণ্য ভালো পাওয়া যায় না। আগে এটা দেখতে হবে কাস্টমার কোন ধরনের পণ্য খুঁজছে সেই হিসাবে পণ্যের অর্ডার করতে হবে। আর একটা কথা মাথায় রাখতে হবে যে পণ্যটি, আমি আমদানি করে নিয়ে আসবো, সেটা বিক্রি করে আমার কতটুকু লাভ থাকবে ।যদি লাভ না থাকে তাহলে সে পণ্য নিয়ে এসে শুধু হতাশা ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যাবে না।

ব্যবসা করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র ও লাইসেন্স রেডি

চীন থেকে পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশে আনতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন আমদানি লাইসেন্স,যাকেIRC বলে। এইটা না থাকলে বিদেশ থেকে টাকা পাঠাতে দেবে না।আর পণ্য আটকে দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি, আর IRC বানাতে শুধু ট্রেড লাইসেন্স ,TIN সার্টিফিকেট আর একটা ব্যাংকের কাগজ হলে হয়।এটা একবার বানিয়ে নিলে প্রতিবছর অল্প কিছু টাকা দিয়ে নবায়ন করলেই হবে।

পণ্য ছাড়ানোর সময় কাস্টমসে কিছু ডকুমেন্ট জমা দিতে হয়। এর মধ্যে আছে কমার্শিয়াল ইনভয়েস, যেখানে পণ্যের দাম, পণ্যের পরিমাণ, আর সরবরাহকারীর তথ্য থাকে। এগুলো প্রমাণ করে যে পণ্যটি চীন থেকে এসেছে। এইসব ডকুমেন্টের তথ্যগুলো যদি সঠিক না হয়, তাহলে পণ্যগুলো কাস্টমসে আটকে যেতে পারে এমনকি জরিমানাও হতে পারে।

চীন থেকে পণ্য আনতে মনের মধ্যে একটা ভয় কাজ করে

 চীন থেকে পণ্য আমদানি করতে গেলেই প্রথমেই মনের মধ্যে একটা ভয় জাগে।যে টাকা দিয়ে যে পণ্যটি কিনব, সেটাকে হাতে পাব না কি পাব না। আবার পণ্যটি ভালো হবে না খারাপ হবে এইসব চিন্তা। এখন অনলাইনে মানুষ চেনা অনেক কষ্টকর। অনেক সাপ্লায়ার আছে যারা টাকা নিয়ে আর কথা বলে না।

আবার পণ্য একটা বললে আর একটা নিয়ে এসে দেয়, যেহেতু অনেক দূর থেকে পণ্যটি আনা হয় তাই সরাসরি কিছু বলাও যায় না, এ ভয়টাই কাজ করে বেশি।আরেকটা ভয় হল কাস্টমস আর শিপিং নিয়ে। পণ্য বাংলাদেশে এসে যদি কাস্টমসে আটকে যায়, ট্যাক্স বেশি চাই, অনেক সময় অর্ডার করা পণ্য বদলে অন্য অন্য দেয়। এইসব ভাইগুলো বেশি কাজ করে। 

বাংলাদেশ থেকে যেভাবে চায়নার পণ্য কিনতে হবে 

বাংলাদেশে থকে চায়নার মাল কিনার জন্য প্রয়োজন চাইনিজ সাপ্লায়ারদের খুঁজে বের করা , করে আমরা যদিআলী এক্সপ্রেস যায় তাহলে ওইখানে অনেক পণ্য আছে, আপনার পছন্দমতপ্রোডাক্ট সিলেক্ট করবেন।ওইখানে পণ্যগুলো একাধিক ভাবে পোস্ট করা থাকে, ঐখানে একাধিক চিনা ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করে পণ্যের গুণগতমান পণ্যের দাম সবকিছু জানতে পারবেন। 
চীন-থেকে-বাংলাদেশ-প্রোডাক্ট-আনার-A-Z-প্রসেস

আর ওই পণ্যটি অরজিনাল সাপ্লায়ার সাপ্লাই দিতে পারবে কিনা, সরাসরি কারখানা থেকে পণ্য দিতে পারবে কিনা, আপনি ওইখান থেকে সবই বুঝতে পারবেন। যদি আপনার মনে হয় যে সাপ্লায়ার ভালো, সরাসরি কারখানা থেকে পণ্য দিতে পারবে তাহলে তার কাছে থেকে পণ্য নেওয়া যাবে। এইগুল না দেখলে পরবর্তীতে অনেক সমসসা দেখা দেয়।

অনেক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো বর্তমান মার্কেট রিসার্চ করা

পণ্য নিয়ে আসার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল বর্তমান মার্কেট রিসার্চ করা। মার্কেট রিসার্চ না করে পণ্য অর্ডার করা বোকামি। মার্কেট রিসার্চ করা মানে এইটা রিসার্চ নয় যে, কোন পণ্যটি সস্তা।মার্কেট রিসার্চ করা মানে হলো কোন পণ্যটির ডিমান্ড আছে কিন্তু কম্পিটিশন এখনো কম ।

 তাই আমাদের ভালো পন্নটি নিতে হলে দেখতে হবে পণ্যের চাহিদা অনেক কিন্তু এর কম্পিটিশন তুলনামূলক কম।আর যে পণ্য গুলো সারা বছর মানুষ ব্যবহার করে সেই পণ্য নিয়ে  ব্যবসা শুরু করতে হবে। গরমের সময় যদি শীতের পোশাক তোলা হয় তাহলে কি কেউ নিবে।
 

কম দামের মধ্যে গুণগত মানের পণ্য সিলেক্ট করা

কম দামের মধ্যে গুণগত মানের পণ্য নিতে হলে যা করতে হবে, মূল্য শুনে বেশি খুশি হওয়া যাবে না কারণ, অনেক সাপ্লায়ার আছে যারা কম দাম দেখিয়েপণ্য খারাপ দেয়। তাই অর্ডার করার আগে পণ্যটি স্যাম্পল দেখতে চাইতে হবে। উন্নতি সরাসরি হাতে নেড়ে দেখলে তার মানটা বোঝা যাবে, তার রং গুণগতমান এসব দেখে তারপর পণ্যটি অর্ডার করতে হবে।

কম দামের মধ্যে কথা বলার জন্য ইয়ার ফোন নেওয়া যাই। তবে কেনার আগে দেখতে হবে কথা পরিস্কার আসে কিনা, আর কথা বোঝা যাই কিনা।  তারটা মজবুত হতে হবে, আর কানে পরলে যাতে আরাম লাগে সেইদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তার পরে  LED LIGHT টাও কেনা যাই। যদি অল্প দামের মধ্যে ভাল পাওয়া যাই। 

যে ভুল নতুন উদ্যোক্তারা বেশি করে থাকে

 যে পণ্যগুলো বারবার রিপিট হয় ঐ পণ্যগুলোর ডিমান্ড অনেক বেশি হয়। এখানে যারা নতুন উদ্যোক্তা তারা এই ভুলগুলো অনেক বেশি করে।বেশি দাম দেখলেই যারা নতুন বিজনেস শুরু করে তারা মনে করে ,এই পণ্যটাই নেওয়া ভালো হবে কিন্তু এটা করা মোটেও ঠিক হবে না। তাই পূর্ণনির্বাচন করতে হবে ডিমান্ড হবে হাই কিন্তু কম্পিটিশন হবে লো। 
চীন-থেকে-বাংলাদেশ-প্রোডাক্ট-আনার-A-Z-প্রসেস

নতুনরা আরো কিছু ভুল করে সেটা হচ্ছে, তারা না বুঝেই যে কোন পণ্য অর্ডার করে ফেলে,যেটা করা উচিত নয় যে পণ্যটি সারা বছর চলে সে পণ্যটি অর্ডার করতে হবে আর পণ্যটির ওজন অল্পের মধ্যে হতে হবে ।অনেকেই সস্তা দাম দেখিয়ে খারাপ কুয়ালিটির পণ্য আনে , এতে কাস্টমার  পন্ন ফেরত দেই ,যার কারনে লস হয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে সাপ্লায়ার সিলেকশন করা

অনলাইনে বিজনেস করতে হলে সাপ্লায়ার সিলেক্ট করা বড় ঝামেলার কাজ। যদি ভালো বা বিশ্বস্ত সাপ্লায়ার না পাওয়া যাই তাহলে, বিজনেস করা অনেক কঠিন হয়ে যাবে। তাই সাপ্লায়ার সিলেকশন করার সময় তিনটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে।
  1. সর্বনিম্ন অর্ডারের পরিমাণ 
  2. সাপ্লাইয়ার সঠিক পণ্য দিচ্ছে কিনা সেটা দেখা আর সাপ্লায়ার রিপ্লাই দিচ্ছে কিনা এটা দেখা 
  3.  স্যাম্পল অর্ডার দিয়ে পণ্যের গুণগত মান যাচাই করা
পণ্য নেওয়ার সময় নতুন অবস্থায় অবশ্যই কম পরিমাণ পণ্যের অর্ডার করতে হবে। স্যাম্পল ছাড়া পণ্যের অর্ডার করা মানে অনেক বড় রিক্স নেওয়া।যদি সাপ্লায়ার একটি পণ্য দেখি আর একটি পণ্য দেয় তাহলে তার থেকে সাবধান হতে হবে, আবার অনেক সাপ্লায়ার আছে যারা টাকা নেওয়ার পরে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় এদের থেকে সাবধান হতে হবে।

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল অল্প কিছু পণ্য নিয়ে এসে পরীক্ষা করা

প্রথমে বড় অর্ডার দেওয়া কখনোই ভালো সিদ্ধান্ত নয়। প্রথমে অল্প কিছু পণ্য নিয়ে বাজারে যাচাই করতে হবে কাস্টমার পণ্যটিকেমন নিচ্ছে বা তাদের মন মানসিকতা কেমন এই পণ্যের উপরে। এটা দেখায় হল মূল কাজ কারণ এর উপরে নির্ভর করবে আপনার পণ্যের চাহিদা কেমন সেই জন্য কিছু কাজ করা প্রয়োজন। প্রথমে মার্কেট রিসার্চ করতে হবে যে পণ্যটি কেমন চলবে।
তারপরে কোন ধরনের পণ্য সিলেকশন করতে হবে, কোন পণ্যটি নিয়ে আসলে লাভ হবে, তা নিচে দেওয়া হল-
  1. পণ্যের সাইজ ওজন কেমন হবে তা জানতে হবে
  2. পণ্যটির কোয়ালিটি বা পণ্যের রিটার্ন রেট বেশি হলে সেই পণ্যটি বিজনেসের জন্য ঝামেলা দায়ক
  3. পণ্যটির দাম কেমন হবে আর সে পণ্য বিক্রি করে লাভ হবে কিনা সেটাও জানতে হবে।

সবশেষে আসে লাভ-লোকসানের হিসাব করা

 চায়না থেকে পণ্য এনে যদি সর্বনিম্ন দুই থেকে তিনগুণ লাভ করার সুযোগ না থাকে, তাহলে ওই পণ্য আনার রিস্ক না নেওয়াই ভালো। কারণ এই পণ্য দিয়ে বিজনেস করা যাবে ঠিক তবে এতে আপনার লাভ হবে না। এখানে যারা নতুন ব্যবসা করতে চান তারা সবচেয়ে বেশি ভুল করেন। লাভ লোকসানের হিসাব করতে হলে শুধু পণ্যের দাম দেখলে হয় না সম্পূর্ণ খরচটা হিসাব করতে হয় আর টোটাল খরচটা হিসাব করতে হয় এইভাবে-
  • প্রোডাক্ট প্রাইস কেমন 
  •  শিপিং খরচ কেমন 
  • ট্যাক্স ও প্যাকেজিং খরচ কেমন
  • আর যারা পণ্যগুলো ডেলিভারি করবে তাদের খরচ কেমন 
এই সব কিছু হিসাব করে যদি আপনার লাভটা ঠিক থাকে ,তাহলে সে পণ্যটি নেওয়া আপনার জন্য লাভজনক হবে। আর যদি সব হিসেব করে লাভ না আসে তাহলে,লস হবে। তাই আগে থেকেই হিসেব করে বিজনেস করা উচিত।

বাংলাদেশে চীনের পণ্য নিয়ে এসে জা করণীয়

চীন থেকে পণ্য বাংলাদেশে নিয়ে আসার পরেপ্রথমে সবকিছু খুলে ভালোভাবে দেখে নিতে হবে। পণ্যের সংখ্যা ঠিক আছে কিনা, পণ্য ভেঙে গেছে কিনা, যে পণ্য অর্ডার করা হয়েছিল সেই পণ্যই কি না দেখে নিতে হবে যদি পণ্যের ব্যাপারে কোন সমস্যা থাকে, তাহলে সাথে সাথে ছবি তুলে শিপিং এজেন্ট আর সাপ্লায়ার কে জানাতে হবে দেরি হয়ে গেলে এগুলোর দায়ী তারা নিতে চায় না।

সবকিছু ঠিক থাকলে, পণ্যগুলো ভালো করে পরিষ্কার করে গুছিয়ে রাখতে হবে। যাতে করে বিক্রি করার সময় কোন সমস্যা না হয়, তারপর সুন্দর সুন্দর ছবি তুলে পণ্যটির দাম ঠিক করে, ফেসবুক পেজ অথবা আপনারা যেটাতে ব্যবসা করতে চান সেটাতে আপলোড দিতে পারেন।পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার জন্য আগে থেকেই যে কোন কুরিয়ার সার্ভিস ঠিক করে রাখতে হবে। যাতে করে অর্ডার আসার সাথে সাথেই পণ্যটি কাস্টমারের কাছে পাঠানো যায়। কাস্টমার যদি ভালো সার্ভিস পায় তাহলে তারা অন্য কোন নেওয়ার জন্য আবার আসবে।


শেষ কথা

এই আর্টিকেল লিখতে গিয়ে যদি আমি কোন ভুল তথ্য দিয়ে থাকি অথবা কোন বিষয় তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি, তারপরেও যদি কিছু ভুলে যায়, তাহলে আপনারা আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। কারণ মানুষ মাত্রই ভুল ,পরবর্তীতে শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।

চায়না মার্কেটে যারা টিকে থাকে তারা লাকি না তারা সিস্টেম ফলো করে ধাপে ধাপে সিদ্ধান্ত নেয়। তাই এখান থেকেই বোঝা যায় চায়না থেকে বিজনেস করার ক্ষেত্রে সাফল্য আসে প্রোডাক্ট দেখে নয় সাফল্য আসে এইটার প্রক্রিয়া ফলো করে। চাইনা থেকে বিজনেস করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ,পণ্য পাওয়া না ,সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, সঠিক পন্থা, সঠিক সময় ,সঠিক প্রক্রিয়ায় পণ্যটি বাছাই করা। 



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি যদি ইচ্ছা পুরন এর কোন পোস্টে কমেন্ট করতে চান, তাহলে এর নীতি মেনে কমেন্ট করুন। কারন প্রত্যেকটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url